আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য কৌশলগত কর্ম পরিকল্পনাবিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, চীনের প্রাচীন মেডিকেল এনসাইক্লোপিডিয়ায় ২৬৫ খ্রিস্টাব্দে ডেঙ্গুর উল্লেখ পাওয়া যায়। ২৬৫ থেকে প্রায় ৪৬০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই রোগের বিস্তারিত বিবরণও সেখানে রয়েছে। তাই ডেঙ্গু কোনো সাম্প্রতিক রোগ নয়; দীর্ঘ ইতিহাসের মধ্য দিয়ে এটি বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তার লাভ করেছে।
ডেঙ্গুর পুরোনো নাম ‘ব্রেকবোন ফিভার’ উল্লেখ করে আবদুল মঈন খান বলেন, এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির জয়েন্টে তীব্র ব্যথা ও শরীর শক্ত হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিত। প্রাচীনকালে রোগের বৈজ্ঞানিক কারণ সম্পর্কে ধারণা না থাকায় অনেক মানুষ এটিকে অপদেবতা বা ভূতের প্রভাব বলেও মনে করত।
চলতি বছরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কম। তবে এতে আত্মতুষ্ট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ডেঙ্গুর পিক পিরিয়ড। এমনকি নভেম্বর পর্যন্তও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক থাকতে পারে। তাই এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে প্রতিরোধে জোর দিতে হবে। ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ অর্থাৎ রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে আগে থেকেই প্রতিরোধ করা বেশি কার্যকর।
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান, কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার এবং প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, দল না থাকলে পদের কোনো দাম নেই। শৃঙ্খলা না থাকলে কোনো সংগঠন সামনে এগোতে পারে না উল্লেখ করে তিনি দলের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
দৈনিক টার্গেট 

























