ক্লাব ক্যারিয়ারে এই কীর্তি গড়ার পথে দ্রুততার দিক থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলেছেন হালান্ড। তাঁর সামনে আছেন কেবল লিওনেল মেসি।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচের ২৬তম মিনিটে হেডে সিটির হয়ে একমাত্র গোলটি করেন হালান্ড। সেই গোলেই ৩৮৪ ম্যাচে পূর্ণ হয় তাঁর ৩০০ ক্লাব গোল। মোলদে, রেড বুল সালজবুর্গ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এই গোলগুলো করেছেন তিনি।
৩০০ গোলের মাইলফলকে পৌঁছাতে হালান্ডের চেয়ে কম ম্যাচ লেগেছিল শুধু মেসির। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ৩৬৫ ম্যাচে ৩০০ ক্লাব গোল পূর্ণ করেছিলেন। অন্যদিকে এমবাপ্পে এই মাইলফলকে পৌঁছান ৩৯৮ ম্যাচে, রোনালদোর লেগেছিল ৪৯৯ ম্যাচ।
৩০০তম ক্লাব গোলের দিনে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট ছিলেন না হালান্ড। ম্যাচ শেষে ইএসপিএনকে তিনি বলেন, ‘ম্যাচটা শেষ করে দেওয়ার জন্য আমার আরও গোল করা উচিত ছিল। কিন্তু সেটা করতে পারিনি। ফলে দলের জন্য ম্যাচটা কঠিন করে তুলেছি এবং শেষ পর্যন্ত কভেন্ট্রিকে ম্যাচে টিকে থাকার সুযোগ দিয়েছি। প্রিমিয়ার লিগে আপনি যদি সুযোগ কাজে লাগাতে না পারেন, তাহলে কাজটা কঠিন হয়ে যাবে।’
দুই ম্যাচে এটি হালান্ডের তৃতীয় গোল। তাঁর গোল-ফর্মে সন্তুষ্ট সিটির নতুন কোচ এনজো মারেস্কাও। পেপ গার্দিওলার উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর লিগে প্রথম তিন ম্যাচেই জয়ের দেখা পেল ম্যানচেস্টারের ক্লাবটি।
মারেস্কা বলেন, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি জয়, প্রথম দুই ম্যাচের চেয়ে আলাদা। আমি খুবই খুশি। প্রতিদিন আমি খেলোয়াড়দের আরও ভালোভাবে চিনছি, আমরাও একে অপরকে বুঝতে পারছি। এর অর্থ হলো, আমরা আরও ভালো থেকে আরও ভালো হয়ে উঠব।’
বহুবার একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নেমেছেন লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিন্তু একই দলের জার্সিতে তাঁদের কখনো দেখা যায়নি। এবার সেই অপূর্ণতা পূরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে কার্লোস তেভেজের বিদায়ী ম্যাচকে ঘিরে।
দৈনিক টার্গেট 
























