আইন অধ্যয়নের মূল সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে এর বিশ্লেষণাত্মক প্রক্রিয়ার মধ্যে। এটি একজন শিক্ষার্থীকে অন্ধভাবে তথ্য মুখস্থ করতে শেখায় না, বরং ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শেখায়। আইনের পাঠ গ্রহণকালে একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে স্বাধীন ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা গড়ে ওঠে, যা তাঁকে যেকোনো জটিল পরিস্থিতির পেছনের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণ বিশ্লেষণ করতে সক্ষম করে তোলে। এর পাশাপাশি সঠিক যুক্তিকাঠামো গঠন, লিখিত ও মৌখিক প্রকাশভঙ্গি তীক্ষ্ণ করা এবং তথ্য পর্যালোচনা করে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর দক্ষতা অর্জিত হয়। আইনের মূল ভিত্তি যেহেতু ন্যায়বিচার, তাই মানবাধিকার, বৈষম্যহীনতা ও নীতিশাস্ত্রের গভীর দর্শন আইন শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে দায়িত্বশীল ও সহানুভূতিশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।
প্রযুক্তির দ্রুতগামী অগ্রগতির এই যুগে বহু পেশা অটোমেশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে ঝুঁকিতে থাকলেও, আইন পেশায় এর প্রভাব তেমন পড়বে না। কারণ মানুষের সূক্ষ্ম আবেগ, নৈতিক বিচারবোধ, জটিল সামাজিক দ্বন্দ্ব নিরসন এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এআই ও অটোমেশনের যুগেও আইন পেশায় মানবিক বিচারবোধ, নৈতিক বিবেচনা ও জটিল সিদ্ধান্ত গ্রহণের গুরুত্ব থাকবে। ফলে আইন একটি দীর্ঘমেয়াদি, সময়োপযোগী ও ক্রমবর্ধমান টেকসই পেশা।
গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। ১১ শিক্ষা বোর্ডের গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণ আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে শুরু হবে। এর আগে ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এসএসসির নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করতে হবে।
বর্তমানে সারা দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন আছেন প্রায় ৪ লাখ, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে ২ লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন আছেন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী।
দৈনিক টার্গেট 























