সরেজমিন দেখা যায়, নির্মাণাধীন শ্রীপুর বাইপাস সড়কের বিভিন্ন অংশে রাস্তার মাঝখানেই দাঁড়িয়ে রয়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি। কোথাও কোথাও সড়কের আংশিক কাজ শেষ হলেও খুঁটি অপসারণ না হওয়ায় পুরো কাজ শেষ করা যাচ্ছে না।
সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সড়ক প্রশস্তকরণের স্বার্থে খুঁটি স্থানান্তরের জন্য গত জুনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থ পরিশোধ করা হয়। এর মধ্যে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডকে (ওজোপাডিকো) প্রায় ১৫ লাখ টাকা এবং মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে প্রায় ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।
সড়ক দিয়ে নিয়মিত চলাচলকারী স্থানীয় বাসিন্দা জান্নাত সুলতানা বলেন, ‘সড়কের উন্নয়ন প্রকল্পের সব প্রস্তুতি শেষ, অথচ রাস্তার মাঝখানে খুঁটির কারণে কাজ আটকে আছে। এই রাস্তা দিয়ে রাতে চলাচল করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।’
তবে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, ওই সড়কে বর্তমানে তাঁদের মালিকানাধীন কোনো খুঁটি নেই। ১০টি পোল সরানোর কাজে মোট ৪ লাখ ২৩ হাজার ৬৮৫ টাকা ব্যয় হয়েছে এবং সেগুলো আগেই অপসারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ঘোষ বলেন, প্রয়োজনীয় মালামালের বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং সেগুলো সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এখনো দরপত্র আহ্বান করা সম্ভব হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী দরপত্র আহ্বানের পরই খুঁটি অপসারণের মূল কাজ শুরু হবে।
মাগুরা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কায়সার হামিদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গত জুনেই ওজোপাডিকোকে টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু এত দিন পার হলেও তারা কোনো দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দেয়নি। সড়কের মাঝ থেকে পোল না সরানোয় আমাদের ঠিকাদারি কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং পুরো প্রকল্পের বাস্তবায়ন পিছিয়ে যাচ্ছে।’
আয়োজকেরা জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে নূরজাহান হোটেলের পূর্ব দিকে বিস্তৃত এলাকায় পথসভার আয়োজন করা হয়েছে। সমাবেশস্থলের পশ্চিম পাশে পূর্বমুখী করে মঞ্চ নির্মাণ করা হচ্ছে। সাংবাদিকদের জন্য পৃথক বসার ব্যবস্থা এবং ভিডিও ও ক্যামেরাম্যানদের জন্য আলাদা স্টেজ থাকবে।
গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের মাঝিপাড়া এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও ওষুধবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাইক্রোবাসচালক মাসুদ রানা (৩৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসে থাকা মো. সানি নামে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
দৈনিক টার্গেট 





















