হেরে রিয়াল কোচ বললেন, প্রতিপক্ষ দল লটারি জিতে গেল

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:২৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭০ বার পঠিত হয়েছে

বেতিসকে অভিনন্দন জানিয়ে মরিনিয়ো বলেন, ‘আমাদের জেতা উচিত ছিল। কিন্তু জেতার যোগ্য হওয়া থেকে পয়েন্ট পাওয়া যায় না। বেতিসকে অভিনন্দন, তারা ড্র করতে খেলেছিল, শেষ পর্যন্ত লটারি জিতে গেল।’

নিজেদের আধিপত্যের কথা তুলে ধরতে গিয়ে মরিনিয়ো বলেন, ‘আমরা আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছি। আমাদের সেন্টার-ব্যাকরা দুর্দান্ত ফর্মে ছিল, তারা পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেছে। আমরা প্রচুর আক্রমণ করেছি, প্রচুর গোলের সুযোগ তৈরি করেছি। আমরা তিন-চারটি পরিষ্কার সুযোগ নষ্ট করেছি। গোলরক্ষকও তিন-চারটি অসাধারণ সেভ করেছে।’

রিয়ালের হয়ে পেনাল্টি মিস করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। পাশাপাশি এসপির একটি গোলও বাতিল হয়। তবে এ দুটি ঘটনায় হারকে ব্যাখ্যা করতে চাননি মরিনিয়ো। এসপির পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন তিনি। মরিনিয়ো বলেন, ‘সে (এসপি) ১০-১৫ মিনিটের জন্য মাঠে নেমে অসাধারণ একটি গোল করল, যেটা পরে… জানি না, হয়তো অফসাইড ছিল, হয়তো ছিল না। তবে সে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। তার কাজের ফল হিসেবে আমরা কোনো পয়েন্ট পাইনি, কিন্তু সে নিজের দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করেছে। সে ভালো করেছে। তার বয়স কম, সম্ভাবনাও অনেক। সে আরও ভালো করবে, কারণ সে বিনয়ী, পরিশ্রমী এবং শেখার জন্য মুখিয়ে থাকে। তাকে নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি খুশি হতে পারতাম না।’

রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মরিনিয়ো। বিশেষ করে প্রথমার্ধে হলুদ কার্ড দেখানোর ধরন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তবে হারের দায় রেফারির ওপর চাপাতে নারাজ রিয়াল কোচ, ‘প্রথমার্ধে যেভাবে হলুদ কার্ডগুলো দেওয়া হয়েছে, বেতিস বিরতিতে কোনো কার্ড না দেখিয়ে গেল এবং বেচারা আরদা—যে শুধু ফুটবল খেলতেই জানে—হলুদ কার্ড পেল, এটা আমার ভালো লাগেনি। কিন্তু ম্যাচ হেরে গিয়ে বলব যে হলুদ কার্ডের কারণেই আমরা হেরেছি, না, আমি সেটা করব না।’

কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ফিরেই বল হাতে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন হাসান মাহমুদ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পর কেন্টে ফিরে উস্টারশায়ারের বিপক্ষে চার উইকেট নিয়ে দলকে প্রথম ইনিংসে লিড এনে দিয়েছেন এই পেসার। তাঁর এমন পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কেন্টের সতীর্থরাও।

রান পাহাড় গড়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি নামিবিয়ার ব্যাটাররা। অবশ্য দুর্দান্ত শুরুর পরও শেষ পর্যন্ত পেরে উঠল না শক্তির বিচারে পিছিয়ে থাকা দলটি। টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েই ফাইনালে পা রাখল প্রোটিয়ারা। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাদের সঙ্গী জিম্বাবুয়ে।

জনপ্রিয় টার্গেট

হেরে রিয়াল কোচ বললেন, প্রতিপক্ষ দল লটারি জিতে গেল

প্রকাশ: ১০:২৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেতিসকে অভিনন্দন জানিয়ে মরিনিয়ো বলেন, ‘আমাদের জেতা উচিত ছিল। কিন্তু জেতার যোগ্য হওয়া থেকে পয়েন্ট পাওয়া যায় না। বেতিসকে অভিনন্দন, তারা ড্র করতে খেলেছিল, শেষ পর্যন্ত লটারি জিতে গেল।’

নিজেদের আধিপত্যের কথা তুলে ধরতে গিয়ে মরিনিয়ো বলেন, ‘আমরা আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছি। আমাদের সেন্টার-ব্যাকরা দুর্দান্ত ফর্মে ছিল, তারা পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেছে। আমরা প্রচুর আক্রমণ করেছি, প্রচুর গোলের সুযোগ তৈরি করেছি। আমরা তিন-চারটি পরিষ্কার সুযোগ নষ্ট করেছি। গোলরক্ষকও তিন-চারটি অসাধারণ সেভ করেছে।’

রিয়ালের হয়ে পেনাল্টি মিস করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। পাশাপাশি এসপির একটি গোলও বাতিল হয়। তবে এ দুটি ঘটনায় হারকে ব্যাখ্যা করতে চাননি মরিনিয়ো। এসপির পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন তিনি। মরিনিয়ো বলেন, ‘সে (এসপি) ১০-১৫ মিনিটের জন্য মাঠে নেমে অসাধারণ একটি গোল করল, যেটা পরে… জানি না, হয়তো অফসাইড ছিল, হয়তো ছিল না। তবে সে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। তার কাজের ফল হিসেবে আমরা কোনো পয়েন্ট পাইনি, কিন্তু সে নিজের দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করেছে। সে ভালো করেছে। তার বয়স কম, সম্ভাবনাও অনেক। সে আরও ভালো করবে, কারণ সে বিনয়ী, পরিশ্রমী এবং শেখার জন্য মুখিয়ে থাকে। তাকে নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি খুশি হতে পারতাম না।’

রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মরিনিয়ো। বিশেষ করে প্রথমার্ধে হলুদ কার্ড দেখানোর ধরন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তবে হারের দায় রেফারির ওপর চাপাতে নারাজ রিয়াল কোচ, ‘প্রথমার্ধে যেভাবে হলুদ কার্ডগুলো দেওয়া হয়েছে, বেতিস বিরতিতে কোনো কার্ড না দেখিয়ে গেল এবং বেচারা আরদা—যে শুধু ফুটবল খেলতেই জানে—হলুদ কার্ড পেল, এটা আমার ভালো লাগেনি। কিন্তু ম্যাচ হেরে গিয়ে বলব যে হলুদ কার্ডের কারণেই আমরা হেরেছি, না, আমি সেটা করব না।’

কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ফিরেই বল হাতে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন হাসান মাহমুদ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পর কেন্টে ফিরে উস্টারশায়ারের বিপক্ষে চার উইকেট নিয়ে দলকে প্রথম ইনিংসে লিড এনে দিয়েছেন এই পেসার। তাঁর এমন পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কেন্টের সতীর্থরাও।

রান পাহাড় গড়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি নামিবিয়ার ব্যাটাররা। অবশ্য দুর্দান্ত শুরুর পরও শেষ পর্যন্ত পেরে উঠল না শক্তির বিচারে পিছিয়ে থাকা দলটি। টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েই ফাইনালে পা রাখল প্রোটিয়ারা। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাদের সঙ্গী জিম্বাবুয়ে।