মাজারের খাদেম হত্যা: দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৫ জেএমবি সদস্য খালাস

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:৫৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

আজ রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন—জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী এবং লিটন মিয়া ওরফে রফিক।

খালাস পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন—জেএমবি সদস্য ইছাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া।

এর আগে ২০১৮ সালে খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে ছয়জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এ রায় দেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড় এলাকায় বাড়ি ফেরার পথে রহমত আলীকে (৬০) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরদিন ১১ নভেম্বর রহমত আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত দলের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে তিনজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং কেউ কেউ অতীতে র‍্যাবেও কর্মরত ছিলেন।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে নিহত পরিবারের এক নারীর পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে তাঁর পরিবারে অশান্তি চলছিল। বিষয়টি নিয়ে নিহত মুনিরা বেগমের সঙ্গেও জাহিদুলের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

নড়াইলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের অভিযোগে মাহবুবুর রহমান (২৫) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মাহবুবুর রহমান নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের আলমগীর সরদারের ছেলে ও নড়াইল পৌরসভার ডুমুরতলা তাফসির উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক।

জনপ্রিয় টার্গেট

বদলে গেল আসিফ-নাসীরুদ্দীনের ভোটার এলাকা

মাজারের খাদেম হত্যা: দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৫ জেএমবি সদস্য খালাস

প্রকাশ: ০৩:৫৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন—জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী এবং লিটন মিয়া ওরফে রফিক।

খালাস পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন—জেএমবি সদস্য ইছাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া।

এর আগে ২০১৮ সালে খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে ছয়জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এ রায় দেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড় এলাকায় বাড়ি ফেরার পথে রহমত আলীকে (৬০) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরদিন ১১ নভেম্বর রহমত আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত দলের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে তিনজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং কেউ কেউ অতীতে র‍্যাবেও কর্মরত ছিলেন।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে নিহত পরিবারের এক নারীর পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে তাঁর পরিবারে অশান্তি চলছিল। বিষয়টি নিয়ে নিহত মুনিরা বেগমের সঙ্গেও জাহিদুলের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

নড়াইলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের অভিযোগে মাহবুবুর রহমান (২৫) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মাহবুবুর রহমান নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের আলমগীর সরদারের ছেলে ও নড়াইল পৌরসভার ডুমুরতলা তাফসির উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক।