৭৪৭-৮ উড়োজাহাজটির দৈর্ঘ্য ৭৬ দশমিক ৪ মিটার। এর সর্বোচ্চ উড্ডয়ন ওজন (এমটিওডব্লিউ) প্রায় ৪ লাখ ৪২ হাজার কেজি।
উড়োজাহাজটিতে জেনারেল ইলেকট্রিকের তৈরি চারটি GEnx-2B67 টার্বোফ্যান ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। উড়োজাহাজটির সর্বোচ্চ গতি ম্যাক ০.৮৫৫, যা ঘণ্টায় প্রায় ৯৮২ কিলোমিটারের সমান।
জ্বালানি পুনরায় নেওয়ার প্রয়োজন ছাড়াই উড়োজাহাজটি প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কিলোমিটার বা প্রায় ৮ হাজার নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত উড়তে পারে।
ইএমপি প্রতিরোধী ব্যবস্থা বলতে এমন একধরনের উপকরণ, প্রতিবন্ধকতা ও ফিল্টারের সমন্বয়কে বোঝায়, যা শক্তিশালী ইলেকট্রোম্যাগনেটিক শক্তির আকস্মিক বিস্ফোরণ ঠেকাতে, শোষণ করতে বা অন্যদিকে সরিয়ে দিতে তৈরি করা হয়। এ ধরনের শক্তির বিস্ফোরণে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
শুধু চীনের প্রেসিডেন্ট ও স্টেট কাউন্সিলের প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সফরের জন্য এই প্রেসিডেন্টের উড়োজাহাজ ব্যবহারের অনুমতি পান। অন্য রাষ্ট্রীয় নেতারা তাঁদের সফরের জন্য ভাড়ায় নেওয়া উড়োজাহাজ ব্যবহার করেন।
চায়না ডেইলির এক প্রতিবেদনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রটোকল বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক লু পেইশিনকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল, ‘চীনের নেতাদের জন্য কোনো “বিশেষ উড়োজাহাজ” নেই। উড়োজাহাজগুলো এয়ার চায়না সরবরাহ করে।’
লুর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের যেকোনো সফরের আগে উড়োজাহাজের ভেতরের অংশ সাময়িকভাবে পরিবর্তন করে সেখানে সোফা ও বিছানা বসানো হতো। এ ছাড়া নিরাপত্তা পরীক্ষা চালাতে এক মাস সময় ব্যয় করা হতো এবং উড়োজাহাজের কর্মীদেরও সতর্কতার সঙ্গে বাছাই করা হতো।
চীন মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এর আদলে তৈরি প্রেসিডেন্টের জন্য একটি উড়োজাহাজ চালু করতে যাচ্ছিল। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সান আন্তোনিও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজবন্দরে একটি বিশেষ উড়োজাহাজে পরিবর্তন আনা হয়। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট চিয়াং জেমিনের ব্যবহারের জন্য সেটি প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে বেইজিংয়ে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, উড়োজাহাজটির ভেতরে লুকিয়ে ২৭টি আড়িপাতার যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
চীন সে সময় এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। তবে কয়েক মাস পর এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘চীনের ওপর আড়ি পাতা একেবারে অপ্রয়োজনীয়।’
সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার প্রয়াত নেতা ওসামা বিন লাদেন যে দেশগুলোতে একসময় হামলা চালানোর কথা বিবেচনা করেছিলেন, সেই তালিকায় ভারতও ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) প্রকাশিত নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যে গতকাল শনিবারের বৈঠকের পর ভারত ও চীন যে পৃথক বিবৃতি দিয়েছে, তাতে দুই দেশের সম্পর্কের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যার সম্পর্ক কীভাবে দেখা হচ্ছে, সে বিষয়ে পার্থক্য স্পষ্ট হয়েছে।
দৈনিক টার্গেট 


























