নিহত আকতার হাওলাদার হিজলার মেমানিয়া ইউনিয়নের সুলতান হাওলাদারের ছেলে। চার মেয়ে ও দুই ছেলের বাবা ছিলেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী জেলে মো. আব্দুল ব্যাপারী জানান, তাঁরা গভীর সাগরে মাছ ধরেন। প্রতিবছর নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার এক দিন আগে প্রশাসনের কার্যক্রম কিছুটা শিথিল থাকে। এ সুযোগে গত বুধবার দিবাগত ভোররাতে তাঁরা ১৩ জন একটি ট্রলারে করে মেঘনায় মাছ ধরছিলেন। হঠাৎ নৌ পুলিশের একটি বোট এসে তাঁদের ওপর গুলি চালায়। এ সময় সবাই শুয়ে পড়লেও গুলিতে আকতার ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
আজ সন্ধ্যায় আবদুল ব্যাপারী জানান, সরকারি ছুটির কারণে আকতারের মরদেহের ময়নাতদন্ত করতে দেরি হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে রাত ৮টার দিকে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। মামলার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান হোসেন জানিয়েছিলেন, আকতার হাওলাদারের বুকে গুলির দাগ রয়েছে। তবে কোন পক্ষের গুলিতে তিনি নিহত হয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে নৌ পুলিশের বরিশাল অঞ্চলের পুলিশ সুপার এস এম নাজমুল হক বিশ্বাস জানান, গতকাল তাঁর আওতাধীন নৌ পুলিশের কোনো ইউনিট হিজলার মেঘনা নদীতে অভিযান চালায়নি। এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

দৈনিক টার্গেট 




















