ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল নিষ্পত্তি করে আজ রোববার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার বেঞ্চ এ রায় দেন। আসামিদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, আইনজীবী মো. জাহাঙ্গীর আলম ও কে এম এ আল ফাহাদ বিন সগীর।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, আব্দুল আলীম শিল্প পুলিশে কর্মরত অবস্থায় ২০১১ সালের ৬ মে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ফলিয়ারঘোনা গ্রামের সুলতান আহমেদের মেয়ে সুমি আক্তারকে বিয়ে করেন। সুমির বাবা তিন লাখ টাকা যৌতুক দিলেও দুই লাখ টাকা বাকি রাখা হয়। ওই টাকার জন্য প্রায়ই সুমিকে নির্যাতন করা হতো। ২০১২ সালের ২০ এপ্রিল ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে আলীম স্ত্রীকে ঢাকার তুরাগ থানার বেড়িবাঁধ এলাকায় নিয়ে শামীম আল মামুনের সহায়তায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন।
এ ঘটনায় সুমির মা টাঙ্গাইল থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আব্দুল আলীম গ্রেপ্তার হওয়ার পর স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে আব্দুল আলীম কনস্টেবল পদ থেকে বরখাস্ত হন। বিচার শেষে ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা আপিল করেন।
নারায়ণগঞ্জ শহরে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে একটি মার্কেটের দোকান মালিক সমিতির সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুর বিরুদ্ধে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গার্মেন্টস কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন শুভ্র হত্যা মামলায় ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ২ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
দৈনিক টার্গেট 




















