ফজলুর রহমানকে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৭৪ বার পঠিত হয়েছে

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে জরুরি বৈঠকের জন্য ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে হাওরাঞ্চলের সাম্প্রতিক বন্যা, কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি এবং পুনর্বাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

ফজলুর রহমান জানান, সাম্প্রতিক বন্যা ও টানা বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে ধানের মাঠ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় হাজার হাজার কৃষক চরম বিপাকে পড়েছেন। তিনি গত কয়েকদিন ধরে নিজ এলাকায় অবস্থান করে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, এবারের দুর্যোগ অতীতের অনেক ঘটনার তুলনায় বেশি ভয়াবহ। তিনি বলেন, হাওরের প্রায় সব ইউনিয়নেই সমানভাবে ক্ষতি হয়েছে। আগাম বন্যার পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এমপি ফজলুর রহমান আরও জানান, বন্যার পর প্রধানমন্ত্রী তাকে দ্রুত এলাকায় গিয়ে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য তিন মাসের খাদ্য সহায়তার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। তিনি মনে করেন, এমন উদ্যোগ দুর্গত মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করবে।

সংসদ সদস্য বলেন, শুধু তাৎক্ষণিক সহায়তা নয়, কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও প্রয়োজন। কারণ এবারের ক্ষতির ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে অনেক পরিবারের কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।

তিনি ইতোমধ্যে ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামসহ বিভিন্ন হাওর এলাকা পরিদর্শন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দুর্দশা, খাদ্য সহায়তা, পুনর্বাসন এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব তুলে ধরবেন বলেও জানিয়েছেন।

ফজলুর রহমানকে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে জরুরি বৈঠকের জন্য ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে হাওরাঞ্চলের সাম্প্রতিক বন্যা, কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি এবং পুনর্বাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

ফজলুর রহমান জানান, সাম্প্রতিক বন্যা ও টানা বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে ধানের মাঠ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় হাজার হাজার কৃষক চরম বিপাকে পড়েছেন। তিনি গত কয়েকদিন ধরে নিজ এলাকায় অবস্থান করে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, এবারের দুর্যোগ অতীতের অনেক ঘটনার তুলনায় বেশি ভয়াবহ। তিনি বলেন, হাওরের প্রায় সব ইউনিয়নেই সমানভাবে ক্ষতি হয়েছে। আগাম বন্যার পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এমপি ফজলুর রহমান আরও জানান, বন্যার পর প্রধানমন্ত্রী তাকে দ্রুত এলাকায় গিয়ে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য তিন মাসের খাদ্য সহায়তার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। তিনি মনে করেন, এমন উদ্যোগ দুর্গত মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করবে।

সংসদ সদস্য বলেন, শুধু তাৎক্ষণিক সহায়তা নয়, কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও প্রয়োজন। কারণ এবারের ক্ষতির ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে অনেক পরিবারের কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।

তিনি ইতোমধ্যে ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামসহ বিভিন্ন হাওর এলাকা পরিদর্শন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দুর্দশা, খাদ্য সহায়তা, পুনর্বাসন এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব তুলে ধরবেন বলেও জানিয়েছেন।