রেল খাতকে লাভজনক করতে মালবাহী ক্যারেজ বাড়ানোর সুপারিশ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬৫ বার পঠিত হয়েছে
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বাড়াতে যাত্রীবাহী ক্যারেজের তুলনায় মালবাহী ক্যারেজের সংখ্যা বাড়ানো। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কার্গো রপ্তানির মাধ্যমে রেলের আয় বাড়ানো এবং রেল খাতকে লোকসান থেকে লাভজনক খাতে উন্নীত করার সুপারিশ করেছে কমিটি।

আজ রোববার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন সুপারিশ করা হয়। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বাড়াতে যাত্রীবাহী ক্যারেজের তুলনায় মালবাহী ক্যারেজ বাড়ানোর জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয় কমিটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কার্গো রপ্তানির মাধ্যমে রেলের আয় বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। রেল খাতকে লোকসান থেকে লাভজনক খাতে উন্নীত করার জন্যও পরামর্শ দেওয়া হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিদ্যমান ডিজিটাল সেবা, নির্দিষ্ট স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী লোকোমোটিভ তৈরি ও সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ, ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে মন্ত্রণালয়ের নেওয়া পদক্ষেপ এবং প্রস্তাবিত পঞ্চগড়-কক্সবাজার রেলপথের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়।

কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগারের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, আব্দুল মহিত তালুকদার, ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো, মো. আবু সাইদ চাঁদ, মো. রবিউল আওয়াল, মিজানুর রহমান, মুহাম্মদ আজীজুর রহমান এবং গোলাম রব্বানী।

প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতন হলেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানের আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র ধর্মঘটে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ৬৪ বছর পরও তাঁকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য দাবি জানাতে হচ্ছে

বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৩০টি অর্থনীতির একটি হতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম গতিশীল অর্থনীতি এবং দেশটি তার উন্নয়নযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নগরগুলো শুধু নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন মানুষের বসবাসের স্থান নয়। বিশ্বজুড়েই নগরগুলো কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তাই পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।

জনপ্রিয় টার্গেট

কিশোরগঞ্জ: হাওরে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব

রেল খাতকে লাভজনক করতে মালবাহী ক্যারেজ বাড়ানোর সুপারিশ

প্রকাশ: ১২:০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বাড়াতে যাত্রীবাহী ক্যারেজের তুলনায় মালবাহী ক্যারেজের সংখ্যা বাড়ানো। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কার্গো রপ্তানির মাধ্যমে রেলের আয় বাড়ানো এবং রেল খাতকে লোকসান থেকে লাভজনক খাতে উন্নীত করার সুপারিশ করেছে কমিটি।

আজ রোববার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন সুপারিশ করা হয়। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বাড়াতে যাত্রীবাহী ক্যারেজের তুলনায় মালবাহী ক্যারেজ বাড়ানোর জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয় কমিটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কার্গো রপ্তানির মাধ্যমে রেলের আয় বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। রেল খাতকে লোকসান থেকে লাভজনক খাতে উন্নীত করার জন্যও পরামর্শ দেওয়া হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিদ্যমান ডিজিটাল সেবা, নির্দিষ্ট স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী লোকোমোটিভ তৈরি ও সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ, ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে মন্ত্রণালয়ের নেওয়া পদক্ষেপ এবং প্রস্তাবিত পঞ্চগড়-কক্সবাজার রেলপথের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়।

কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগারের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, আব্দুল মহিত তালুকদার, ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো, মো. আবু সাইদ চাঁদ, মো. রবিউল আওয়াল, মিজানুর রহমান, মুহাম্মদ আজীজুর রহমান এবং গোলাম রব্বানী।

প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতন হলেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানের আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র ধর্মঘটে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ৬৪ বছর পরও তাঁকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য দাবি জানাতে হচ্ছে

বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৩০টি অর্থনীতির একটি হতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম গতিশীল অর্থনীতি এবং দেশটি তার উন্নয়নযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নগরগুলো শুধু নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন মানুষের বসবাসের স্থান নয়। বিশ্বজুড়েই নগরগুলো কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তাই পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।