কেউ বলছেন, যন্ত্রের সঙ্গেও ভালো আচরণ করা উচিত। আবার অনেকের মতে, এগুলো সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও বিপজ্জনক। এআইয়ের এই ‘চেতনা ও অধিকার’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে এখন শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। গবেষকদের একটি অংশ মনে করে, এআইয়ের সম্ভাব্য চেতনা বা অনুভূতির বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। নৈতিকতার খাতিরে এর কল্যাণ নিশ্চিত করা দরকার। তবে মাইক্রোসফটের এআই প্রধান মুস্তফা সুলেমানসহ অনেকে এই ধারণার তীব্র বিরোধিতা করে সতর্ক করেছেন, এআইকে সচেতন বা অনুভূতিসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করা হলে তা মানবসভ্যতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এটি একদিকে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি এড়াতে সাহায্য করতে পারে, অন্যদিকে মানুষের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে, এআইয়ের চেতনা ও অধিকারের এই বিতর্ক প্রযুক্তিজগতের ভবিষ্যৎ এবং মানুষের সঙ্গে যন্ত্রের সহাবস্থানকে নতুন এক জটিল মোড়ে দাঁড় করিয়েছে।

দৈনিক টার্গেট 
























