কেমন ছিল নেপালে বন্যার পানি আছড়ে পড়ার আগের মুহূর্তগুলো

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:৩২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

গত ২৬ আগস্ট নেপাল ও চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় আঘাত হানা এই আকস্মিক বন্যায় গিরং ও নেপালের রাসুয়া জেলার রাসুওয়াগাধি এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। নেপাল ও চীনকে যুক্ত করা ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজটি ভেসে গেছে। ধ্বংস হয়েছে নেপালের অভিবাসন ও শুল্ক কার্যালয়ও। সীমান্তের কাছে থাকা ছোট বাণিজ্যিক জনপদ তিমুরে দোকান, হোটেল, বাড়িঘর ও অন্যান্য স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে কাঠমান্ডুভিত্তিক জলবিদ্যাবিদ অজয় দীক্ষিত বলেন, কাঠমান্ডু ও তিব্বতের মধ্যে এটি একটি ঐতিহাসিক যাতায়াতপথ। তবে গভীর গিরিখাত, খাড়া পাহাড় এবং দ্রুতগতির নদীর কারণে এলাকাটি ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এসব নদী বিপুল পরিমাণ পলি ও বড় বড় পাথর বহন করে নিয়ে আসে।

দুর্যোগের সময় সীমান্ত এলাকাটিতে কত মানুষ ছিলেন, তার সঠিক হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নেপালে অন্তত ২৭৫ ভারতীয় নাগরিক এখনো নিখোঁজ। এর মধ্যে সীমান্ত এলাকায় থাকা বহু তীর্থযাত্রীও রয়েছেন।

সেদিন সীমান্তের নেপাল অংশে পরিস্থিতি ছিল অস্বাভাবিক ব্যস্ত। অভিবাসন কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী টিকা রাম পোখরেল জানান, সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে সহকর্মীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় তিনি জানতে পারেন, তিব্বতে যাওয়ার জন্য প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষ অপেক্ষা করছিলেন। চীন থেকে নেপালে আসা লোকজনও ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

তবে অভিবাসনের ইলেকট্রনিক রেকর্ড পুরো পরিস্থিতি তুলে ধরে না। গাট্টে খোলা বাজারে অভিবাসন কার্যালয় থেকে ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজের দূরত্ব ছিল প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার। মাঝের এলাকায় ছিল ৫০ থেকে ৬০টি বাড়ি, হোটেল, দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও চারটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কার্যালয়। কাঠমান্ডু থেকে আসা বাসগুলোর যাত্রীরা এবং সীমান্ত পারাপারের অপেক্ষায় থাকা চালক, সহকারী, পর্যটন গাইড ও পণ্যবাহী গাড়ির কর্মীরাও সেখানে অবস্থান করতেন।

পোখরেলের মতে, ওই এলাকায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। তিনি অনুমান করেছেন, সেখানে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ মানুষ বন্যার কবলে পড়তে পারেন। তবে এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। তিনি জানান, তাঁর ৪০ থেকে ৫০ জন ঘনিষ্ঠ বন্ধু এখনো নিখোঁজ।

নেপালের জলবিদ্যা ও পানি সম্পদ গবেষণা কেন্দ্রের তৈরি সময়রেখা অনুযায়ী, সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে সীমান্তের ওপরের পাহাড়ে ভূকম্পনযন্ত্রে ভূমির গতিবিধি ধরা পড়ে। গবেষকদের ধারণা, পাহাড়ের একটি হিমবাহের অংশ ধসে পড়ার পরই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উৎসস্থল থেকে কাদামাটির স্রোত সীমান্তে পৌঁছাতে প্রায় সাত মিনিট সময় নিয়েছিল।

সীমান্তে থাকা ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের অনেকের সকালটিও শুরু হয়েছিল স্বাভাবিকভাবেই। কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছিলেন, কেউ পাহাড়ের দৃশ্য ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বানাচ্ছিলেন। ভারতীয় নাগরিক সুব্রত ভট্টাচার্যের স্ত্রী শুভশ্রী চক্রবর্তী ছিলেন ৬০ জনের বেশি মানুষের একটি দলে। সকাল ৭টা ৫৭ মিনিটে তিনি পাসপোর্টে নেপালের বহির্গমন সিলের ছবি পাঠান। ছয় মিনিট পর জানান, তারা চীনে প্রবেশের অপেক্ষায় আছেন। এরপর আর কোনো বার্তা আসেনি।

মাউন্ট কৈলাস থেকে ফেরার পথে ঈশা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৭৭ জন তীর্থযাত্রী ও তিনজন কর্মীও বন্যার পর নিখোঁজ ছিলেন।

২৮ আগস্ট গিরংয়ে পৌঁছানো ২১ সদস্যের চীনা উদ্ধারকারী দলের এক সদস্য বলেন, যতদূর চোখ যায়, শুধু ধ্বংসস্তূপ দেখা যাচ্ছিল।

এই বিপর্যয় শুধু মানবিক সংকটই তৈরি করেনি, নেপালের বাণিজ্যেও বড় আঘাত করেছে। রাসুওয়াগাধি চীনের সঙ্গে নেপালের দুটি প্রধান বাণিজ্যপথের একটি। প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি ট্রাক এই পথ দিয়ে ইলেকট্রনিক পণ্য, যন্ত্রপাতি, গাড়ি, ফলমূল ও পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য কাঠমান্ডুর দিকে নিয়ে যেত। চীন থেকে নেপালের আমদানি করা বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রায় ৮০ শতাংশও এই পথ দিয়ে আসত বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

২০২৫ সালের জুলাইয়ের বন্যায়ও রাসুওয়াগাধি প্রায় ছয় মাস বন্ধ ছিল। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি অস্থায়ী সেতু নির্মাণের পর এটি আবার চালু হয়। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই ভয়াবহ এই বন্যা আবারও গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তপথটি বিচ্ছিন্ন করে দিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বারবার বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি নেপালের জন্য বড় সতর্কবার্তা। দেশটির উচিত চীনের সঙ্গে বিকল্প বাণিজ্যপথ তৈরি করা এবং একই নদী ব্যবস্থার ওপর অবকাঠামো ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অতিরিক্ত নির্ভরতা পুনর্বিবেচনা করা।

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হয়েছে। এর মাত্র কয়েক দিন পরই নয়াদিল্লিতে আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন দুই নেতা। এর মধ্যেই রাশিয়া ভারতের সামনে নতুন করে বড় ধরনের প্রতিরক্ষা প্রস্তাব তুলে ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে দুই দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নেপালে ৯৮৭ জন এবং চীনের তিব্বত অঞ্চলে ১৬ জন মারা গেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন–এর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

রাশিয়ার বিমান হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় আজ মঙ্গলবার ৯ জন নিহত এবং প্রায় ডজন খানেকের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। কিয়েভে রুশ হামলার এটি টানা ষষ্ঠ দিন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

আখাউড়া রেলওয়ে কলোনিতে অভিযান, ৩২ বিদ্যুৎ ও ৪০ পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন

কেমন ছিল নেপালে বন্যার পানি আছড়ে পড়ার আগের মুহূর্তগুলো

প্রকাশ: ০৫:৩২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত ২৬ আগস্ট নেপাল ও চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় আঘাত হানা এই আকস্মিক বন্যায় গিরং ও নেপালের রাসুয়া জেলার রাসুওয়াগাধি এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। নেপাল ও চীনকে যুক্ত করা ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজটি ভেসে গেছে। ধ্বংস হয়েছে নেপালের অভিবাসন ও শুল্ক কার্যালয়ও। সীমান্তের কাছে থাকা ছোট বাণিজ্যিক জনপদ তিমুরে দোকান, হোটেল, বাড়িঘর ও অন্যান্য স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে কাঠমান্ডুভিত্তিক জলবিদ্যাবিদ অজয় দীক্ষিত বলেন, কাঠমান্ডু ও তিব্বতের মধ্যে এটি একটি ঐতিহাসিক যাতায়াতপথ। তবে গভীর গিরিখাত, খাড়া পাহাড় এবং দ্রুতগতির নদীর কারণে এলাকাটি ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এসব নদী বিপুল পরিমাণ পলি ও বড় বড় পাথর বহন করে নিয়ে আসে।

দুর্যোগের সময় সীমান্ত এলাকাটিতে কত মানুষ ছিলেন, তার সঠিক হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নেপালে অন্তত ২৭৫ ভারতীয় নাগরিক এখনো নিখোঁজ। এর মধ্যে সীমান্ত এলাকায় থাকা বহু তীর্থযাত্রীও রয়েছেন।

সেদিন সীমান্তের নেপাল অংশে পরিস্থিতি ছিল অস্বাভাবিক ব্যস্ত। অভিবাসন কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী টিকা রাম পোখরেল জানান, সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে সহকর্মীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় তিনি জানতে পারেন, তিব্বতে যাওয়ার জন্য প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষ অপেক্ষা করছিলেন। চীন থেকে নেপালে আসা লোকজনও ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

তবে অভিবাসনের ইলেকট্রনিক রেকর্ড পুরো পরিস্থিতি তুলে ধরে না। গাট্টে খোলা বাজারে অভিবাসন কার্যালয় থেকে ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজের দূরত্ব ছিল প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার। মাঝের এলাকায় ছিল ৫০ থেকে ৬০টি বাড়ি, হোটেল, দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও চারটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কার্যালয়। কাঠমান্ডু থেকে আসা বাসগুলোর যাত্রীরা এবং সীমান্ত পারাপারের অপেক্ষায় থাকা চালক, সহকারী, পর্যটন গাইড ও পণ্যবাহী গাড়ির কর্মীরাও সেখানে অবস্থান করতেন।

পোখরেলের মতে, ওই এলাকায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। তিনি অনুমান করেছেন, সেখানে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ মানুষ বন্যার কবলে পড়তে পারেন। তবে এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। তিনি জানান, তাঁর ৪০ থেকে ৫০ জন ঘনিষ্ঠ বন্ধু এখনো নিখোঁজ।

নেপালের জলবিদ্যা ও পানি সম্পদ গবেষণা কেন্দ্রের তৈরি সময়রেখা অনুযায়ী, সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে সীমান্তের ওপরের পাহাড়ে ভূকম্পনযন্ত্রে ভূমির গতিবিধি ধরা পড়ে। গবেষকদের ধারণা, পাহাড়ের একটি হিমবাহের অংশ ধসে পড়ার পরই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উৎসস্থল থেকে কাদামাটির স্রোত সীমান্তে পৌঁছাতে প্রায় সাত মিনিট সময় নিয়েছিল।

সীমান্তে থাকা ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের অনেকের সকালটিও শুরু হয়েছিল স্বাভাবিকভাবেই। কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছিলেন, কেউ পাহাড়ের দৃশ্য ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বানাচ্ছিলেন। ভারতীয় নাগরিক সুব্রত ভট্টাচার্যের স্ত্রী শুভশ্রী চক্রবর্তী ছিলেন ৬০ জনের বেশি মানুষের একটি দলে। সকাল ৭টা ৫৭ মিনিটে তিনি পাসপোর্টে নেপালের বহির্গমন সিলের ছবি পাঠান। ছয় মিনিট পর জানান, তারা চীনে প্রবেশের অপেক্ষায় আছেন। এরপর আর কোনো বার্তা আসেনি।

মাউন্ট কৈলাস থেকে ফেরার পথে ঈশা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৭৭ জন তীর্থযাত্রী ও তিনজন কর্মীও বন্যার পর নিখোঁজ ছিলেন।

২৮ আগস্ট গিরংয়ে পৌঁছানো ২১ সদস্যের চীনা উদ্ধারকারী দলের এক সদস্য বলেন, যতদূর চোখ যায়, শুধু ধ্বংসস্তূপ দেখা যাচ্ছিল।

এই বিপর্যয় শুধু মানবিক সংকটই তৈরি করেনি, নেপালের বাণিজ্যেও বড় আঘাত করেছে। রাসুওয়াগাধি চীনের সঙ্গে নেপালের দুটি প্রধান বাণিজ্যপথের একটি। প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি ট্রাক এই পথ দিয়ে ইলেকট্রনিক পণ্য, যন্ত্রপাতি, গাড়ি, ফলমূল ও পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য কাঠমান্ডুর দিকে নিয়ে যেত। চীন থেকে নেপালের আমদানি করা বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রায় ৮০ শতাংশও এই পথ দিয়ে আসত বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

২০২৫ সালের জুলাইয়ের বন্যায়ও রাসুওয়াগাধি প্রায় ছয় মাস বন্ধ ছিল। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি অস্থায়ী সেতু নির্মাণের পর এটি আবার চালু হয়। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই ভয়াবহ এই বন্যা আবারও গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তপথটি বিচ্ছিন্ন করে দিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বারবার বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি নেপালের জন্য বড় সতর্কবার্তা। দেশটির উচিত চীনের সঙ্গে বিকল্প বাণিজ্যপথ তৈরি করা এবং একই নদী ব্যবস্থার ওপর অবকাঠামো ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অতিরিক্ত নির্ভরতা পুনর্বিবেচনা করা।

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হয়েছে। এর মাত্র কয়েক দিন পরই নয়াদিল্লিতে আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন দুই নেতা। এর মধ্যেই রাশিয়া ভারতের সামনে নতুন করে বড় ধরনের প্রতিরক্ষা প্রস্তাব তুলে ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে দুই দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নেপালে ৯৮৭ জন এবং চীনের তিব্বত অঞ্চলে ১৬ জন মারা গেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন–এর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

রাশিয়ার বিমান হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় আজ মঙ্গলবার ৯ জন নিহত এবং প্রায় ডজন খানেকের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। কিয়েভে রুশ হামলার এটি টানা ষষ্ঠ দিন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।