ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক নীল মসজিদে নীরব প্রার্থনা ও শ্রদ্ধা জানালেন পোপ লিও চতুর্দশ

নীল মসজিদে পোপ লিওর ঐতিহাসিক সফর

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:২৯:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৬৬ বার পঠিত হয়েছে

তুরস্ক সফরের তৃতীয় দিনে ঐতিহাসিক ইস্তাম্বুলে পা রেখে বিখ্যাত ‘সুলতান আহমেদ মসজিদ’-যা বিশ্বব্যাপী ‘নীল মসজিদ’ নামে পরিচিত-পরিদর্শন করেছেন পোপ লিও চতুর্দশ। আধ্যাত্মিক আবহে ঘেরা এই প্রাচীন স্থাপনাটি ঘুরে দেখে গভীর মনোযোগে সময় কাটান ক্যাথলিক আধ্যাত্মিক নেতা।

মসজিদটি নির্মাণ করেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান আহমেদ প্রথম। ১৬১৭ সালে কনস্টান্টিনোপলের গ্রেট প্যালেসের একটি অংশে প্রতিষ্ঠিত এই স্থাপনাটি এখনো তুরস্কের অন্যতম স্থাপত্য বৈভব হিসেবে স্বীকৃত।

পোপের সফর প্রসঙ্গে ভ্যাটিকানের মিডিয়া দপ্তর জানায়, পোপ লিও চতুর্দশ মসজিদে প্রবেশ করে নীরবে চারপাশ পর্যবেক্ষণ করেন এবং সেখানে উপস্থিত মুসল্লিদের বিশ্বাস ও প্রার্থনার প্রতি গভীর সম্মান প্রদর্শন করেন। তাঁর এই সফরকে ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মসজিদটির আলোকিত অভ্যন্তরজুড়ে রয়েছে ইজনিক শিল্পশৈলীর ২১ হাজারেরও বেশি সিরামিক টাইলস—মূলত নীল ও ফিরোজা রঙের। এই রঙের আধিপত্য থেকেই সময়ের সাথে জনপ্রিয় হয় “ব্লু মস্ক” বা ‘নীল মসজিদ’ নামটি।

শনিবার সকালে পোপের পরিদর্শনে সঙ্গে ছিলেন তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী মেহমেত নুরি এরসয়, ইস্তাম্বুলের প্রাদেশিক মুফতি এমরুল্লাহ টুনসেল, সুলতান আহমেদ মসজিদের ইমাম কুরা হাফিজ ফাতিহ কায়া এবং মুয়াজ্জিন মুসা আসগিন টুনকা। তারা পোপকে মসজিদ ও এর ইতিহাস ঘুরে দেখাতে গাইডের ভূমিকা পালন করেন।

উল্লেখ্য, লিও চতুর্দশ হচ্ছেন তৃতীয় পোপ যিনি এই ঐতিহাসিক মসজিদে প্রবেশ করলেন। তাঁর আগে পোপ ফ্রান্সিস ২০১৪ সালে এবং বেনেডিক্ট ষোড়শ ২০০৬ সালে নীল মসজিদ পরিদর্শন করেন।

জনপ্রিয় টার্গেট

জীবন নিয়ে জটিলভাবে ভাবার দরকার নেই, প্রতি মুহূর্তে বাঁচো, নিজের ভালোটা দেখো

ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক নীল মসজিদে নীরব প্রার্থনা ও শ্রদ্ধা জানালেন পোপ লিও চতুর্দশ

নীল মসজিদে পোপ লিওর ঐতিহাসিক সফর

প্রকাশ: ০৯:২৯:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

তুরস্ক সফরের তৃতীয় দিনে ঐতিহাসিক ইস্তাম্বুলে পা রেখে বিখ্যাত ‘সুলতান আহমেদ মসজিদ’-যা বিশ্বব্যাপী ‘নীল মসজিদ’ নামে পরিচিত-পরিদর্শন করেছেন পোপ লিও চতুর্দশ। আধ্যাত্মিক আবহে ঘেরা এই প্রাচীন স্থাপনাটি ঘুরে দেখে গভীর মনোযোগে সময় কাটান ক্যাথলিক আধ্যাত্মিক নেতা।

মসজিদটি নির্মাণ করেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান আহমেদ প্রথম। ১৬১৭ সালে কনস্টান্টিনোপলের গ্রেট প্যালেসের একটি অংশে প্রতিষ্ঠিত এই স্থাপনাটি এখনো তুরস্কের অন্যতম স্থাপত্য বৈভব হিসেবে স্বীকৃত।

পোপের সফর প্রসঙ্গে ভ্যাটিকানের মিডিয়া দপ্তর জানায়, পোপ লিও চতুর্দশ মসজিদে প্রবেশ করে নীরবে চারপাশ পর্যবেক্ষণ করেন এবং সেখানে উপস্থিত মুসল্লিদের বিশ্বাস ও প্রার্থনার প্রতি গভীর সম্মান প্রদর্শন করেন। তাঁর এই সফরকে ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মসজিদটির আলোকিত অভ্যন্তরজুড়ে রয়েছে ইজনিক শিল্পশৈলীর ২১ হাজারেরও বেশি সিরামিক টাইলস—মূলত নীল ও ফিরোজা রঙের। এই রঙের আধিপত্য থেকেই সময়ের সাথে জনপ্রিয় হয় “ব্লু মস্ক” বা ‘নীল মসজিদ’ নামটি।

শনিবার সকালে পোপের পরিদর্শনে সঙ্গে ছিলেন তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী মেহমেত নুরি এরসয়, ইস্তাম্বুলের প্রাদেশিক মুফতি এমরুল্লাহ টুনসেল, সুলতান আহমেদ মসজিদের ইমাম কুরা হাফিজ ফাতিহ কায়া এবং মুয়াজ্জিন মুসা আসগিন টুনকা। তারা পোপকে মসজিদ ও এর ইতিহাস ঘুরে দেখাতে গাইডের ভূমিকা পালন করেন।

উল্লেখ্য, লিও চতুর্দশ হচ্ছেন তৃতীয় পোপ যিনি এই ঐতিহাসিক মসজিদে প্রবেশ করলেন। তাঁর আগে পোপ ফ্রান্সিস ২০১৪ সালে এবং বেনেডিক্ট ষোড়শ ২০০৬ সালে নীল মসজিদ পরিদর্শন করেন।