গ্যাস সেবায় নতুন নির্দেশনা জারি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:১৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৪ বার পঠিত হয়েছে

গ্রাহকসেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন দিকনির্দেশনা জারি করেছে সরকার। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সরকার বলছে, দেশে গ্যাসের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সেবাকে আরও দক্ষ, সময়োপযোগী এবং গ্রাহকবান্ধব করতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পর্যালোচনা করে নতুন এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো-গ্যাস সরঞ্জামের অনুমোদিত লোড অপরিবর্তিত রেখে পুনর্বিন্যাস বা প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে আর গ্যাস বিতরণ কোম্পানির অনুমতির প্রয়োজন হবে না। তবে এ ধরনের কাজ অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কোম্পানির তালিকাভুক্ত ঠিকাদারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

এছাড়া একই মালিকানাধীন এবং একই প্রাঙ্গণে অবস্থিত একাধিক শিল্প ইউনিটের ক্ষেত্রে অব্যবহৃত গ্যাস লোড স্থানান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা আঞ্চলিক প্রধানের অনুমোদন নিতে হবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো—ক্যাপটিভ পাওয়ার হিসেবে ব্যবহৃত গ্যাস লোড প্রয়োজনে শিল্প খাতে স্থানান্তর করা যাবে। তবে শিল্প খাতে ব্যবহৃত গ্যাস কোনো অবস্থাতেই ক্যাপটিভ পাওয়ার খাতে নেওয়া যাবে না, যা গ্যাস ব্যবহারের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মিটার স্থাপনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্যাস মিটার স্থাপনের সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিতরণ ও বিপণন কোম্পানিকে এর গুণগত মান যাচাই করতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে শিল্পখাতসহ সাধারণ গ্রাহকরা গ্যাস সেবায় আরও স্বচ্ছতা ও দ্রুততা পাবেন। একই সঙ্গে প্রশাসনিক জটিলতা কমে এসে সামগ্রিক সেবা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

জনপ্রিয় টার্গেট

গ্যাস সেবায় নতুন নির্দেশনা জারি

প্রকাশ: ১১:১৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

গ্রাহকসেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন দিকনির্দেশনা জারি করেছে সরকার। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সরকার বলছে, দেশে গ্যাসের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সেবাকে আরও দক্ষ, সময়োপযোগী এবং গ্রাহকবান্ধব করতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পর্যালোচনা করে নতুন এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো-গ্যাস সরঞ্জামের অনুমোদিত লোড অপরিবর্তিত রেখে পুনর্বিন্যাস বা প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে আর গ্যাস বিতরণ কোম্পানির অনুমতির প্রয়োজন হবে না। তবে এ ধরনের কাজ অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কোম্পানির তালিকাভুক্ত ঠিকাদারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

এছাড়া একই মালিকানাধীন এবং একই প্রাঙ্গণে অবস্থিত একাধিক শিল্প ইউনিটের ক্ষেত্রে অব্যবহৃত গ্যাস লোড স্থানান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা আঞ্চলিক প্রধানের অনুমোদন নিতে হবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো—ক্যাপটিভ পাওয়ার হিসেবে ব্যবহৃত গ্যাস লোড প্রয়োজনে শিল্প খাতে স্থানান্তর করা যাবে। তবে শিল্প খাতে ব্যবহৃত গ্যাস কোনো অবস্থাতেই ক্যাপটিভ পাওয়ার খাতে নেওয়া যাবে না, যা গ্যাস ব্যবহারের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মিটার স্থাপনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্যাস মিটার স্থাপনের সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিতরণ ও বিপণন কোম্পানিকে এর গুণগত মান যাচাই করতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে শিল্পখাতসহ সাধারণ গ্রাহকরা গ্যাস সেবায় আরও স্বচ্ছতা ও দ্রুততা পাবেন। একই সঙ্গে প্রশাসনিক জটিলতা কমে এসে সামগ্রিক সেবা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।