হুতিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

এরপর দেশটির সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র হুতিদের অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানান। প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল (পিএলসি) নামে পরিচিত ইয়েমেনের সরকার জানিয়েছে, সংঘাত নিরসনের সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাওয়ার পরই পাল্টা অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আল-আলিমি এ অভিযানে সমর্থনের জন্য সৌদি আরবকে ধন্যবাদ জানান এবং আঞ্চলিক মিত্র ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সরকারি বাহিনীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

হুতিরা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আনসার আল্লাহ’ নামে পরিচিত। ২০১৪ সাল থেকে তারা রাজধানী সানা এবং দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। ইয়েমেনের অধিকাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করেন। গত এক দশকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তাদের পশ্চিমা মিত্রদের একাধিক সামরিক অভিযানের পরও হুতিদের পরাজিত করা যায়নি। ইরানের সহায়তায় তারা নিজেদের সামরিক সক্ষমতাও বাড়িয়েছে।

সরকারের পাল্টা অভিযানের ঘোষণার সময় হুতিরা দাবি করে, তারা সৌদি আরবের রিয়াদ ও খুরাইস এলাকায় সৌদি আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, হামলায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে এ দাবি নিশ্চিত করেনি।

ইয়েমেনের সংঘাত নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে সৌদি আরব হুতিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন করে সামরিক জোট গঠন করেছিল। দীর্ঘ লড়াইয়ের পরও হুতিদের পরাজিত করা সম্ভব হয়নি। ২০২২ সালে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি হয়, যা বেশির ভাগ সময় কার্যকর ছিল।

এদিকে সাম্প্রতিক ৪৮ ঘণ্টায় তাইজ শহরের কাছে কৌশলগত পাহাড়ি এলাকায় হুতিরা সরকারি ও স্থানীয় বাহিনীর ওপর অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে সামরিক সূত্র জানিয়েছে। তাইজ-আদেন সড়ক হুতিদের নিয়ন্ত্রণে গেলে শহরটি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়তে পারে।

দীর্ঘদিনের সংঘাতে এমনিতেই ভয়াবহ মানবিক সংকটে থাকা ইয়েমেনে নতুন করে লড়াই পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘাতের তীব্রতায় ইয়েমেনের কিছু এলাকায় প্রতি চারটি পরিবারের মধ্যে প্রায় তিনটি পরিবার খাদ্যসংকটে পড়েছে। নতুন করে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ায় দেশটির মানবিক পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জায়নবাদকে (Zionism) বর্ণবাদ হিসেবে অভিহিত করে একটি বিতর্কিত প্রস্তাবকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে যুক্তরাজ্যের গ্রিন পার্টি। রোববার (৪ অক্টোবর) দলের সম্মেলনে অনুষ্ঠিত ভোটে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন ১ হাজার ২২ জন সদস্য এবং বিপক্ষে ভোট দেন ৮১৩ জন।

আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে ৭০ মিটার গভীর একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে গিয়েছিল পাঁচ বছরের শিশু জইনুল্লাহ। সরু, অন্ধকার ও পানিতে ভেজা কূপটির নিচে আটকে থাকা শিশুটিকে উদ্ধার করতে গিয়ে একের পর এক চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছিল।

মলদোভায় বিধ্বস্ত হওয়া ‘গেরান’ নামে রাশিয়ার একটি জেটচালিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে পশ্চিমা গোয়েন্দা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ব্যবহৃত দ্রুতগতির এই কামিকাজে ড্রোনের প্রযুক্তিগত রহস্য উদ্ঘাটন করে তা প্রতিরোধের কার্যকর উপায় খুঁজছেন তারা।

জনপ্রিয় টার্গেট

ফুটপাত ও সড়কে কোনো হকার বসতে দেওয়া হবে না: সিডিএ চেয়ারম্যান

হুতিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী

প্রকাশ: ১২:০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

এরপর দেশটির সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র হুতিদের অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানান। প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল (পিএলসি) নামে পরিচিত ইয়েমেনের সরকার জানিয়েছে, সংঘাত নিরসনের সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাওয়ার পরই পাল্টা অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আল-আলিমি এ অভিযানে সমর্থনের জন্য সৌদি আরবকে ধন্যবাদ জানান এবং আঞ্চলিক মিত্র ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সরকারি বাহিনীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

হুতিরা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আনসার আল্লাহ’ নামে পরিচিত। ২০১৪ সাল থেকে তারা রাজধানী সানা এবং দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। ইয়েমেনের অধিকাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করেন। গত এক দশকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তাদের পশ্চিমা মিত্রদের একাধিক সামরিক অভিযানের পরও হুতিদের পরাজিত করা যায়নি। ইরানের সহায়তায় তারা নিজেদের সামরিক সক্ষমতাও বাড়িয়েছে।

সরকারের পাল্টা অভিযানের ঘোষণার সময় হুতিরা দাবি করে, তারা সৌদি আরবের রিয়াদ ও খুরাইস এলাকায় সৌদি আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, হামলায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে এ দাবি নিশ্চিত করেনি।

ইয়েমেনের সংঘাত নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে সৌদি আরব হুতিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন করে সামরিক জোট গঠন করেছিল। দীর্ঘ লড়াইয়ের পরও হুতিদের পরাজিত করা সম্ভব হয়নি। ২০২২ সালে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি হয়, যা বেশির ভাগ সময় কার্যকর ছিল।

এদিকে সাম্প্রতিক ৪৮ ঘণ্টায় তাইজ শহরের কাছে কৌশলগত পাহাড়ি এলাকায় হুতিরা সরকারি ও স্থানীয় বাহিনীর ওপর অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে সামরিক সূত্র জানিয়েছে। তাইজ-আদেন সড়ক হুতিদের নিয়ন্ত্রণে গেলে শহরটি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়তে পারে।

দীর্ঘদিনের সংঘাতে এমনিতেই ভয়াবহ মানবিক সংকটে থাকা ইয়েমেনে নতুন করে লড়াই পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘাতের তীব্রতায় ইয়েমেনের কিছু এলাকায় প্রতি চারটি পরিবারের মধ্যে প্রায় তিনটি পরিবার খাদ্যসংকটে পড়েছে। নতুন করে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ায় দেশটির মানবিক পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জায়নবাদকে (Zionism) বর্ণবাদ হিসেবে অভিহিত করে একটি বিতর্কিত প্রস্তাবকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে যুক্তরাজ্যের গ্রিন পার্টি। রোববার (৪ অক্টোবর) দলের সম্মেলনে অনুষ্ঠিত ভোটে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন ১ হাজার ২২ জন সদস্য এবং বিপক্ষে ভোট দেন ৮১৩ জন।

আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে ৭০ মিটার গভীর একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে গিয়েছিল পাঁচ বছরের শিশু জইনুল্লাহ। সরু, অন্ধকার ও পানিতে ভেজা কূপটির নিচে আটকে থাকা শিশুটিকে উদ্ধার করতে গিয়ে একের পর এক চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছিল।

মলদোভায় বিধ্বস্ত হওয়া ‘গেরান’ নামে রাশিয়ার একটি জেটচালিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে পশ্চিমা গোয়েন্দা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ব্যবহৃত দ্রুতগতির এই কামিকাজে ড্রোনের প্রযুক্তিগত রহস্য উদ্ঘাটন করে তা প্রতিরোধের কার্যকর উপায় খুঁজছেন তারা।