সকালে সরেজমিনে তাঁতিপাড়া এলাকায় রাষ্ট্রপতির বাসভবনে দেখা যায়, সীমানা প্রাচীর ও উঁচু লোহার ফটকের বাইরে রাস্তার ওপর সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ। তাঁদের মধ্যে অনেকেই প্রবীণ, নারী ও দিনমজুর। রাষ্ট্রপতির বাসভবনের চারপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তার কড়াকড়ি থাকলেও নিজেদের প্রিয় মানুষটিকে একনজর দেখার ব্যাকুলতা নিয়ে ফটকের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তাঁদের।
স্থানীয়রা জানান, অতীতে মন্ত্রী কিংবা দলীয় মহাসচিব পদে থাকাকালেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ বাড়িতে এলে এভাবেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করতেন ও সাধ্যমতো সাহায্য-সহযোগিতা করতেন। এবার দেশের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হয়ে ফেরার পরও সাধারণ মানুষের আস্থা ও গভীর ভালোবাসায় কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি।
বাড়ির ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ষাটোর্ধ্ব সালেহা বেগম বলেন, ‘আগে উনি যখনই বাড়িত আসতেন, আমরা এই গেটের সামনে দাঁড়াইতাম। উনি খোঁজখবর নিতেন, সাহায্য করতেন। আজ উনি দেশের রাষ্ট্রপতি হইছেন, তাও একনজর দেখতে আর চিকিৎসার একটু সাহায্যের কথা জানাতে আসছি।’
রাষ্ট্রপতিকে দেখতে আসা স্থানীয় দিনমজুর রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফখরুল সাহেব সব সময় আমাদের বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। এখন নিরাপত্তা অনেক কড়া, তাও আমরা বাইরে দাঁড়িয়ে আছি। উনি বের হলে যদি আমাদের দিকে একবার তাকান বা কথা শোনেন, তবেই আমাদের আসা সার্থক।’
ফটকের সামনে অপেক্ষমাণ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জহুরুল হক বলেন, ‘আমাদের ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান আজ দেশের সর্বোচ্চ পদে। কাল সংবর্ধনায় তিনি যে ভালোবাসার কথা বলেছেন, তা আমাদের স্পর্শ করেছে। আজ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন, যা আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। তাঁর হাত ধরে ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের আমূল পরিবর্তন আসবে বলেই আমরা বিশ্বাস করি।’
সফরসূচি অনুযায়ী, আজ সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে সফরের প্রথম দিন গতকাল রোববার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেন তিনি।
ডিজিটাল প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ঠেকাতেও বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষপূর্ণ বা ব্যক্তিগত আক্রমণমূলক বক্তব্য প্রচার করতে পারবেন না।
নীতিমালার আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের সম্মানী দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে উৎসব ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচিত এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডিও (চাহিদাপত্র) লেটার উপেক্ষা করে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপির সুপারিশকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান।
দৈনিক টার্গেট 
























