মহাকাশে এর সফলতার ইতিহাস নতুন নয়। ১৯৬৬ সালে জেমিনি ১২-এর রাডার নষ্ট হলে নভোচারী বাজ অলড্রিন সেক্সট্যান্ট ব্যবহার করে পথ খুঁজে নেন। এরপর ১৯৭০ সালে বড় ধরনের দুর্ঘটনার পর জিম লাভেল খালি চোখে এই যন্ত্রের সাহায্যে পৃথিবীকে পর্যবেক্ষণ করে অ্যাপোলো ১৩ মহাকাশযানকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনেন। ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ম্যানুয়াল সেক্সট্যান্ট পরীক্ষা করে দেখা গেছে, জিরো গ্র্যাভিটিতেও এটি অত্যন্ত নিখুঁত হিসাব দেয়। ওরিয়ন স্পেসক্রাফটে আধুনিক ক্যামেরাভিত্তিক অপটিক্যাল নেভিগেশন ব্যাকআপ হিসেবে থাকে।
তবে এটি ব্যর্থ হলে নভোচারীরা হাত দিয়ে চালানো সেক্সট্যান্ট ব্যবহার করবেন। যন্ত্রটির কোণগুলো গোল করে এবং দেয়ালে আটকে রাখার ফাস্টেনার যুক্ত করে এটিকে মহাকাশে ব্যবহারের উপযোগী করা হয়েছে। এমনকি সেক্সট্যান্ট না থাকলেও কোনো তারা চাঁদ বা পৃথিবীর পেছনে কখন অদৃশ্য হচ্ছে, সেই সময় মেপে নভোচারীরা অবস্থান বের করতে পারেন। মঙ্গলের পথে চলাচল করার জন্য নির্দিষ্ট গ্রহাণু ও জেমিনি বা মিথুন রাশিচক্রের তারা দেখে পথ চেনার প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে নভোচারীদের।
নতুন নতুন প্রযুক্তিপণ্যের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ডিজিটাল স্মার্ট গ্লাস। এর রয়েছে ব্যাপক সুবিধা। চশমার ফ্রেমে হালকা স্পর্শ করেই ফোন কল করা যায়। শুধু তা-ই নয়, এই স্মার্ট গ্লাসের সাহায্যে এআই ব্যবহার এবং ছবি বা ভিডিও তোলা যায়।
‘আরেক প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ঢুকে হ্যাক করছে মেটার এআই’; ‘ওপেনএআইয়ের একটি পরীক্ষামূলক এআই মডেল নিজের সার্ভারে হামলা চালিয়েছে’; ‘মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করতে ভুয়া প্রোফাইল ব্যবহার করেছে অ্যানথ্রপিক এআই’—এই সব শিরোনামই সাম্প্রতিক।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের দ্রুত অগ্রগতি ও নতুন মডেল উন্মোচনে লাগাম টানা কিংবা কঠোর নিয়ন্ত্রণ চালুর দাবি নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেছেন, ‘কিছু নেতিবাচক শক্তি’ এই প্রযুক্তির ভয়াবহতা নিয়ে অহেতুক আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তবে একই সঙ্গে চীনকে পেছনে ফেলে
দৈনিক টার্গেট 

























