হিটলার কি তাঁর ভাগনিকে হত্যা করেছিলেন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানায়, ২৩ বছর বয়সী রাউবালকে ১৯৩১ সালের সেপ্টেম্বরে হিটলারের মিউনিখের অ্যাপার্টমেন্টে বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পাশে ছিল হিটলারের মালিকানাধীন একটি পিস্তল। সরকারি তদন্তে তাঁর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এত দিন ধরে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, রাউবালের মরদেহ ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে আবিষ্কৃত হয়েছিল। হিটলারের ব্যক্তিগত কর্মচারী জর্জ ভিন্টার তাঁর কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মরদেহ দেখতে পান বলে মিউনিখ পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী হিটলার এর আগের দিন বিকেলেই মিউনিখ ছেড়ে নুরেমবার্গের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। ফলে প্রচলিত সময় অনুযায়ী তাঁর ঘটনাস্থলে থাকার সুযোগ ছিল না।

কিন্তু জার্মান ইতিহাসবিদ হ্যারল্ড স্যান্ডনার মিউনিখের সরকারি মৃত্যু নিবন্ধনে এমন একটি তথ্য খুঁজে পেয়েছেন, যেখানে রাউবালের মরদেহ আবিষ্কারের সময় ১৯৩১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ১৫ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে। একই তারিখ উল্লেখ রয়েছে আর্কাইভে পাওয়া দুটি মৃত্যুসংবাদেও।

নথিগুলো সত্য হলে রাউবালের মৃত্যু প্রচলিত সময়ের প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ঘটেছিল। সে ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় হিটলার মিউনিখেই ছিলেন, কারণ সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী তিনি ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলের আগে শহর ছাড়েননি।

স্যান্ডনারের মতে, নথিগুলোর অসংগতি নাৎসিপন্থী পুলিশ কর্মকর্তাদের কোনো তথ্য গোপনের প্রচেষ্টার ইঙ্গিত হতে পারে। তাঁর গবেষণা নিয়ে জার্মান সাময়িকী ‘দের স্পিগেল’ প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

তবে নাৎসি জার্মানি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও ইউনিভার্সিটি অব অ্যাবারডিনের ইতিহাসবিদ থমাস ওয়েবার সতর্কতার সঙ্গে বলেছেন—নতুন নথিগুলো প্রচলিত সময়রেখাকে গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করলেও এগুলো থেকে সরাসরি বলা যায় না যে হিটলার রাউবালকে হত্যা করেছিলেন। তাঁর মতে, রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি এড়াতেও নাৎসিরা ঘটনাটি আড়াল করতে চাইতে পারে।

রাউবাল ছিলেন হিটলারের সৎবোন অ্যাঞ্জেলা হামিটশের কন্যা। ১৯২৯ সালে তিনি হিটলারের মিউনিখের অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে শুরু করেন। তাঁদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও নিয়ন্ত্রণমূলক ছিল বলে বহু ইতিহাসবিদ মনে করেন। সম্পর্কটি যৌন ছিল—এমন দাবিও রয়েছে, যদিও তা বিতর্কিত।

মৃত্যুর কিছুদিন আগে রাউবাল সংগীত নিয়ে পড়াশোনার জন্য মিউনিখ ছেড়ে ভিয়েনায় যেতে চেয়েছিলেন। এ নিয়ে হিটলারের সঙ্গে তাঁর বিরোধ হয়েছিল বলে জানা যায়।

নতুন নথি রহস্যের সমাধান করেনি। তবে প্রায় এক শতাব্দী পর তারা আবারও প্রশ্ন তুলেছে—হিটলারের মিউনিখের বাড়িতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। তবে তাঁর ভাষণের বিষয়বস্তুর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল আরেকটি বিষয়—মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাঁর চোখে থাকা কালো সানগ্লাস…

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ কয়েক ডজন দেশের প্রতিনিধিদল প্রতিবাদস্বরূপ ওয়াকআউট করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে নেতানিয়াহু বক্তব্য শুরু করার পরপরই বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও নেতারা সভাকক্ষ ত্যাগ করে

একে একে তিন সন্তানের মৃত্যু। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, খাদ্যে বিষক্রিয়া বা ফুড পয়জনিং। কিন্তু পরে জানা যায়, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নাটকীয় ঘটনাটি ভারতের পাঞ্জাবের। নিজের তিন শিশুসন্তানকে কীটনাশক মেশানো মিষ্টি খাইয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে…

জনপ্রিয় টার্গেট

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হিটলার কি তাঁর ভাগনিকে হত্যা করেছিলেন

প্রকাশ: ১২:০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানায়, ২৩ বছর বয়সী রাউবালকে ১৯৩১ সালের সেপ্টেম্বরে হিটলারের মিউনিখের অ্যাপার্টমেন্টে বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পাশে ছিল হিটলারের মালিকানাধীন একটি পিস্তল। সরকারি তদন্তে তাঁর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এত দিন ধরে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, রাউবালের মরদেহ ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে আবিষ্কৃত হয়েছিল। হিটলারের ব্যক্তিগত কর্মচারী জর্জ ভিন্টার তাঁর কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মরদেহ দেখতে পান বলে মিউনিখ পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী হিটলার এর আগের দিন বিকেলেই মিউনিখ ছেড়ে নুরেমবার্গের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। ফলে প্রচলিত সময় অনুযায়ী তাঁর ঘটনাস্থলে থাকার সুযোগ ছিল না।

কিন্তু জার্মান ইতিহাসবিদ হ্যারল্ড স্যান্ডনার মিউনিখের সরকারি মৃত্যু নিবন্ধনে এমন একটি তথ্য খুঁজে পেয়েছেন, যেখানে রাউবালের মরদেহ আবিষ্কারের সময় ১৯৩১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ১৫ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে। একই তারিখ উল্লেখ রয়েছে আর্কাইভে পাওয়া দুটি মৃত্যুসংবাদেও।

নথিগুলো সত্য হলে রাউবালের মৃত্যু প্রচলিত সময়ের প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ঘটেছিল। সে ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় হিটলার মিউনিখেই ছিলেন, কারণ সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী তিনি ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলের আগে শহর ছাড়েননি।

স্যান্ডনারের মতে, নথিগুলোর অসংগতি নাৎসিপন্থী পুলিশ কর্মকর্তাদের কোনো তথ্য গোপনের প্রচেষ্টার ইঙ্গিত হতে পারে। তাঁর গবেষণা নিয়ে জার্মান সাময়িকী ‘দের স্পিগেল’ প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

তবে নাৎসি জার্মানি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও ইউনিভার্সিটি অব অ্যাবারডিনের ইতিহাসবিদ থমাস ওয়েবার সতর্কতার সঙ্গে বলেছেন—নতুন নথিগুলো প্রচলিত সময়রেখাকে গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করলেও এগুলো থেকে সরাসরি বলা যায় না যে হিটলার রাউবালকে হত্যা করেছিলেন। তাঁর মতে, রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি এড়াতেও নাৎসিরা ঘটনাটি আড়াল করতে চাইতে পারে।

রাউবাল ছিলেন হিটলারের সৎবোন অ্যাঞ্জেলা হামিটশের কন্যা। ১৯২৯ সালে তিনি হিটলারের মিউনিখের অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে শুরু করেন। তাঁদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও নিয়ন্ত্রণমূলক ছিল বলে বহু ইতিহাসবিদ মনে করেন। সম্পর্কটি যৌন ছিল—এমন দাবিও রয়েছে, যদিও তা বিতর্কিত।

মৃত্যুর কিছুদিন আগে রাউবাল সংগীত নিয়ে পড়াশোনার জন্য মিউনিখ ছেড়ে ভিয়েনায় যেতে চেয়েছিলেন। এ নিয়ে হিটলারের সঙ্গে তাঁর বিরোধ হয়েছিল বলে জানা যায়।

নতুন নথি রহস্যের সমাধান করেনি। তবে প্রায় এক শতাব্দী পর তারা আবারও প্রশ্ন তুলেছে—হিটলারের মিউনিখের বাড়িতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। তবে তাঁর ভাষণের বিষয়বস্তুর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল আরেকটি বিষয়—মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাঁর চোখে থাকা কালো সানগ্লাস…

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ কয়েক ডজন দেশের প্রতিনিধিদল প্রতিবাদস্বরূপ ওয়াকআউট করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে নেতানিয়াহু বক্তব্য শুরু করার পরপরই বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও নেতারা সভাকক্ষ ত্যাগ করে

একে একে তিন সন্তানের মৃত্যু। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, খাদ্যে বিষক্রিয়া বা ফুড পয়জনিং। কিন্তু পরে জানা যায়, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নাটকীয় ঘটনাটি ভারতের পাঞ্জাবের। নিজের তিন শিশুসন্তানকে কীটনাশক মেশানো মিষ্টি খাইয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে…