মনোনয়ন বাতিল: হাইকোর্টে প্রশ্ন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • ৭৩ বার পঠিত হয়েছে

ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিলকে কেন্দ্র করে নতুন আইনি প্রশ্নের জন্ম হয়েছে। এ বিষয়ে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেওয়া সিদ্ধান্তটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

বুধবার (৬ মে) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে রুল জারি করেন। এর ফলে বিষয়টি এখন বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় এসেছে এবং সংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

আদালতে মনিরা শারমিনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু এবং অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। তারা আদালতে যুক্তি তুলে ধরে মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

এর আগে একই বিষয়ে দায়ের করা একটি রিট আবেদন শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেছিল হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার সমন্বয়ে গঠিত সেই বেঞ্চ ৪ মে রিটটি গ্রহণ না করে শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান।

উল্লেখ্য, সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলে তিনি আইনের আশ্রয় নেন। সর্বশেষ হাইকোর্টের জারি করা এই রুলের মাধ্যমে বিষয়টি নতুন মোড় নিয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের এই পদক্ষেপের ফলে মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণগুলো বিচারিকভাবে যাচাই করা হবে, যা ভবিষ্যতে অনুরূপ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে

মনোনয়ন বাতিল: হাইকোর্টে প্রশ্ন

প্রকাশ: ০৫:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিলকে কেন্দ্র করে নতুন আইনি প্রশ্নের জন্ম হয়েছে। এ বিষয়ে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেওয়া সিদ্ধান্তটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

বুধবার (৬ মে) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে রুল জারি করেন। এর ফলে বিষয়টি এখন বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় এসেছে এবং সংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

আদালতে মনিরা শারমিনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু এবং অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। তারা আদালতে যুক্তি তুলে ধরে মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

এর আগে একই বিষয়ে দায়ের করা একটি রিট আবেদন শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেছিল হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার সমন্বয়ে গঠিত সেই বেঞ্চ ৪ মে রিটটি গ্রহণ না করে শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান।

উল্লেখ্য, সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলে তিনি আইনের আশ্রয় নেন। সর্বশেষ হাইকোর্টের জারি করা এই রুলের মাধ্যমে বিষয়টি নতুন মোড় নিয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের এই পদক্ষেপের ফলে মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণগুলো বিচারিকভাবে যাচাই করা হবে, যা ভবিষ্যতে অনুরূপ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে