ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:২২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

সুন্নাহসম্মত উপায়ে ফরজ গোসল: রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর গোসলের আদর্শ পদ্ধতি অনুসরণ করা সবচেয়ে উত্তম। হাদিসের আলোকে সেই পদ্ধতিটি হলো: প্রথমে হাত ধুয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজনে প্রস্রাব করা (যাতে বীর্য বা অপবিত্রতা পুরোপুরি বের হয়ে যায়)। এরপর গোপন অঙ্গ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নেওয়া। নামাজের অজুর মতো পূর্ণাঙ্গ অজু করা। তবে গোসলের স্থানে পানি জমে থাকলে সবার শেষে পা ধোয়ার কাজটি করা যেতে পারে। এরপর প্রথমে মাথায় তিনবার পানি ঢালা। প্রথমে শরীরের ডান অংশে এবং পরে বাঁ অংশে পানি ঢেলে পুরো শরীর ভালোভাবে ধৌত করা।

ফরজ গোসলে সতর্কতা: অসতর্কতায় শরীরের কিছু অংশ শুকনো থাকলে ফরজ গোসল হয় না। তাই গোসলের সময় কিছু বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি:

১. নাভির ভেতর, কানের ছিদ্র, বগল ও আঙুলের ফাঁকে হাত দিয়ে ঘষে পানি পৌঁছাতে হবে।

২. আংটি, ঘড়ি, নাকফুল বা কানের দুল নাড়িয়ে ভেতরে পানি পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।

৩. পুরুষদের দাড়ি, গোঁফ ও চুলের গোড়ায় পানি পৌঁছাতে হবে।

৪. নারীদের বেণি বা খোঁপা না খুলে গোড়ায় পানি পৌঁছানো সম্ভব হলে তা খোলা জরুরি নয়; তবে চুল খোলা থাকলে পুরো চুল ভেজানো ফরজ।

৫. নেইল পলিশ, সুপার গ্লু বা রং তুলে চামড়ায় পানি পৌঁছাতে হবে।

৬. দাঁতে স্থায়ী ক্যাপ থাকলে খোলার দরকার নেই, তবে সহজে খোলা যায়—এমন কিছু থাকলে খুলে ধুতে হবে।

শরীরের একচুল পরিমাণ জায়গাও যদি শুকনো থাকে, তবে ফরজ গোসল হবে না। তাই তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে।

পবিত্র কোরআনুল কারিম হলো মানবজাতির জন্য পরম হেদায়েত, আত্মিক আরোগ্য ও সুরক্ষার এক অবিনশ্বর ভান্ডার। আর এই মহাগ্রন্থের ১১৪টি সুরার হাজারো আয়াতের মধ্যে সবচেয়ে মহিমান্বিত, ফজিলতপূর্ণ ও শ্রেষ্ঠ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি’।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।

ইসলামে জুমার দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মুসলমানদের জন্য দিনটি অত্যন্ত বরকতময় ও তাৎপর্যপূর্ণ। জুমার দিনের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এই দিনে এমন একটি মোবারক সময় রয়েছে, যখন আল্লাহ তাআলা বান্দার যেকোনো বৈধ দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল করেন। হাদিস শরিফে এই বিশেষ সময়টির ব্যাপারে অত্যন্ত…

জনপ্রিয় টার্গেট

ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম

প্রকাশ: ০৭:২২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুন্নাহসম্মত উপায়ে ফরজ গোসল: রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর গোসলের আদর্শ পদ্ধতি অনুসরণ করা সবচেয়ে উত্তম। হাদিসের আলোকে সেই পদ্ধতিটি হলো: প্রথমে হাত ধুয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজনে প্রস্রাব করা (যাতে বীর্য বা অপবিত্রতা পুরোপুরি বের হয়ে যায়)। এরপর গোপন অঙ্গ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নেওয়া। নামাজের অজুর মতো পূর্ণাঙ্গ অজু করা। তবে গোসলের স্থানে পানি জমে থাকলে সবার শেষে পা ধোয়ার কাজটি করা যেতে পারে। এরপর প্রথমে মাথায় তিনবার পানি ঢালা। প্রথমে শরীরের ডান অংশে এবং পরে বাঁ অংশে পানি ঢেলে পুরো শরীর ভালোভাবে ধৌত করা।

ফরজ গোসলে সতর্কতা: অসতর্কতায় শরীরের কিছু অংশ শুকনো থাকলে ফরজ গোসল হয় না। তাই গোসলের সময় কিছু বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি:

১. নাভির ভেতর, কানের ছিদ্র, বগল ও আঙুলের ফাঁকে হাত দিয়ে ঘষে পানি পৌঁছাতে হবে।

২. আংটি, ঘড়ি, নাকফুল বা কানের দুল নাড়িয়ে ভেতরে পানি পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।

৩. পুরুষদের দাড়ি, গোঁফ ও চুলের গোড়ায় পানি পৌঁছাতে হবে।

৪. নারীদের বেণি বা খোঁপা না খুলে গোড়ায় পানি পৌঁছানো সম্ভব হলে তা খোলা জরুরি নয়; তবে চুল খোলা থাকলে পুরো চুল ভেজানো ফরজ।

৫. নেইল পলিশ, সুপার গ্লু বা রং তুলে চামড়ায় পানি পৌঁছাতে হবে।

৬. দাঁতে স্থায়ী ক্যাপ থাকলে খোলার দরকার নেই, তবে সহজে খোলা যায়—এমন কিছু থাকলে খুলে ধুতে হবে।

শরীরের একচুল পরিমাণ জায়গাও যদি শুকনো থাকে, তবে ফরজ গোসল হবে না। তাই তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে।

পবিত্র কোরআনুল কারিম হলো মানবজাতির জন্য পরম হেদায়েত, আত্মিক আরোগ্য ও সুরক্ষার এক অবিনশ্বর ভান্ডার। আর এই মহাগ্রন্থের ১১৪টি সুরার হাজারো আয়াতের মধ্যে সবচেয়ে মহিমান্বিত, ফজিলতপূর্ণ ও শ্রেষ্ঠ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি’।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।

ইসলামে জুমার দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মুসলমানদের জন্য দিনটি অত্যন্ত বরকতময় ও তাৎপর্যপূর্ণ। জুমার দিনের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এই দিনে এমন একটি মোবারক সময় রয়েছে, যখন আল্লাহ তাআলা বান্দার যেকোনো বৈধ দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল করেন। হাদিস শরিফে এই বিশেষ সময়টির ব্যাপারে অত্যন্ত…