প্রযুক্তিবিশ্বে যে উদ্যোগগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৫৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত হয়েছে

অডিওমেশনের বিকল্প হিসেবে গড়ে ওঠা রিলে টুলটি বড় প্ল্যাটফর্মগুলোর কারণে টিকতে পারেনি। ফলে চলতি বছরের আগস্টে এটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একইভাবে চ্যাটবট প্ল্যাটফর্ম ক্যারেক্টার ডট এআই মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় দেউলিয়া ঘোষণা হয়। ২০২১ সালে গুগলের সাবেক গবেষক নোম শাজের এবং ড্যানিয়েল ডি ফ্রেইটাস প্ল্যাটফর্মটি প্রতিষ্ঠা করেন। ব্যবহারকারীরা এতে নিজেদের পছন্দমতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চরিত্র বা বট তৈরি করে গল্প বা রোল-প্লে করতে পারত। আইনি জটিলতা, বিতর্ক এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতাদের গুগলে ফিরে যাওয়ার পর নানা সংকটে পড়ে কোম্পানিটি। মজার বিষয় হলো, বর্তমানে ডিজনি মাত্র ২০ মিলিয়ন ডলারে এর মেধা সম্পদ ক্রয়ের প্রাথমিক দরদাতা হিসেবে রয়েছে।

এআই হার্ডওয়্যারের বাজারে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা ছিল হিউম্যান এআই পিন। ব্যাটারিতে আগুন লাগার ঝুঁকিসহ নানা পারফরম্যান্স সংকটের কারণে ডিভাইসটি বন্ধ হয়ে যায় এবং এর সম্পদ এইচপির কাছে বিক্রি করতে হয়। আরেকটি হাইপড ডিভাইস র‍্যাবিট আরওয়ান অসম্পূর্ণ কার্যকারিতার কারণে সমালোচনার মুখে পড়ে। এ ছাড়া গুগলের নোটবুকএলএমের সাবেক ডেভেলপারদের তৈরি এআই অডিও অ্যাপ হুক্স, শত শত মডেলের তুলনামূলক প্ল্যাটফর্ম ইয়াপ এবং জনপ্রিয় রোল-প্লে অ্যাপ ফিগস এআই পর্যাপ্ত বাজার বা তহবিলের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে প্রমাণিত হয়, শুধু এআই প্রযুক্তির আধিক্যই সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় না। আসলে বাস্তবমুখী উপযোগিতা ও ব্যবহারকারীর আস্থাই টিকে থাকার মূল চাবিকাঠি।

এআই-এর নামে ক্ষমতাবানদের সমাজ নিয়ন্ত্রণের ধান্দা: এআই গডফাদার

এআই-এর নামে ক্ষমতাবানদের সমাজ নিয়ন্ত্রণের ধান্দা: এআই গডফাদার

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত ও বয়সের ভারে ন্যুব্জ অপরাধী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ‘গডফাদার’ বা জনক হিসেবে পরিচিত জিওফ্রে হিন্টন। তিনি বলেছেন, ‘সুপারইন্টেলিজেন্স’ শব্দটির প্রতি ট্রাম্পের মাত্রাতিরিক্ত ঝোঁক প্রমাণ করে যে, তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা

জনপ্রিয় টার্গেট

প্রযুক্তিবিশ্বে যে উদ্যোগগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে

প্রকাশ: ০৭:৫৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

অডিওমেশনের বিকল্প হিসেবে গড়ে ওঠা রিলে টুলটি বড় প্ল্যাটফর্মগুলোর কারণে টিকতে পারেনি। ফলে চলতি বছরের আগস্টে এটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একইভাবে চ্যাটবট প্ল্যাটফর্ম ক্যারেক্টার ডট এআই মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় দেউলিয়া ঘোষণা হয়। ২০২১ সালে গুগলের সাবেক গবেষক নোম শাজের এবং ড্যানিয়েল ডি ফ্রেইটাস প্ল্যাটফর্মটি প্রতিষ্ঠা করেন। ব্যবহারকারীরা এতে নিজেদের পছন্দমতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চরিত্র বা বট তৈরি করে গল্প বা রোল-প্লে করতে পারত। আইনি জটিলতা, বিতর্ক এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতাদের গুগলে ফিরে যাওয়ার পর নানা সংকটে পড়ে কোম্পানিটি। মজার বিষয় হলো, বর্তমানে ডিজনি মাত্র ২০ মিলিয়ন ডলারে এর মেধা সম্পদ ক্রয়ের প্রাথমিক দরদাতা হিসেবে রয়েছে।

এআই হার্ডওয়্যারের বাজারে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা ছিল হিউম্যান এআই পিন। ব্যাটারিতে আগুন লাগার ঝুঁকিসহ নানা পারফরম্যান্স সংকটের কারণে ডিভাইসটি বন্ধ হয়ে যায় এবং এর সম্পদ এইচপির কাছে বিক্রি করতে হয়। আরেকটি হাইপড ডিভাইস র‍্যাবিট আরওয়ান অসম্পূর্ণ কার্যকারিতার কারণে সমালোচনার মুখে পড়ে। এ ছাড়া গুগলের নোটবুকএলএমের সাবেক ডেভেলপারদের তৈরি এআই অডিও অ্যাপ হুক্স, শত শত মডেলের তুলনামূলক প্ল্যাটফর্ম ইয়াপ এবং জনপ্রিয় রোল-প্লে অ্যাপ ফিগস এআই পর্যাপ্ত বাজার বা তহবিলের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে প্রমাণিত হয়, শুধু এআই প্রযুক্তির আধিক্যই সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় না। আসলে বাস্তবমুখী উপযোগিতা ও ব্যবহারকারীর আস্থাই টিকে থাকার মূল চাবিকাঠি।

এআই-এর নামে ক্ষমতাবানদের সমাজ নিয়ন্ত্রণের ধান্দা: এআই গডফাদার

এআই-এর নামে ক্ষমতাবানদের সমাজ নিয়ন্ত্রণের ধান্দা: এআই গডফাদার

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত ও বয়সের ভারে ন্যুব্জ অপরাধী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ‘গডফাদার’ বা জনক হিসেবে পরিচিত জিওফ্রে হিন্টন। তিনি বলেছেন, ‘সুপারইন্টেলিজেন্স’ শব্দটির প্রতি ট্রাম্পের মাত্রাতিরিক্ত ঝোঁক প্রমাণ করে যে, তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা