আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স বলেছে, এসব প্রতিবেদনে নিখোঁজ শিশুদের পরবর্তী অবস্থা—কতজন উদ্ধার হয়েছে বা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে—সে তথ্য উল্লেখ না থাকায় শিশু নিখোঁজের পূর্ণাঙ্গ চিত্র প্রতিফলিত হয়নি। এতে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি স্পষ্ট করতে স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।
পুলিশের যাচাই করা তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ৪৭৪টি জিডি হয়েছে। এর মধ্যে ৪০৬ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৬৮টি এখনো উদ্ধার হয়নি। অন্যদিকে, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু নিখোঁজের ঘটনায় জিডি হয়েছে ১৫ হাজার ২৪৩টি। এর মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১ হাজার ৯৭০ শিশু এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
সব মিলিয়ে, আলোচ্য সময়ে নিখোঁজ ১৫ হাজার ৭১৭ শিশুর মধ্যে ২ হাজার ৩৮টির সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি; যা মোট নিখোঁজের ১৩ শতাংশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুরা সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অপরিচিত স্থানে ঘুরতে গিয়ে পথ হারানো, পরিবারের সদস্যদের নাম-ঠিকানা বলতে না পারা ও একা বাসায় ফেরার সময় অন্যত্র চলে যাওয়ার মতো কারণে নিখোঁজ হয়।
১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে অভিমান, পড়ালেখার চাপ, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে লজ্জার ভয়ে পালিয়ে থাকা, স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা, পরিবারের কাছ থেকে অর্থ বা অন্য সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি, বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাবসহ বিভিন্ন কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স জানিয়েছে, পুলিশি সেবা সহজীকরণের অংশ হিসেবে অনলাইন জিডি চালু হওয়ায় নিখোঁজসংক্রান্ত জিডির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে নিখোঁজসংক্রান্ত জিডি হয়েছিল ১৭ হাজার ৮০৮টি। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ৪১৪ ও ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২২ হাজার ৫৫০টিতে।
মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদনের পরও আইনসভায় বিল আসতে দেরি হওয়ায় মর্মাহত ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, ‘মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদনের পরে যত দ্রুত সম্ভব বিল আইনসভায় পাঠানো উচিত। যেন, সব সদস্য আইনটা দেখে আসতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আমরা কিছুটা ব্যত্যয় দেখছি। আমরা খুবই মর্মাহত।’
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়ায় কিছু ইতিবাচক সংশোধনের প্রস্তাব এলেও স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত তদন্তের সুযোগ তৈরি হয়নি বলে মনে করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, বিশেষ করে শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে জাতীয়…
রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে কম্পিউটারভিত্তিক ইন্টারলকিং (সিবিআই) সিগন্যাল ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে প্রায় তিন ঘণ্টা ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এ সময় স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় ম্যানুয়াল সিগন্যাল দিয়ে ট্রেন পরিচালনা করতে হয়েছে। এতে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ও ঢাকায় আসা অন্তত….
দৈনিক টার্গেট 





















