মো. সেলিম মাঝি ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি উপজেলার গজারিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিতে সেলিম মাঝি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। আলোচনা চলাকালে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সেলিম মাঝির আকস্মিক মৃত্যুতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। সহকর্মী ও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ববিষয়ক সম্পাদক লায়ন হারুনুর রশিদ সেলিম মাঝির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। মরহুমের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা তাঁর পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করব।’
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে সেতুর নিচের পানিতে দুটি বস্তা ভাসতে দেখা যায়। এরপর সেগুলোতে মরদেহ রয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই সেতুর ওপর হাজারো উৎসুক মানুষ জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
আজ চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে বিপিএসসি সচিবালয়ে গেলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় রিপনের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারা ও মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির চেহারা মিলিয়ে দেখা হয়। এতে তাঁর পরিচয় নিয়ে গুরুতর অসংগতি ধরা পড়ে।
বরগুনার পাথরঘাটায় পারিবারিক বিরোধের জেরে পিয়ারা বেগম (৬২) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দেবরের ছেলে মো. আল আমিনের (৩৬) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আল আমিন পলাতক রয়েছেন।
দৈনিক টার্গেট 
























