আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৬:৩১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

যদি একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির কথা বলা হয়, কার সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ, সে প্রশ্নে তদন্ত কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘দ্য অ্যাডভাইজার, মিস্টার প্রফেসর ডক্টর নজরুল আসিফ নজরুল সাহেব। প্রফেসার ডক্টর নজরুল সাহেব তখন ক্রীড়ার (মন্ত্রণালয়ের) দায়িত্বে ছিলেন।’

তদন্ত কমিটির সদস্যরা জানা কথাগুলোই যেন পুনরায় জানিয়েছেন। সিদ্ধান্তটা ছিল সরকারের। সরকারের সিদ্ধান্তই মানতে হয়েছে বিসিবিকে। অতিরিক্ত সচিব ড. এ কে এম অলি উল্যার স্বীকারোক্তি, ‘সিদ্ধান্ত একজনের মাধ্যমে তো আসবে। সে সিদ্ধান্ত তো একজনের বলা যায় না। সরকারি সিদ্ধান্ত। সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা কেউ নই। যখন যে সরকারের সিদ্ধান্ত থাকে, তাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সিদ্ধান্ত সঠিক না বেঠিক, সেটা কীভাবে বলব? আপনারা চিন্তা করতে পারেন। সরাসরি বলব না যে, সরকার সিদ্ধান্ত ভুল করেছে। এটা আমরা ভারত বলতে পারব না।’

সরকারি সিদ্ধান্ত বলেই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে দায়ী বা শাস্তির সুপারিশ করেনি তাদের প্রতিবেদনে। তাদের সুপারিশে যেসব বলা হয়েছে, তা তুলে ধরা হলো এখানে—

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের নাম প্রত্যাহার নিয়ে প্রকাশ্য বিতর্ক, টেলিভিশন সাক্ষাৎকার এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎমুখী বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কে দায়ী—এ নিয়ে মতভেদ থাকলেও, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের একই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো উচিত, এ বিষয়ে ব্যাপকভাবে ঐকমত্য রয়েছে।

অনেক বিশ্লেষক ও মন্তব্যকারী মনে করেন, সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক ক্রীড়ায় অংশগ্রহণকে কূটনৈতিক উত্তেজনা থেকে দূরে রাখা উচিত। খেলোয়াড় ও সমর্থকদের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখে ভূরাজনৈতিক বিরোধ মোকাবিলা করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একটি আনুষ্ঠানিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত।

যদি প্রকৃত নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ থাকে, তাহলে স্বাধীনভাবে নিরাপত্তা মূল্যায়ন করা উচিত এবং সিদ্ধান্তগুলো যাতে বাস্তব তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে নেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করতে সেই মূল্যায়নের ফল খেলোয়াড়, আইসিসি কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে শেয়ার করা উচিত।

ফুটবলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে নেইমারের বড় ভূমিকা ছিল বলে জানালেন ফিলিপ কুতিনিও। দীর্ঘ বিরতির পর ব্রাজিলিয়ান এই তারকা সান্তোসে যোগ দিয়েছেন। চলতি মৌসুমের শেষ পর্যন্ত ক্লাবটির হয়ে খেলবেন তিনি।

দীর্ঘ ৩০ বছর পর আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের আয়োজক হতে যাচ্ছে বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যু। ২০২৯ সালের ইউরোপ সেরার লড়াই হবে এই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে। মঙ্গলবার উয়েফা ২০২৮ ও ২০২৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের ভেন্যুর নাম ঘোষণা করেছে। ২০২৮ সালের ফাইনাল হবে মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়।

ফর্ম ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে সাত বছর পর ঘরোয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ফিরছেন বাবর আজম। চলমান প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড ওয়ানে অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ওজিডিসিএল) হয়ে খেলবেন পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক। অতিথি খেলোয়াড় হিসেবে বাবরকে দলে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

জনপ্রিয় টার্গেট

আওয়ামী লীগ নেতা পালানোর ঘটনায় পুলিশের মামলা, কুলিয়ারচর থানার ওসি ক্লোজড

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৬:৩১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যদি একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির কথা বলা হয়, কার সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ, সে প্রশ্নে তদন্ত কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘দ্য অ্যাডভাইজার, মিস্টার প্রফেসর ডক্টর নজরুল আসিফ নজরুল সাহেব। প্রফেসার ডক্টর নজরুল সাহেব তখন ক্রীড়ার (মন্ত্রণালয়ের) দায়িত্বে ছিলেন।’

তদন্ত কমিটির সদস্যরা জানা কথাগুলোই যেন পুনরায় জানিয়েছেন। সিদ্ধান্তটা ছিল সরকারের। সরকারের সিদ্ধান্তই মানতে হয়েছে বিসিবিকে। অতিরিক্ত সচিব ড. এ কে এম অলি উল্যার স্বীকারোক্তি, ‘সিদ্ধান্ত একজনের মাধ্যমে তো আসবে। সে সিদ্ধান্ত তো একজনের বলা যায় না। সরকারি সিদ্ধান্ত। সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা কেউ নই। যখন যে সরকারের সিদ্ধান্ত থাকে, তাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সিদ্ধান্ত সঠিক না বেঠিক, সেটা কীভাবে বলব? আপনারা চিন্তা করতে পারেন। সরাসরি বলব না যে, সরকার সিদ্ধান্ত ভুল করেছে। এটা আমরা ভারত বলতে পারব না।’

সরকারি সিদ্ধান্ত বলেই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে দায়ী বা শাস্তির সুপারিশ করেনি তাদের প্রতিবেদনে। তাদের সুপারিশে যেসব বলা হয়েছে, তা তুলে ধরা হলো এখানে—

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের নাম প্রত্যাহার নিয়ে প্রকাশ্য বিতর্ক, টেলিভিশন সাক্ষাৎকার এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎমুখী বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কে দায়ী—এ নিয়ে মতভেদ থাকলেও, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের একই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো উচিত, এ বিষয়ে ব্যাপকভাবে ঐকমত্য রয়েছে।

অনেক বিশ্লেষক ও মন্তব্যকারী মনে করেন, সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক ক্রীড়ায় অংশগ্রহণকে কূটনৈতিক উত্তেজনা থেকে দূরে রাখা উচিত। খেলোয়াড় ও সমর্থকদের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখে ভূরাজনৈতিক বিরোধ মোকাবিলা করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একটি আনুষ্ঠানিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত।

যদি প্রকৃত নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ থাকে, তাহলে স্বাধীনভাবে নিরাপত্তা মূল্যায়ন করা উচিত এবং সিদ্ধান্তগুলো যাতে বাস্তব তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে নেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করতে সেই মূল্যায়নের ফল খেলোয়াড়, আইসিসি কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে শেয়ার করা উচিত।

ফুটবলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে নেইমারের বড় ভূমিকা ছিল বলে জানালেন ফিলিপ কুতিনিও। দীর্ঘ বিরতির পর ব্রাজিলিয়ান এই তারকা সান্তোসে যোগ দিয়েছেন। চলতি মৌসুমের শেষ পর্যন্ত ক্লাবটির হয়ে খেলবেন তিনি।

দীর্ঘ ৩০ বছর পর আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের আয়োজক হতে যাচ্ছে বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যু। ২০২৯ সালের ইউরোপ সেরার লড়াই হবে এই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে। মঙ্গলবার উয়েফা ২০২৮ ও ২০২৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের ভেন্যুর নাম ঘোষণা করেছে। ২০২৮ সালের ফাইনাল হবে মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়।

ফর্ম ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে সাত বছর পর ঘরোয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ফিরছেন বাবর আজম। চলমান প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড ওয়ানে অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ওজিডিসিএল) হয়ে খেলবেন পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক। অতিথি খেলোয়াড় হিসেবে বাবরকে দলে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।