দিল্লিতে দূষণ নিয়ন্ত্রণে বাইরে থেকে গাড়ি প্রবেশ নিষেধ, এক দিনেই জরিমানা ৬৮ লাখ রুপি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:৫৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত হয়েছে

রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫ হাজার যানবাহন পরীক্ষা করে দূষণ নিয়ন্ত্রণ সনদ (পিইউসি) সংক্রান্ত নিয়ম ভাঙায় ৫৬৬টি চালান দেওয়া হয়েছে। মোট জরিমানার মধ্যে পিইউসি সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ৫৬ লাখ ৬০ হাজার রুপি, দিল্লির সীমান্তে প্রবেশের বিধিনিষেধ অমান্য করায় ২ লাখ রুপি এবং নির্মাণ ও ভাঙার কাজের কারণে সৃষ্ট দূষণের জন্য পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৯ লাখ ৮০ হাজার রুপি আদায় করা হয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, দিল্লির বাইরে নিবন্ধিত বিএস-৬ মানের আগের মডেলের যানবাহন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবহন বিভাগ ১৪ হাজার ৯৩০টি যানবাহন পরীক্ষা করে। এর মধ্যে ১০ দশমিক ৩১ শতাংশ যানবাহনকে সীমান্ত থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

দিল্লি ট্রাফিক পুলিশের এ অভিযানে ১২৭টি চালান দেওয়া হয় এবং ৬২টি যানবাহন জব্দ করা হয়। ২ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়।

পরিবেশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গন্তব্য দিল্লি নয় এমন ৭ হাজার ২৭৯টি যানবাহনও পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩১৪টিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এসব যানবাহনের ক্ষেত্রে কোনো চালান দেওয়া হয়নি।

সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) চালিত যানবাহন, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবায় নিয়োজিত যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে। এ ধরনের মোট ৭৪০টি যানবাহন যাচাই করে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

অন্যদিকে বৈধ পিইউসি সনদ ছাড়া চলাচলকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযান চালিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ অভিযানে ৫৬৬টি চালান দেওয়া হয়েছে এবং জরিমানা করা হয়েছে ৫৬ লাখ ৬০ হাজার রুপি। এর মধ্যে দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ ৪৯৩টি চালান দিয়ে ৪৯ লাখ ৩০ হাজার রুপি জরিমানা করেছে। পরিবহন বিভাগ দিয়েছে ৭৩টি চালান, যার বিপরীতে জরিমানার পরিমাণ ৭ লাখ ৩০ হাজার রুপি।

নির্মাণ ও ভাঙার কাজের স্থান থেকে ছড়ানো ধুলা নিয়ন্ত্রণেও অভিযান চালানো হয়েছে। এতে পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ হিসেবে আদায় করা হয়েছে ৯ লাখ ৮০ হাজার রুপি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট ৩০০টি নির্মাণস্থল পরিদর্শন করে ৩২টিতে ধুলা নিয়ন্ত্রণের নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব স্থানের মধ্যে ৫০০ বর্গমিটারের বেশি আয়তনের বড় নির্মাণস্থল ছিল ৯১টি। এর মধ্যে ১৬টিতে নিয়ম ভাঙার প্রমাণ মিলেছে।

বড় নির্মাণস্থলগুলোর ক্ষেত্রে দুটি কাজ বন্ধের নির্দেশ এবং চারটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪ লাখ রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ৫০০ বর্গমিটারের কম আয়তনের ২০৯টি ছোট নির্মাণস্থলের মধ্যে ১৭টিতে নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব স্থানের বিরুদ্ধে ১৫টি কাজ বন্ধের নির্দেশ ও ১৫টি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৫ লাখ ৮০ হাজার রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে পরিদর্শন করা ৩০০টি নির্মাণস্থলের বিরুদ্ধে ১৭টি কাজ বন্ধের নির্দেশ ও ১৯টি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এসব স্থানের ওপর মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছে। তবে ছাড় পাওয়া অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে ধুলা নিয়ন্ত্রণের নিয়ম লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা পাওয়া যায়নি।

তিনি লিখেছেন, ‘আজ ১৪ হাজার ৯৩০টি যানবাহন পরীক্ষা করা হয়েছে, পিইউসি সনদ না থাকায় ৫৬৬টি চালান দেওয়া হয়েছে এবং ৩০০টি নির্মাণস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পিইউসি সনদ বৈধ রাখুন, প্রবেশের নিয়ম ও ধুলা নিয়ন্ত্রণের বিধি মেনে চলুন। নির্মল বাতাস নিশ্চিত করতে আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।’

বায়ুদূষণ মোকাবিলায় শীতকালীন কর্মপরিকল্পনার আওতায় ১ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে এসব বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, দিল্লির বাইরে নিবন্ধিত বিএস-৬ মানের আগের মডেলের যানবাহন আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীতে প্রবেশ করতে পারবে না। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু অত্যাবশ্যকীয় জনপরিকাঠামো প্রকল্প ছাড়া ধুলা সৃষ্টি হয়—এমন সব ধরনের ভবন ভাঙা ও খোলা জায়গায় নির্মাণকাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ১০ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত সব ধরনের নির্মাণ ও ভাঙার কাজ পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিল্লির অনুমোদিত পার্কিং এলাকায় গাড়ি রাখার ফি দ্বিগুণ করা হয়েছে।

সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরগুলোতেও ১ নভেম্বর থেকে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত কর্মীদের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশকে সশরীর অফিস করার সুযোগ দিতে বলা হয়েছে। বাকি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে হবে। তবে অত্যাবশ্যকীয় ও জরুরি সেবার ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।

আপনি কোথাও পালাতে পারবেন না—রামলীলা থেকে মোদিকে রাহুলের হুঁশিয়ারি

আপনি কোথাও পালাতে পারবেন না—রামলীলা থেকে মোদিকে রাহুলের হুঁশিয়ারি

দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। রামলীলা থেকে মোদিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাহুল বলেছেন

নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে বিরোধীদের বিক্ষোভ সমাবেশ দিল্লিতে

নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে বিরোধীদের বিক্ষোভ সমাবেশ দিল্লিতে

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী নয়াদিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিরোধী দলগুলো। রোববার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে আয়োজিত এ সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন।

৩৬ ভিলাসহ ৫ কোটির সম্পত্তি, তদন্তের মুখে সরকারি আমলা দম্পতি

৩৬ ভিলাসহ ৫ কোটির সম্পত্তি, তদন্তের মুখে সরকারি আমলা দম্পতি

একটি রিসোর্টে ২০টি ভিলা। অন্যটিতে আরও ১৬টি। সব মিলিয়ে ৩৬টি ভিলা নিজের ও পরিবারের নামে কেনার অভিযোগ উঠেছে এক সরকারি আমলা দম্পতির। ভিলাগুলোর প্রতিটির দাম প্রায় ১৫ লাখ থেকে ১৬ লাখ ৫০ হাজার রুপি। সব সম্পত্তির ঘোষিত ক্রয়মূল্য যোগ করলে দাঁড়ায় প্রায় ৫ কোটি ৫২ লাখ রুপি।

জনপ্রিয় টার্গেট

আশুলিয়ায় কাভার্ড ভ্যানে আগুন, পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

দিল্লিতে দূষণ নিয়ন্ত্রণে বাইরে থেকে গাড়ি প্রবেশ নিষেধ, এক দিনেই জরিমানা ৬৮ লাখ রুপি

প্রকাশ: ১১:৫৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫ হাজার যানবাহন পরীক্ষা করে দূষণ নিয়ন্ত্রণ সনদ (পিইউসি) সংক্রান্ত নিয়ম ভাঙায় ৫৬৬টি চালান দেওয়া হয়েছে। মোট জরিমানার মধ্যে পিইউসি সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ৫৬ লাখ ৬০ হাজার রুপি, দিল্লির সীমান্তে প্রবেশের বিধিনিষেধ অমান্য করায় ২ লাখ রুপি এবং নির্মাণ ও ভাঙার কাজের কারণে সৃষ্ট দূষণের জন্য পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৯ লাখ ৮০ হাজার রুপি আদায় করা হয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, দিল্লির বাইরে নিবন্ধিত বিএস-৬ মানের আগের মডেলের যানবাহন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবহন বিভাগ ১৪ হাজার ৯৩০টি যানবাহন পরীক্ষা করে। এর মধ্যে ১০ দশমিক ৩১ শতাংশ যানবাহনকে সীমান্ত থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

দিল্লি ট্রাফিক পুলিশের এ অভিযানে ১২৭টি চালান দেওয়া হয় এবং ৬২টি যানবাহন জব্দ করা হয়। ২ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়।

পরিবেশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গন্তব্য দিল্লি নয় এমন ৭ হাজার ২৭৯টি যানবাহনও পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩১৪টিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এসব যানবাহনের ক্ষেত্রে কোনো চালান দেওয়া হয়নি।

সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) চালিত যানবাহন, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবায় নিয়োজিত যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে। এ ধরনের মোট ৭৪০টি যানবাহন যাচাই করে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

অন্যদিকে বৈধ পিইউসি সনদ ছাড়া চলাচলকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযান চালিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ অভিযানে ৫৬৬টি চালান দেওয়া হয়েছে এবং জরিমানা করা হয়েছে ৫৬ লাখ ৬০ হাজার রুপি। এর মধ্যে দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ ৪৯৩টি চালান দিয়ে ৪৯ লাখ ৩০ হাজার রুপি জরিমানা করেছে। পরিবহন বিভাগ দিয়েছে ৭৩টি চালান, যার বিপরীতে জরিমানার পরিমাণ ৭ লাখ ৩০ হাজার রুপি।

নির্মাণ ও ভাঙার কাজের স্থান থেকে ছড়ানো ধুলা নিয়ন্ত্রণেও অভিযান চালানো হয়েছে। এতে পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ হিসেবে আদায় করা হয়েছে ৯ লাখ ৮০ হাজার রুপি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট ৩০০টি নির্মাণস্থল পরিদর্শন করে ৩২টিতে ধুলা নিয়ন্ত্রণের নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব স্থানের মধ্যে ৫০০ বর্গমিটারের বেশি আয়তনের বড় নির্মাণস্থল ছিল ৯১টি। এর মধ্যে ১৬টিতে নিয়ম ভাঙার প্রমাণ মিলেছে।

বড় নির্মাণস্থলগুলোর ক্ষেত্রে দুটি কাজ বন্ধের নির্দেশ এবং চারটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪ লাখ রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ৫০০ বর্গমিটারের কম আয়তনের ২০৯টি ছোট নির্মাণস্থলের মধ্যে ১৭টিতে নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব স্থানের বিরুদ্ধে ১৫টি কাজ বন্ধের নির্দেশ ও ১৫টি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৫ লাখ ৮০ হাজার রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে পরিদর্শন করা ৩০০টি নির্মাণস্থলের বিরুদ্ধে ১৭টি কাজ বন্ধের নির্দেশ ও ১৯টি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এসব স্থানের ওপর মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছে। তবে ছাড় পাওয়া অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে ধুলা নিয়ন্ত্রণের নিয়ম লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা পাওয়া যায়নি।

তিনি লিখেছেন, ‘আজ ১৪ হাজার ৯৩০টি যানবাহন পরীক্ষা করা হয়েছে, পিইউসি সনদ না থাকায় ৫৬৬টি চালান দেওয়া হয়েছে এবং ৩০০টি নির্মাণস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পিইউসি সনদ বৈধ রাখুন, প্রবেশের নিয়ম ও ধুলা নিয়ন্ত্রণের বিধি মেনে চলুন। নির্মল বাতাস নিশ্চিত করতে আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।’

বায়ুদূষণ মোকাবিলায় শীতকালীন কর্মপরিকল্পনার আওতায় ১ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে এসব বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, দিল্লির বাইরে নিবন্ধিত বিএস-৬ মানের আগের মডেলের যানবাহন আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীতে প্রবেশ করতে পারবে না। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু অত্যাবশ্যকীয় জনপরিকাঠামো প্রকল্প ছাড়া ধুলা সৃষ্টি হয়—এমন সব ধরনের ভবন ভাঙা ও খোলা জায়গায় নির্মাণকাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ১০ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত সব ধরনের নির্মাণ ও ভাঙার কাজ পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিল্লির অনুমোদিত পার্কিং এলাকায় গাড়ি রাখার ফি দ্বিগুণ করা হয়েছে।

সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরগুলোতেও ১ নভেম্বর থেকে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত কর্মীদের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশকে সশরীর অফিস করার সুযোগ দিতে বলা হয়েছে। বাকি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে হবে। তবে অত্যাবশ্যকীয় ও জরুরি সেবার ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।

আপনি কোথাও পালাতে পারবেন না—রামলীলা থেকে মোদিকে রাহুলের হুঁশিয়ারি

আপনি কোথাও পালাতে পারবেন না—রামলীলা থেকে মোদিকে রাহুলের হুঁশিয়ারি

দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। রামলীলা থেকে মোদিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাহুল বলেছেন

নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে বিরোধীদের বিক্ষোভ সমাবেশ দিল্লিতে

নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে বিরোধীদের বিক্ষোভ সমাবেশ দিল্লিতে

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী নয়াদিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিরোধী দলগুলো। রোববার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে আয়োজিত এ সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন।

৩৬ ভিলাসহ ৫ কোটির সম্পত্তি, তদন্তের মুখে সরকারি আমলা দম্পতি

৩৬ ভিলাসহ ৫ কোটির সম্পত্তি, তদন্তের মুখে সরকারি আমলা দম্পতি

একটি রিসোর্টে ২০টি ভিলা। অন্যটিতে আরও ১৬টি। সব মিলিয়ে ৩৬টি ভিলা নিজের ও পরিবারের নামে কেনার অভিযোগ উঠেছে এক সরকারি আমলা দম্পতির। ভিলাগুলোর প্রতিটির দাম প্রায় ১৫ লাখ থেকে ১৬ লাখ ৫০ হাজার রুপি। সব সম্পত্তির ঘোষিত ক্রয়মূল্য যোগ করলে দাঁড়ায় প্রায় ৫ কোটি ৫২ লাখ রুপি।