গতকাল সোমবার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাঁধন জানান, বিদেশের মাটিতে হামলার শিকার হওয়ার পর ভেনিসে থাকা তাঁর সিনেমার টিম পাশে দাঁড়ানোর বদলে উল্টো তাঁকে বর্জন করেছে।
টিমের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘হামলার শিকার হওয়ার পর ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ডিরেক্টর আমাকে সাপোর্ট করেছেন, ইতালির সরকার আমাকে সাপোর্ট করেছে। আমাদের দেশের সরকার সাপোর্ট করেছে। কিন্তু আমার যে টিম, তারা আমাকে ডিজওন করেছে। ফেস্টিভ্যালের বাকি দিনগুলোতে তারা আমাকে তাদের সঙ্গে অংশ নিতে নিষেধ করেছে। পরবর্তী সময়ে টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও আমার যাওয়ার কথা ছিল, তারা আমাকে সেখানেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।’
তবে পুরো টিম মুখ ফিরিয়ে নিলেও সহকর্মীদের মধ্যে সুনেরাহ, জায়নিন ও জায়নিনের মা তাঁকে এই দুঃসময়ে সহযোগিতা করেছেন বলে জানান বাঁধন।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত সপ্তাহে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের ৮৩তম আসরে। উৎসবে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। প্রিমিয়ার শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মেস্ত্রে শহরে ঘুরতে বের হলে হামলার মুখে পড়েন বাঁধন। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের প্রবাসী কিছু কর্মী তাঁর ওপর হামলা চালায়।
বিদেশের মাটিতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বর্বরতা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে উল্লেখ করে বাঁধন বলেন, ‘প্রবাসী ভাইয়েরা আমার সঙ্গে বর্বরতা করেছে এবং আমাকে খুবই জঘন্যভাবে আক্রমণ করেছে। এটার কারণে আমাদের দেশের নাম বিদেশের মাটিতে কিন্তু ক্ষুণ্নই হলো। বিদেশিরা ভাববে, আমরা হয়তো জাতিগতভাবে সারাক্ষণ মারামারি করি।’ দলকানা না হয়ে প্রবাসীদের এমন অন্যায়ের পথ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানান এই অভিনেত্রী।
সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে চারপাশে এখন ভাইরালের ছড়াছড়ি। ভালো কাজ করে যেমন অনেকে আলোচিত হচ্ছেন, তেমনি ভাইরাল হওয়ার নেশায় অনেকে বিবেকবোধ বিসর্জন দিয়ে নানা ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সমাজে।
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হয়েছে তাঁদের কাজ, জিতেছে বড় পুরস্কারও। কিন্তু নিজেদের দেশেই চরম রাজনৈতিক রোষ ও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন দুই ভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতারা। তাঁরা হলেন গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের…
গত বছর পৃথক কনসার্টে অংশ নিতে ঢাকায় আসার কথা ছিল পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আলী আজমত, মুস্তাফা জাহিদ ও জাল ব্যান্ডের। তবে অনুমতি জটিলতায় শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায় সেসব আয়োজন। বছর ঘুরতেই আবার তাঁদের নিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে কনসার্ট।
দৈনিক টার্গেট 






















