সংকট মোকাবিলায় এই মুহূর্তে যা করণীয়

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৩৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক আরও বলছে যে মুদ্রাস্ফীতি হবে ১১ শতাংশের কাছাকাছি। এটা একটা ভয়াবহ তথ্য। এই তথ্য বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যায়, দেশ খাদ্যসংকটের দিকে এগোচ্ছে। ক্ষুধা বাড়বে, ক্রয়ক্ষমতা কমবে; একেবারেই দুর্ভিক্ষ অবস্থা বিরাজ করবে, অর্থনীতির গভীর মন্দা চলে আসবে। এরকম খাদ্যঘাটতি দেখা দিলে ভালো চিন্তা, ভালো কোনো কাজ সামনের দিকে ওগোবে না। ক্ষুধার রাজ্যে তখন পৃথিবী গদ্যময়ই মনে হবে।

খ্রিষ্টীয় চতুর্থ-পঞ্চম শতকের দিকে গুপ্ত যুগে উজ্জয়িনীর রাজা বিক্রমাদিত্যের রাজসভায় নবরত্নের সবচেয়ে গুণী ব্যক্তি বলা হতো কবিকুলগুরু কালিদাসকে। রাজা তাঁকেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন। অন্য সভাসদেরা ঈর্ষান্বিত হন কালিদাসের প্রতি। তাঁরা খুঁজতে লাগলেন কীভাবে কালিদাস রাজার প্রিয় পাত্র হলেন। দেখা গেল, কালিদাসের কোনো পিছুটান নেই, ঘরে শুধু মা আছেন, রাজসভা থেকে বাড়ি গিয়ে যথাসময়ে খাবার পান, চিন্তাভাবনা করার সুযোগ পান। অন্য সভাসদেরা বুদ্ধি করে একদিন কালিদাসের মায়ের কাছে গিয়ে পরিচয় দিয়ে বললেন, মা, আমরা আপনার সন্তানের মতোই একসঙ্গে রাজসভায় কাজ করি, আমাদের একটা উপকার করতে হবে। কালিদাসের মা রাজি হলেন। তাঁরা মাকে শিখিয়ে দিলেন, কালিদাস রাজসভায় যাওয়ার মুহূর্তে বলতে হবে, ‘কালি, চাল বাড়ন্ত’।

মা কথামতো কাজ করলেন। সেদিন রাজসভায় কালিদাস হয়ে গেলেন আনমনা। রাজার বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষণিক কোনো সমাধান দিতে পারছিলেন না। এর মানে, ঘরে খাদ্যসংকট থাকলে ভালো কোনো চিন্তা মাথায় আসে না। তাই সবার আগে দরকার ক্ষুধা নিবারণ, খাদ্যসংকট দূর করা। দেশে যদি খাদ্যের জন্য হাহাকার থাকে, অন্য সব ভালো কাজ মুখ থুবড়ে পড়বে নিঃসন্দেহে।

নভেম্বর থেকে মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে আমনের মৌসুম। আমন ধান কাটা হবে, বাজারে আসবে। এই সময় সাধারণ মানুষ একটু সচ্ছল থাকবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ—ছোটখাটো সাধারণ কৃষক, কৃষি খেতে যেসব শ্রমিক কাজ করেন, তাঁরা সবাই এর সুফল পাবেন।

আমাদের দেশের মোট চাল উৎপাদনের বেশির ভাগ উৎপন্ন হয় আমন ফসল থেকে। বাকিটা আসে বোরো ফসল থেকে। আগের মতো আউস ফসল এখন আর হয় না। অঞ্চলভেদে বোরো ফসলের উৎপাদনের সময় এপ্রিল-মে মাস। কিন্তু এর জন্য চাষাবাদ করতে হবে ডিসেম্বর থেকেই। বোরো ফসলের জন্য যথাসময়ে সেচের দরকার। এর ওপর ভিত্তি করে বোরো উৎপাদন। সঙ্গে দরকার হবে পরিমাণমতো সারের। আমরা শুধু ২২-২৪ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করি। আরও আমদানি করতে হয় টিএসপি ও পটাশ সার। এসব সারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

আমাদের মূল খাদ্যের মধ্যে রয়েছে চাল ও গম। কয়েক বছর আগে আমরা চালে স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিলাম। কিন্তু গত বছরও ৪ থেকে ৮ লাখ টন চাল আমদানি করতে হয়েছে। আমাদের মোট গমের দরকার ৭৫-৭৮ লাখ টন, উৎপাদন করি ১০-১১ লাখ টন, ৬৫-৬৮ লাখ টন গম আমদানি করতে হয়। বর্তমান বাজারব্যবস্থায় আমরা আমেরিকার সঙ্গে যে চুক্তি করেছি, সেই চুক্তি মোতাবেক যদি আমেরিকা থেকে গম আমদানি করতে হয় তাহলে সেই গম বাংলাদেশে আসতে সময় লাগবে কমপক্ষে ৪৫ দিন। সাধারণভাবে আমরা যে দেশ থেকে গম আমদানি করি তা আসতে লাগে ১৫ দিন। এখানে আমেরিকা থেকে আমদানির ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবধান বেশি, সব মিলিয়ে প্রতি টন গমে বেশি দাম দিতে হবে—২৭-৩০ ডলার। প্রতি কেজি গমে খরচ বেশি পড়বে প্রায় তিন টাকা।

অপরদিকে যদি সেচ আর সারের জন্য চালের উৎপাদন না বাড়ে, তাহলে চালও আমদানি করতে হবে। কোথা থেকে চাল আমদানি করতে হবে, এখন থেকেই ঠিক করে রাখতে হবে। কত পরিমাণ চাল দরকার, কত পরিমাণ উৎপাদন করতে হবে, তার পরিসংখ্যান অবশ্যই কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয় আছে। এইসব এখন না করলে প্রয়োজনের সময় খাদ্যপণ্য হাতের কাছে পাওয়া যাবে না।

২০২৫ সালের পুরোটা সময় দেখেছি চালের বস্তার মাঝামাঝি কালো কালি দিয়ে কিছু জায়গায় কী যেন মোছা। বোঝাই যাচ্ছে আগের সরকারের কেনা চাল দিয়ে গত বছরের চাহিদা মেটানো হয়েছে। নিশ্চয়ই সেই চাল এখন আর গোডাউনে নেই। এই সরকারকে বর্তমানে উৎপাদন করে অথবা যথাসময়ে আমদানি করে চাহিদা পূরণ করতে হবে।

নভেম্বর থেকেই দরকার হবে নিয়মিত সেচ। বিরতিহীনভাবে এই সেচ চালিয়ে যেতে হবে মার্চ মাস পর্যন্ত। এখন সেচের যন্ত্র চালিত হয় বিদ্যুৎ দিয়ে। বিদ্যুতের চাহিদা কিন্তু প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুবিধাজনক না। যত সমস্যাই হোক না কেন, সেচব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে হবে। গভীর রাতে যদি বিদ্যুৎ দিয়ে সেচের যন্ত্র চালু রাখতে বলা হয়, সেটা ভালো দিক। কিন্তু এই গভীর রাতে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোর ব্যাটারিও চার্জ করা হয়। এখন যদি সেচের জন্য কৃষিযন্ত্রের বিদ্যুৎ ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকেরা নিয়ে যান, তাহলে কিন্তু হিতে বিপরীত হবে। এখানেই দরকার সরকারের হস্তক্ষেপ।

এই সময় দরকার সঠিক মানুষের কাছে সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা। অর্থাৎ কৃষকের কাছে সার সরবরাহ করা, সেচযন্ত্র চালানোর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়া। সরকার যদি আন্তরিকভাবে দেশের মানুষের খাদ্য সমস্যার সমাধান করা ও সচ্ছল একটি জনগোষ্ঠী গড়তে চায়, তাহলে খাদ্যের নিশ্চয়তাসহ অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বাড়াতেই হবে।

থাপ্পড়টা আসলে কার গালে পড়ল

থাপ্পড়টা আসলে কার গালে পড়ল

টঙ্গীর এক বাবার থাপ্পড়ের ভিডিও ঘিরে দেশ এখন দুই ভাগ। কিন্তু এই বিতর্কে হারিয়ে যাচ্ছে মূল প্রশ্ন—মাদ্রাসায় শিশুর সুরক্ষা দেবে কে?
একজন বাবা দাঁড়িয়ে আছেন। সামনে বসা মানুষটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এই বাবার ছোট্ট মেয়েকে যৌন নিপীড়ন করেছেন। বাবা শুনছেন, চোয়াল শক্ত, চোখ জ্বলছে।

রবীন্দ্রনাথ যেভাবে বেঁচে থাকেন

রবীন্দ্রনাথ যেভাবে বেঁচে থাকেন

রবীন্দ্রনাথের ভবিষ্যৎ বিষয়ে আতঙ্কিত মানুষেরা এই লেখাটি পড়তে পারেন।
আমি যখন সিডনি আসি, তখন হাতে গোনা অল্প কিছু বাংলাদেশি এ দেশে। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, গাড়ি ইত্যাদি জোগাড় করা নিয়ে ব্যস্ত বাঙালির হাতে সময় কোথায় যে শিল্পচর্চা করবে? তারপরও বাঙালির রক্তে-ধমনিতে যে গান, যে কবিতা, যে…

চুক্তির ফলে বাংলাদেশের নীতিগত সার্বভৌমত্ব থাকবে না

চুক্তির ফলে বাংলাদেশের নীতিগত সার্বভৌমত্ব থাকবে না

এনসিটি বা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বর্তমানে সক্ষমতার চেয়ে বেশি সেবা দিয়ে একটি লাভজনক টার্মিনাল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে নতুন অবকাঠামোগত বিনিয়োগের সুযোগও সীমিত; এই অবস্থায় এটি বিদেশি অপারেটরের হাতে তুলে দেওয়ার কারণ কী?

জনপ্রিয় টার্গেট

সংকট মোকাবিলায় এই মুহূর্তে যা করণীয়

প্রকাশ: ০৭:৩৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক আরও বলছে যে মুদ্রাস্ফীতি হবে ১১ শতাংশের কাছাকাছি। এটা একটা ভয়াবহ তথ্য। এই তথ্য বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যায়, দেশ খাদ্যসংকটের দিকে এগোচ্ছে। ক্ষুধা বাড়বে, ক্রয়ক্ষমতা কমবে; একেবারেই দুর্ভিক্ষ অবস্থা বিরাজ করবে, অর্থনীতির গভীর মন্দা চলে আসবে। এরকম খাদ্যঘাটতি দেখা দিলে ভালো চিন্তা, ভালো কোনো কাজ সামনের দিকে ওগোবে না। ক্ষুধার রাজ্যে তখন পৃথিবী গদ্যময়ই মনে হবে।

খ্রিষ্টীয় চতুর্থ-পঞ্চম শতকের দিকে গুপ্ত যুগে উজ্জয়িনীর রাজা বিক্রমাদিত্যের রাজসভায় নবরত্নের সবচেয়ে গুণী ব্যক্তি বলা হতো কবিকুলগুরু কালিদাসকে। রাজা তাঁকেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন। অন্য সভাসদেরা ঈর্ষান্বিত হন কালিদাসের প্রতি। তাঁরা খুঁজতে লাগলেন কীভাবে কালিদাস রাজার প্রিয় পাত্র হলেন। দেখা গেল, কালিদাসের কোনো পিছুটান নেই, ঘরে শুধু মা আছেন, রাজসভা থেকে বাড়ি গিয়ে যথাসময়ে খাবার পান, চিন্তাভাবনা করার সুযোগ পান। অন্য সভাসদেরা বুদ্ধি করে একদিন কালিদাসের মায়ের কাছে গিয়ে পরিচয় দিয়ে বললেন, মা, আমরা আপনার সন্তানের মতোই একসঙ্গে রাজসভায় কাজ করি, আমাদের একটা উপকার করতে হবে। কালিদাসের মা রাজি হলেন। তাঁরা মাকে শিখিয়ে দিলেন, কালিদাস রাজসভায় যাওয়ার মুহূর্তে বলতে হবে, ‘কালি, চাল বাড়ন্ত’।

মা কথামতো কাজ করলেন। সেদিন রাজসভায় কালিদাস হয়ে গেলেন আনমনা। রাজার বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষণিক কোনো সমাধান দিতে পারছিলেন না। এর মানে, ঘরে খাদ্যসংকট থাকলে ভালো কোনো চিন্তা মাথায় আসে না। তাই সবার আগে দরকার ক্ষুধা নিবারণ, খাদ্যসংকট দূর করা। দেশে যদি খাদ্যের জন্য হাহাকার থাকে, অন্য সব ভালো কাজ মুখ থুবড়ে পড়বে নিঃসন্দেহে।

নভেম্বর থেকে মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে আমনের মৌসুম। আমন ধান কাটা হবে, বাজারে আসবে। এই সময় সাধারণ মানুষ একটু সচ্ছল থাকবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ—ছোটখাটো সাধারণ কৃষক, কৃষি খেতে যেসব শ্রমিক কাজ করেন, তাঁরা সবাই এর সুফল পাবেন।

আমাদের দেশের মোট চাল উৎপাদনের বেশির ভাগ উৎপন্ন হয় আমন ফসল থেকে। বাকিটা আসে বোরো ফসল থেকে। আগের মতো আউস ফসল এখন আর হয় না। অঞ্চলভেদে বোরো ফসলের উৎপাদনের সময় এপ্রিল-মে মাস। কিন্তু এর জন্য চাষাবাদ করতে হবে ডিসেম্বর থেকেই। বোরো ফসলের জন্য যথাসময়ে সেচের দরকার। এর ওপর ভিত্তি করে বোরো উৎপাদন। সঙ্গে দরকার হবে পরিমাণমতো সারের। আমরা শুধু ২২-২৪ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করি। আরও আমদানি করতে হয় টিএসপি ও পটাশ সার। এসব সারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

আমাদের মূল খাদ্যের মধ্যে রয়েছে চাল ও গম। কয়েক বছর আগে আমরা চালে স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিলাম। কিন্তু গত বছরও ৪ থেকে ৮ লাখ টন চাল আমদানি করতে হয়েছে। আমাদের মোট গমের দরকার ৭৫-৭৮ লাখ টন, উৎপাদন করি ১০-১১ লাখ টন, ৬৫-৬৮ লাখ টন গম আমদানি করতে হয়। বর্তমান বাজারব্যবস্থায় আমরা আমেরিকার সঙ্গে যে চুক্তি করেছি, সেই চুক্তি মোতাবেক যদি আমেরিকা থেকে গম আমদানি করতে হয় তাহলে সেই গম বাংলাদেশে আসতে সময় লাগবে কমপক্ষে ৪৫ দিন। সাধারণভাবে আমরা যে দেশ থেকে গম আমদানি করি তা আসতে লাগে ১৫ দিন। এখানে আমেরিকা থেকে আমদানির ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবধান বেশি, সব মিলিয়ে প্রতি টন গমে বেশি দাম দিতে হবে—২৭-৩০ ডলার। প্রতি কেজি গমে খরচ বেশি পড়বে প্রায় তিন টাকা।

অপরদিকে যদি সেচ আর সারের জন্য চালের উৎপাদন না বাড়ে, তাহলে চালও আমদানি করতে হবে। কোথা থেকে চাল আমদানি করতে হবে, এখন থেকেই ঠিক করে রাখতে হবে। কত পরিমাণ চাল দরকার, কত পরিমাণ উৎপাদন করতে হবে, তার পরিসংখ্যান অবশ্যই কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয় আছে। এইসব এখন না করলে প্রয়োজনের সময় খাদ্যপণ্য হাতের কাছে পাওয়া যাবে না।

২০২৫ সালের পুরোটা সময় দেখেছি চালের বস্তার মাঝামাঝি কালো কালি দিয়ে কিছু জায়গায় কী যেন মোছা। বোঝাই যাচ্ছে আগের সরকারের কেনা চাল দিয়ে গত বছরের চাহিদা মেটানো হয়েছে। নিশ্চয়ই সেই চাল এখন আর গোডাউনে নেই। এই সরকারকে বর্তমানে উৎপাদন করে অথবা যথাসময়ে আমদানি করে চাহিদা পূরণ করতে হবে।

নভেম্বর থেকেই দরকার হবে নিয়মিত সেচ। বিরতিহীনভাবে এই সেচ চালিয়ে যেতে হবে মার্চ মাস পর্যন্ত। এখন সেচের যন্ত্র চালিত হয় বিদ্যুৎ দিয়ে। বিদ্যুতের চাহিদা কিন্তু প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুবিধাজনক না। যত সমস্যাই হোক না কেন, সেচব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে হবে। গভীর রাতে যদি বিদ্যুৎ দিয়ে সেচের যন্ত্র চালু রাখতে বলা হয়, সেটা ভালো দিক। কিন্তু এই গভীর রাতে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোর ব্যাটারিও চার্জ করা হয়। এখন যদি সেচের জন্য কৃষিযন্ত্রের বিদ্যুৎ ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকেরা নিয়ে যান, তাহলে কিন্তু হিতে বিপরীত হবে। এখানেই দরকার সরকারের হস্তক্ষেপ।

এই সময় দরকার সঠিক মানুষের কাছে সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা। অর্থাৎ কৃষকের কাছে সার সরবরাহ করা, সেচযন্ত্র চালানোর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়া। সরকার যদি আন্তরিকভাবে দেশের মানুষের খাদ্য সমস্যার সমাধান করা ও সচ্ছল একটি জনগোষ্ঠী গড়তে চায়, তাহলে খাদ্যের নিশ্চয়তাসহ অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বাড়াতেই হবে।

থাপ্পড়টা আসলে কার গালে পড়ল

থাপ্পড়টা আসলে কার গালে পড়ল

টঙ্গীর এক বাবার থাপ্পড়ের ভিডিও ঘিরে দেশ এখন দুই ভাগ। কিন্তু এই বিতর্কে হারিয়ে যাচ্ছে মূল প্রশ্ন—মাদ্রাসায় শিশুর সুরক্ষা দেবে কে?
একজন বাবা দাঁড়িয়ে আছেন। সামনে বসা মানুষটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এই বাবার ছোট্ট মেয়েকে যৌন নিপীড়ন করেছেন। বাবা শুনছেন, চোয়াল শক্ত, চোখ জ্বলছে।

রবীন্দ্রনাথ যেভাবে বেঁচে থাকেন

রবীন্দ্রনাথ যেভাবে বেঁচে থাকেন

রবীন্দ্রনাথের ভবিষ্যৎ বিষয়ে আতঙ্কিত মানুষেরা এই লেখাটি পড়তে পারেন।
আমি যখন সিডনি আসি, তখন হাতে গোনা অল্প কিছু বাংলাদেশি এ দেশে। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, গাড়ি ইত্যাদি জোগাড় করা নিয়ে ব্যস্ত বাঙালির হাতে সময় কোথায় যে শিল্পচর্চা করবে? তারপরও বাঙালির রক্তে-ধমনিতে যে গান, যে কবিতা, যে…

চুক্তির ফলে বাংলাদেশের নীতিগত সার্বভৌমত্ব থাকবে না

চুক্তির ফলে বাংলাদেশের নীতিগত সার্বভৌমত্ব থাকবে না

এনসিটি বা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বর্তমানে সক্ষমতার চেয়ে বেশি সেবা দিয়ে একটি লাভজনক টার্মিনাল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে নতুন অবকাঠামোগত বিনিয়োগের সুযোগও সীমিত; এই অবস্থায় এটি বিদেশি অপারেটরের হাতে তুলে দেওয়ার কারণ কী?