মাদক কারবারে বাধার জেরে হামলা, হাসপাতালে সাবেক যুবদল নেতার মৃত্যু

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৯ বার পঠিত হয়েছে

নিহত রাজা মিয়া (৪০) নগরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্টপুর এলাকার মমরোজ মিয়ার ছেলে। তিনি মহানগর যুবদলের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার মাদক কারবারে নিষেধ করা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে রাজা মিয়ার ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার তাঁর স্ত্রীর করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সকালে কৃষ্টপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে রাজা মিয়ার ওপর হামলা চালায় কবিরের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল। এ সময় কবির শাবল দিয়ে রাজা মিয়ার মাথায় আঘাত করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে মমেক হাসপাতালে নিয়ে যান।

পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে শয্যা না থাকায় তাঁকে আবার মমেক হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হয়। আজ বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

হামলার ঘটনায় গতকাল রাতে রাজা মিয়ার স্ত্রী জোসনা আক্তার বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে মামলার প্রধান আসামি কবির (৩০), বিনু (৩৮) ও নিশাত (২৫) নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা সবাই কৃষ্টপুর এলাকার বাসিন্দা।

নিহত রাজা মিয়ার পরিবারের অভিযোগ, সম্প্রতি কবির ও তাঁর সহযোগীদের মাদক কারবারে নিষেধ করেছিলেন রাজা মিয়া। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই রাজা মিয়ার ওপর হামলা করা হয়।

তবে পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, দুই পক্ষই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। যদিও কার বিরুদ্ধে কতটি মাদক মামলা রয়েছে, সে বিষয়ে সূত্রটি সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেনি।

এ বিষয়ে মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের হোসেন শাকিল বলেন, যুবদলের সাবেক নেতা রাজা মিয়া আন্দোলন-সংগ্রামে সব সময় দলের সঙ্গে ছিলেন। তাঁকে যে বা যাঁরাই হত্যা করে থাকুন, দ্রুত তাঁদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। রাজা মিয়া মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না বলেও দাবি করেন জুবায়ের হোসেন।

ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। নিহত রাজা মিয়ার স্ত্রীর করা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে।

সভায় মূল বিষয়বস্তুর ওপর কি-নোট উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুমনা গুপ্ত। সভায় অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সদস্যসচিব সুব্রত চৌধুরী….

রাজশাহীর রেশমশিল্পের পরিচিতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১০ কিলোমিটার চ্যালেঞ্জ ম্যারাথন ‘রান ফর সিল্ক সিটি ২০২৬’। আজ শনিবার সকাল ৬টার দিকে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সামনে থেকে ম্যারাথনটি শুরু হয়ে ভদ্রা মোড়, তালাইমারী ও সাহেব বাজার হয়ে হজরত শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় ঈদগাহের…

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ফেসবুক-সংবাদপত্রের বাক্‌স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী দেশে মিথ্যাচার চালাচ্ছে। স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে কেউ যেন মিথ্যাচার করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

জনপ্রিয় টার্গেট

মাদক কারবারে বাধার জেরে হামলা, হাসপাতালে সাবেক যুবদল নেতার মৃত্যু

প্রকাশ: ১২:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিহত রাজা মিয়া (৪০) নগরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্টপুর এলাকার মমরোজ মিয়ার ছেলে। তিনি মহানগর যুবদলের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার মাদক কারবারে নিষেধ করা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে রাজা মিয়ার ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার তাঁর স্ত্রীর করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সকালে কৃষ্টপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে রাজা মিয়ার ওপর হামলা চালায় কবিরের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল। এ সময় কবির শাবল দিয়ে রাজা মিয়ার মাথায় আঘাত করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে মমেক হাসপাতালে নিয়ে যান।

পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে শয্যা না থাকায় তাঁকে আবার মমেক হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হয়। আজ বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

হামলার ঘটনায় গতকাল রাতে রাজা মিয়ার স্ত্রী জোসনা আক্তার বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে মামলার প্রধান আসামি কবির (৩০), বিনু (৩৮) ও নিশাত (২৫) নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা সবাই কৃষ্টপুর এলাকার বাসিন্দা।

নিহত রাজা মিয়ার পরিবারের অভিযোগ, সম্প্রতি কবির ও তাঁর সহযোগীদের মাদক কারবারে নিষেধ করেছিলেন রাজা মিয়া। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই রাজা মিয়ার ওপর হামলা করা হয়।

তবে পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, দুই পক্ষই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। যদিও কার বিরুদ্ধে কতটি মাদক মামলা রয়েছে, সে বিষয়ে সূত্রটি সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেনি।

এ বিষয়ে মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের হোসেন শাকিল বলেন, যুবদলের সাবেক নেতা রাজা মিয়া আন্দোলন-সংগ্রামে সব সময় দলের সঙ্গে ছিলেন। তাঁকে যে বা যাঁরাই হত্যা করে থাকুন, দ্রুত তাঁদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। রাজা মিয়া মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না বলেও দাবি করেন জুবায়ের হোসেন।

ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। নিহত রাজা মিয়ার স্ত্রীর করা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে।

সভায় মূল বিষয়বস্তুর ওপর কি-নোট উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুমনা গুপ্ত। সভায় অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সদস্যসচিব সুব্রত চৌধুরী….

রাজশাহীর রেশমশিল্পের পরিচিতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১০ কিলোমিটার চ্যালেঞ্জ ম্যারাথন ‘রান ফর সিল্ক সিটি ২০২৬’। আজ শনিবার সকাল ৬টার দিকে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সামনে থেকে ম্যারাথনটি শুরু হয়ে ভদ্রা মোড়, তালাইমারী ও সাহেব বাজার হয়ে হজরত শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় ঈদগাহের…

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ফেসবুক-সংবাদপত্রের বাক্‌স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী দেশে মিথ্যাচার চালাচ্ছে। স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে কেউ যেন মিথ্যাচার করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।