বিরোধীদলের ভূমিকা গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের সমালোচনা অবশ্যই হওয়া উচিত, তবে তা হতে হবে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক। এতে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম আরও কার্যকর হয় এবং গণতন্ত্রের ভিত মজবুত হয়।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির আসন্ন মতবিনিময় সভার প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী শনিবার (৯ মে) অনুষ্ঠিতব্য এ সভায় বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেবেন।
রিজভী জানান, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পাশাপাশি দলের মহাসচিব এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ নেতারাও সভায় যোগ দেবেন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতারা সাংগঠনিক কার্যক্রম ও বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরবেন।
তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষক কার্ড’ এবং খাল খননের মতো কর্মসূচিগুলো জনগণের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিরোধীদলের সমালোচনা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বহু মানুষের আত্মত্যাগ রয়েছে। সেই সংগ্রামের মূল লক্ষ্যই ছিল একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে সরকার কাজ করবে এবং বিরোধীদল সেই কাজের গঠনমূলক মূল্যায়ন করবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের কোনো ভুল থাকলে তা তুলে ধরা বিরোধীদলের দায়িত্ব। এতে সরকারের জবাবদিহিতা বাড়ে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা আসে। তবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রিজভীর ভাষায়, জনগণই শেষ পর্যন্ত সবকিছুর বিচারক। সরকারের কাজ এবং বিরোধীদলের অবস্থান দুটোর মূল্যায়নই জনগণ আগামী নির্বাচনে করবে।
এ সময় জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের সভাপতি মাহফুজ কবির মুক্তা, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দৈনিক টার্গেট 






















