দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নিয়োগ: এখনো সবুজ সংকেত দেয়নি ভারত

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ দিল্লিতে পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে পাঠাতে চায়। তবে তাঁকে নিয়োগ দেওয়ার আগে ভারতকে ‘এগ্রিমেন্ট’ দিতে হবে। এটি মূলত স্বাগতিক দেশের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন। এখনো সেই অনুমোদন দেয়নি দিল্লি।

আসাদ আলম সিয়াম কূটনীতিতে নতুন কোনো মুখ নন। তিনি দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাট বা কূটনীতিক। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গত বছর তিনি পররাষ্ট্রসচিবের দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ভারতের অনুমোদন ছাড়া দিল্লিতে তাঁর নতুন দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করতে পারবে না বাংলাদেশ।

এর মধ্যে সময়টিও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান হাইকমিশনার এম. রিয়াজ হামিদুল্লাহর দায়িত্ব শেষ হওয়ার পথে। আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে তাঁর জেনেভায় যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নতুন দায়িত্ব নেবেন তিনি। ফলে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের পদটি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন।

কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী, কোনো দেশ অন্য দেশে নিজের পছন্দের রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারকে সরাসরি নিয়োগ দিতে পারে না। যে দেশে তাঁকে পাঠানো হবে, সেই দেশকে আগে তাঁর নিয়োগ অনুমোদন করতে হয়।

তবে স্বাগতিক দেশ কাউকে অনুমোদন না দিলে এর কারণ জানানো বাধ্যতামূলক নয়। এমনকি কোনো দেশ চাইলে বিষয়টি নিয়ে নীরবও থাকতে পারে। বেশির ভাগ দেশই এই প্রক্রিয়াটি নীরবে সম্পন্ন করে। কারণ ব্যক্তিগত বা গোপন কোনো কূটনৈতিক জটিলতা প্রকাশ্য বিরোধে পরিণত হোক, কোনো পক্ষই সাধারণত তা চায় না। তাই টেকনিক্যালি দেখলে, ভারতের পক্ষ থেকে সিয়ামের এগ্রিমেন্ট আটকে রাখা সরাসরি প্রত্যাখ্যান নয়। তবে বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে যা কিছু ঘটছে, তার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নতুন দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে সেই আশাবাদ দ্রুত কমে গেছে। ভারত জানিয়েছিল, গত আগস্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফরের কথা ছিল। তবে সেই সফর বাতিল হয়ে যায়।

এর আগে বিমসটেকের (বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর আঞ্চলিক জোট) চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস নেতাদের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত। সেই আমন্ত্রণও তিনি গ্রহণ করেননি। তাঁর পরিবর্তে বাংলাদেশও অন্য কাউকে পাঠায়নি। এমনকি দিল্লিতে বাংলাদেশের বর্তমান হাইকমিশনার এম. রিয়াজ হামিদুল্লাহ—যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি—তিনিও ওই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন না।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে তৈরি হওয়া উত্তেজনা। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান এবং এরপর থেকে সেখানেই অবস্থান করছেন।

ভারতও এ ক্ষেত্রে নিজস্ব একটি পদক্ষেপ নিয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় দেশটি। জুনের শেষ দিকে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তার পদমর্যাদা মন্ত্রিসভার সদস্যের সমান বা ক্যাবিনেট র্যাঙ্কের। কাগজে-কলমে হলেও এটি দুই দেশের সম্পর্ককে ভারত কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, তার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের বড় ধরনের অবনতি ঘটে। এরপর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার চীন ও পাকিস্তানের দিকে তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকে পড়ে। বিষয়টি নয়াদিল্লিতে ভালোভাবে নেওয়া হয়নি। তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের সম্পর্ক আবার নতুন করে শুরু হতে পারে বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছিল। কিছু অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে পুরোনো উত্তেজনা এবং রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো দুই দেশের সম্পর্ককে স্থিতিশীল করার পথে এখনো বাধা হয়ে আছে।

শুধু গত এক মাসেই ভারত তারেক রহমানকে দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানিয়েছে। একটি ছিল রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য, অন্যটি ছিল ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য। কোনো আমন্ত্রণেই সফর বা অংশগ্রহণ হয়নি। এর মধ্যে বাংলাদেশের পছন্দের পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে দিল্লিতে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানোর বিষয়ে ভারতের অনুমোদন এখনো না আসায় পরিস্থিতিতে আরও একটি প্রশ্নচিহ্ন যোগ হয়েছে।

দুই দেশ এখনো কথা বলছে। কারিগরি বৈঠক হচ্ছে, ওয়ার্কিং গ্রুপগুলোও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দিল্লিতে বাংলাদেশের শীর্ষ কূটনৈতিক পদে ঢাকার পছন্দের ব্যক্তিকে ভারত এখনো অনুমোদন না দেওয়ার ঘটনা থেকে বোঝা যায়, দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব এখনো যথেষ্ট রয়ে গেছে।

বাংলাদেশে চলতি বছরে একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন পার্লামেন্ট গঠিত হলেও গণতন্ত্র এখনো ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, নির্বাচিত সরকার ও কার্যকর সংসদের ক্ষেত্রে কিছুটা অবনতি হয়েছে। তবে দুর্নীতি প্রতিরোধ, নাগরিক স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার মতো কিছু সূচকে উন্নতি হয়েছে।

‘ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে মূলত আমারই ছিল। আমি নিজেই এ কথা একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছি। তাই এতোদিন পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিষয়টি তদন্ত করে তা প্রকাশের কি এমন কারণ ঘটলো বুঝলাম না…

জনপ্রিয় টার্গেট

দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নিয়োগ: এখনো সবুজ সংকেত দেয়নি ভারত

প্রকাশ: ০৯:০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ দিল্লিতে পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে পাঠাতে চায়। তবে তাঁকে নিয়োগ দেওয়ার আগে ভারতকে ‘এগ্রিমেন্ট’ দিতে হবে। এটি মূলত স্বাগতিক দেশের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন। এখনো সেই অনুমোদন দেয়নি দিল্লি।

আসাদ আলম সিয়াম কূটনীতিতে নতুন কোনো মুখ নন। তিনি দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাট বা কূটনীতিক। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গত বছর তিনি পররাষ্ট্রসচিবের দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ভারতের অনুমোদন ছাড়া দিল্লিতে তাঁর নতুন দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করতে পারবে না বাংলাদেশ।

এর মধ্যে সময়টিও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান হাইকমিশনার এম. রিয়াজ হামিদুল্লাহর দায়িত্ব শেষ হওয়ার পথে। আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে তাঁর জেনেভায় যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নতুন দায়িত্ব নেবেন তিনি। ফলে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের পদটি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন।

কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী, কোনো দেশ অন্য দেশে নিজের পছন্দের রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারকে সরাসরি নিয়োগ দিতে পারে না। যে দেশে তাঁকে পাঠানো হবে, সেই দেশকে আগে তাঁর নিয়োগ অনুমোদন করতে হয়।

তবে স্বাগতিক দেশ কাউকে অনুমোদন না দিলে এর কারণ জানানো বাধ্যতামূলক নয়। এমনকি কোনো দেশ চাইলে বিষয়টি নিয়ে নীরবও থাকতে পারে। বেশির ভাগ দেশই এই প্রক্রিয়াটি নীরবে সম্পন্ন করে। কারণ ব্যক্তিগত বা গোপন কোনো কূটনৈতিক জটিলতা প্রকাশ্য বিরোধে পরিণত হোক, কোনো পক্ষই সাধারণত তা চায় না। তাই টেকনিক্যালি দেখলে, ভারতের পক্ষ থেকে সিয়ামের এগ্রিমেন্ট আটকে রাখা সরাসরি প্রত্যাখ্যান নয়। তবে বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে যা কিছু ঘটছে, তার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নতুন দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে সেই আশাবাদ দ্রুত কমে গেছে। ভারত জানিয়েছিল, গত আগস্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফরের কথা ছিল। তবে সেই সফর বাতিল হয়ে যায়।

এর আগে বিমসটেকের (বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর আঞ্চলিক জোট) চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস নেতাদের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত। সেই আমন্ত্রণও তিনি গ্রহণ করেননি। তাঁর পরিবর্তে বাংলাদেশও অন্য কাউকে পাঠায়নি। এমনকি দিল্লিতে বাংলাদেশের বর্তমান হাইকমিশনার এম. রিয়াজ হামিদুল্লাহ—যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি—তিনিও ওই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন না।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে তৈরি হওয়া উত্তেজনা। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান এবং এরপর থেকে সেখানেই অবস্থান করছেন।

ভারতও এ ক্ষেত্রে নিজস্ব একটি পদক্ষেপ নিয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় দেশটি। জুনের শেষ দিকে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তার পদমর্যাদা মন্ত্রিসভার সদস্যের সমান বা ক্যাবিনেট র্যাঙ্কের। কাগজে-কলমে হলেও এটি দুই দেশের সম্পর্ককে ভারত কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, তার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের বড় ধরনের অবনতি ঘটে। এরপর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার চীন ও পাকিস্তানের দিকে তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকে পড়ে। বিষয়টি নয়াদিল্লিতে ভালোভাবে নেওয়া হয়নি। তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের সম্পর্ক আবার নতুন করে শুরু হতে পারে বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছিল। কিছু অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে পুরোনো উত্তেজনা এবং রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো দুই দেশের সম্পর্ককে স্থিতিশীল করার পথে এখনো বাধা হয়ে আছে।

শুধু গত এক মাসেই ভারত তারেক রহমানকে দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানিয়েছে। একটি ছিল রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য, অন্যটি ছিল ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য। কোনো আমন্ত্রণেই সফর বা অংশগ্রহণ হয়নি। এর মধ্যে বাংলাদেশের পছন্দের পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে দিল্লিতে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানোর বিষয়ে ভারতের অনুমোদন এখনো না আসায় পরিস্থিতিতে আরও একটি প্রশ্নচিহ্ন যোগ হয়েছে।

দুই দেশ এখনো কথা বলছে। কারিগরি বৈঠক হচ্ছে, ওয়ার্কিং গ্রুপগুলোও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দিল্লিতে বাংলাদেশের শীর্ষ কূটনৈতিক পদে ঢাকার পছন্দের ব্যক্তিকে ভারত এখনো অনুমোদন না দেওয়ার ঘটনা থেকে বোঝা যায়, দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব এখনো যথেষ্ট রয়ে গেছে।

বাংলাদেশে চলতি বছরে একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন পার্লামেন্ট গঠিত হলেও গণতন্ত্র এখনো ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, নির্বাচিত সরকার ও কার্যকর সংসদের ক্ষেত্রে কিছুটা অবনতি হয়েছে। তবে দুর্নীতি প্রতিরোধ, নাগরিক স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার মতো কিছু সূচকে উন্নতি হয়েছে।

‘ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে মূলত আমারই ছিল। আমি নিজেই এ কথা একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছি। তাই এতোদিন পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিষয়টি তদন্ত করে তা প্রকাশের কি এমন কারণ ঘটলো বুঝলাম না…