তিতুমীর কলেজে হামলার অভিযোগে ঢাবিতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর বিক্ষোভ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৫১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ১৭তম জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সার্বভৌমত্বের দাবিতে সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা দেয়াল লিখন কর্মসূচির আয়োজন করে। কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর দাবি, হামলায় নেতৃত্ব দেন সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সেলিম রেজা এবং আক্কাছুর রহমান আঁখি হল শাখার সভাপতি মো. মাইন উদ্দিন তোহা আকন্দ। এতে সংগঠনটির তিতুমীর কলেজ শাখার আহ্বায়ক সোহাগ প্রামাণিক আহত হন। একই ঘটনায় সংগঠনের সদস্য তানহা জামানকে যৌন হেনস্তা ও হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী। মিছিলটি শামসুন নাহার হল, হাকিম চত্বর ও স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাত জাহান ইমুর সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি তৈয়ব ইসলাম। বক্তব্য দেন সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখার সদস্য সালমান শেখ ও তানহা জামান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সামি আব্দুল্লাহ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভিন্নমতের ওপর হামলা ও দমন কখনো গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হতে পারে না। ছাত্রলীগ দীর্ঘদিন আধিপত্য প্রতিষ্ঠা ও ভিন্নমত দমনে যে সন্ত্রাসী পদ্ধতি অনুসরণ করেছে, ছাত্রদলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেন তাঁরা। আধিপত্যবাদী আচরণ, সন্ত্রাস ও ভিন্নমত দমনের প্রশ্নে ছাত্রলীগের সঙ্গে ছাত্রদলের মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর নেতারা আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পরও ক্যাম্পাসে ভিন্নমতের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হেনস্তার মতো ঘটনা উদ্বেগজনক। কোনো সংগঠনেরই অন্য সংগঠনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালানোর অধিকার নেই।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের চিহ্নিত করে যথাযথ সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্যাম্পাসে সব শিক্ষার্থীর নিরাপদ ও স্বাধীন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আমরা একটি দুঃসময় অতিক্রম করেছি। এমন এক অন্ধকার যুগ অতিক্রম করেছি, যেখানে বিরোধী দল করলে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না। বিরোধী মতের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ও বাড়িতে ঘুমানোর অধিকারও ছিল না।’

চট্টগ্রামের পর এবার রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। ১৯ সেপ্টেম্বরের এই কর্মসূচি শুরু হবে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে। একই দিনে পাঁচ জেলায় পাঁচটি পথসভা করে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ করবে দলগুলো।

আমাদের কোনো জাতীয় নেতা তো বলেননি যে, আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দেব। এটা কারা বলেছিল, সেটা নিশ্চয় দেশবাসী ভুলে যায়নি। সুতরাং কে কার সঙ্গে আঁতাত করছে, সেটা জনগণ জানে। ফলে এসব কথা বলে কোনো লাভ নেই।

জনপ্রিয় টার্গেট

ব্রিকসের জন্য সি চিন পিংয়ের ৫ প্রস্তাব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপেন-সোর্স জোন গড়বে চীন

তিতুমীর কলেজে হামলার অভিযোগে ঢাবিতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১০:৫১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ১৭তম জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সার্বভৌমত্বের দাবিতে সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা দেয়াল লিখন কর্মসূচির আয়োজন করে। কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর দাবি, হামলায় নেতৃত্ব দেন সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সেলিম রেজা এবং আক্কাছুর রহমান আঁখি হল শাখার সভাপতি মো. মাইন উদ্দিন তোহা আকন্দ। এতে সংগঠনটির তিতুমীর কলেজ শাখার আহ্বায়ক সোহাগ প্রামাণিক আহত হন। একই ঘটনায় সংগঠনের সদস্য তানহা জামানকে যৌন হেনস্তা ও হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী। মিছিলটি শামসুন নাহার হল, হাকিম চত্বর ও স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাত জাহান ইমুর সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি তৈয়ব ইসলাম। বক্তব্য দেন সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখার সদস্য সালমান শেখ ও তানহা জামান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সামি আব্দুল্লাহ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভিন্নমতের ওপর হামলা ও দমন কখনো গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হতে পারে না। ছাত্রলীগ দীর্ঘদিন আধিপত্য প্রতিষ্ঠা ও ভিন্নমত দমনে যে সন্ত্রাসী পদ্ধতি অনুসরণ করেছে, ছাত্রদলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেন তাঁরা। আধিপত্যবাদী আচরণ, সন্ত্রাস ও ভিন্নমত দমনের প্রশ্নে ছাত্রলীগের সঙ্গে ছাত্রদলের মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর নেতারা আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পরও ক্যাম্পাসে ভিন্নমতের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হেনস্তার মতো ঘটনা উদ্বেগজনক। কোনো সংগঠনেরই অন্য সংগঠনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালানোর অধিকার নেই।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের চিহ্নিত করে যথাযথ সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্যাম্পাসে সব শিক্ষার্থীর নিরাপদ ও স্বাধীন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আমরা একটি দুঃসময় অতিক্রম করেছি। এমন এক অন্ধকার যুগ অতিক্রম করেছি, যেখানে বিরোধী দল করলে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না। বিরোধী মতের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ও বাড়িতে ঘুমানোর অধিকারও ছিল না।’

চট্টগ্রামের পর এবার রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। ১৯ সেপ্টেম্বরের এই কর্মসূচি শুরু হবে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে। একই দিনে পাঁচ জেলায় পাঁচটি পথসভা করে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ করবে দলগুলো।

আমাদের কোনো জাতীয় নেতা তো বলেননি যে, আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দেব। এটা কারা বলেছিল, সেটা নিশ্চয় দেশবাসী ভুলে যায়নি। সুতরাং কে কার সঙ্গে আঁতাত করছে, সেটা জনগণ জানে। ফলে এসব কথা বলে কোনো লাভ নেই।