রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে তিনি মারা যান।
ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, গত ২৮ অক্টোবর কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল থেকে দগ্ধ অবস্থায় কেইস্টিন ভার বুনাগকে বার্ন ইউনিটে আনা হয়। তখন জানা যায়, ওই দিন সকাল ৭টার দিকে বনানী এলাকায় বাসায় গ্যাসের চুলা জ্বালানোর সময় তিনি আগুনে দগ্ধ হন। তাঁর শরীরের প্রায় ৬৩ শতাংশ পুড়ে যায়। পাশাপাশি তার শ্বাসনালিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও জানান, ভর্তির পর থেকেই কেইস্টিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তবে গত রাতে তিনি মারা গেছেন।
কেইস্টিন ভার বুনাগের পরিচিতরা জানান, গত ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি। ২৮ তারিখ থেকে থাকতে শুরু করেন বনানীর ৭ নম্বর রোডের ৬৬ নম্বর বাসার বি/১ নম্বর ফ্ল্যাটে। ওই দিনই রান্না করার জন্য সিলিন্ডারের গ্যাসের চুলায় আগুন ধরাতে যান। এ সময় হঠাৎ আগুন ধরে দগ্ধ হন তিনি। উদ্ধার করে প্রথমে গুলশান কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বার্ন ইনস্টিটিউটের ভর্তি করানো হয়।

দৈনিক টার্গেট 























