ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ‘গার্ডিয়ান’ জানিয়েছে, যে বাড়িতে বিয়ের আয়োজন চলছিল সেটির মালিক স্থানীয় জেলে আলি মাল্লাহি। সেখানে তাঁর মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছিল। হামলার পর ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে মাল্লাহি বলেন, হামলায় তিনি গভীরভাবে শোকাহত। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি না হওয়ায় সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিয়ের অনুষ্ঠান মাত্র শুরু হয়েছিল। বর-কনের অপেক্ষায় ছিলেন স্বজন ও বন্ধুরা। অনেক অতিথি তখনো আসেননি। হামলার পর পুরো এলাকায় নেমে আসে আতঙ্ক ও শোক।
স্থানীয় নাপিত আহমাদ জানান, বিস্ফোরণে শুধু বিয়ের বাড়িই নয়, আশপাশের অনেক ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের সময় ধারালো ধাতব টুকরার আঘাতে প্রতিবেশীরাও আহত হন। তিনি বলেন, ‘আমরা কাঁধে কফিন বহন করছি না, আমরা দক্ষিণে আমাদের জন্য অপেক্ষা করা অন্ধকার ভবিষ্যৎ বহন করছি।’
হামলা নিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কখনো বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় না। তবে ‘কখনো কখনো এমন ঘটনা ঘটে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে ইরানের হতাহতের তথ্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন ভ্যান্স।
হামলায় নিহতদের মধ্যে চার বছরের আমির মোহাম্মদ কারিমি, ১৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ মাল্লাহি এবং ২২ বছর বয়সী আসিয়েহ মোলাইনেজাদ রয়েছেন। গুরুতর আহত অন্তত ছয়জন মিনাবের একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।
বালুচ মানবাধিকারকর্মী ফারজিন কাদখোদায়ি বলেন, বিয়ের মতো আনন্দঘন আয়োজনে বালুচ বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তাদের পরিবার এখন ‘কল্পনাতীত শোকের’ মধ্যে রয়েছে।
স্থানীয় জেলে চকর বালুচ জানান, মাকরান উপকূলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। অথচ তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা সংঘাতের পথেই বারবার সাধারণ মানুষকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ভুক্তভোগী তো আমরাই।’
আফগানিস্তানে সব ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই দিয়েছে তালেবান সরকার। গত বুধবার দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ নিষিদ্ধের এই বিধান ইসলামি আইনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
কেনিয়ার স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রত্যাশিত অবদান রাখতে না পারা এবং দশকের পর দশক ধরে চুক্তির সুফল ভোগ করেও অবকাঠামো না গড়ার অভিযোগে ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠী টাটা কেমিক্যালসকে সমস্ত কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো।
নেপাল-তিব্বতে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮০ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজের সংখ্যা ছাড়িয়েছে পাঁচ হাজারেরও বেশি। এ দিকে নয় দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও স্বজনদের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁদের জন্য প্রতীকী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু করেছেন।
দৈনিক টার্গেট 

























