আটক ব্যক্তিরা হলেন—মো. নাসির মোল্লা (৪০), সোহাগ শেখ (২৪) ও মো. হাছান মিয়া (২৩)।
এপিবিএন জানায়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে বিমানবন্দরের গোলচত্বরসংলগ্ন উত্তর পাশের ফুটপাতে তিনজনকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁরা পালানোর চেষ্টা করলে এপিবিএনের সদস্যরা তাঁদের আটক করেন।
পরে তাঁদের শরীর তল্লাশি করে মোট ৮৬১ দশমিক ৮ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের মধ্যে ২১ ও ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ রয়েছে। স্বর্ণের মোট মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮৬ হাজার ১৬০ টাকা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশে আনা হয়েছে। পুলিশ বলছে, আটক তিনজন দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দর এলাকায় স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি)/২৫-ডি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এপিবিএন জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে এবং অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় অবৈধভাবে স্বর্ণ দেশে এনে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন। এর মাধ্যমে সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের চেষ্টা করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এপিবিএন আপসহীন। চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তাঁদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে এপিবিএন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
সাজু মিয়ার বাড়ির কাছে সাড়ে ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন তাঁর মামা মাহাবুবুল ইসলাম। ইতিমধ্যে ওই জমির নামজারিও তাঁর নামে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ওই জমির ওপর নজর পড়ে ভাগ্নে সাজু মিয়ার। তিনি জমিটি ক্রয় করার জন্য মাহাবুবুল ইসলামের কাছে প্রস্তাব দেন। কিন্তু মাহাবুবুল জমি বিক্রি করতে অসম্মতি জানালে ক্ষুব্ধ হন সাজু
রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেছেন। এ সময় সেখান থেকে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিশ।
রাজশাহীতে পদ্মার পানি বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হলেও পানি বাড়ছে। উজানের ঢলে দক্ষিণ পাড়ের চরখিদিরপুর ও খানপুরসহ বিভিন্ন চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অনেক পরিবার পানিবন্দী, এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।
দৈনিক টার্গেট 




















