বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান।
নদীপারের বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র নৌকা ও যন্ত্রের মাধ্যমে তিস্তার বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে পাথর তুলে আসছিলেন। ফলে নদীর তলদেশে বিপজ্জনক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, ‘অভিযানকালে পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত নৌকা ও খননযন্ত্রগুলো ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়েছে। পাথর উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন রংপুর বিজিবির মেজর জুলকার নাঈন ও ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে সেতুর নিচের পানিতে দুটি বস্তা ভাসতে দেখা যায়। এরপর সেগুলোতে মরদেহ রয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই সেতুর ওপর হাজারো উৎসুক মানুষ জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
আজ চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে বিপিএসসি সচিবালয়ে গেলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় রিপনের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারা ও মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির চেহারা মিলিয়ে দেখা হয়। এতে তাঁর পরিচয় নিয়ে গুরুতর অসংগতি ধরা পড়ে।
বরগুনার পাথরঘাটায় পারিবারিক বিরোধের জেরে পিয়ারা বেগম (৬২) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দেবরের ছেলে মো. আল আমিনের (৩৬) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আল আমিন পলাতক রয়েছেন।
দৈনিক টার্গেট 




















