এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এয়াতলং
পাড়া-উত্তর ডলু-হাতিমুড়া ১০ কিলোমিটার সড়কের শেষাংশের চার কিলোমিটারের মধ্যে তিন কিলোমিটার কার্পেটিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। উন্নয়নকাজে প্রায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রিপ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।
সড়কের কাজের শুরুর ২০০ থেকে ৪০০ মিটার অংশের এক পাশে জমি এবং অন্য পাশে পাহাড়ি ছড়া বা খাল রয়েছে। বর্ষার পাহাড়ি খরস্রোতে খালের কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যেই সড়কে কার্পেটিং করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে সড়কে কার্পেটিং শুরু হয়েছে। ঠিকাদারের প্রতিনিধি ও এলজিইডির তদারকি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শ্রমিকেরা কাজ করছিলেন। খালের ভাঙনস্থলে দাঁড়িয়ে স্থানীয়দের কয়েকজন ভাঙন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম ও সর্দার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, উপজেলার প্রাচীন জনপদের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির উন্নয়নে সরকারের নজর পড়লেও খালের ভয়াবহ ভাঙনের ঝুঁকি রেখে কার্পেটিং করায় সড়কের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, আগামী বর্ষায় পাহাড়ি খরস্রোতে সড়কের এক পাশের দুই-তিনটি স্থান ভেঙে জমিতে চলে যেতে পারে। এলাকাবাসী এলজিইডিকে বারবার জানানোর পরও খালের পাড়ের ঝুঁকি রেখেই কার্পেটিং করা হচ্ছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।
রিপ এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি রাজু আহমেদ বলেন, ‘জমি ও খালের মাঝখান দিয়ে যাওয়া সড়কের দুই-তিনটি স্থানে ভাঙনের ঝুঁকি রয়েছে। বরাদ্দ না থাকায় গাইডওয়াল করা সম্ভব হয়নি। সড়কের অস্থায়ী নিরাপত্তায় প্রতিষ্ঠানটি নিজ খরচে ড্রামসেট বসিয়ে কিছুটা সুরক্ষার চেষ্টা করবে। তা না হলে কাজের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। সড়কের স্থায়ী নিরাপত্তায় গাইডওয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নিতে এলজিইডিকে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান বলেন, পাহাড়ি ছড়া বা খালের অংশে সড়কটির ভাঙনের ঝুঁকি রয়েছে। তবে কার্পেটিংয়ের বরাদ্দে গাইডওয়াল নির্মাণের অর্থ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি এলজিইডির প্রধান কার্যালয়কে জানানো হয়েছে। আপাতত বিকল্প উপায়ে ড্রামসেট বসিয়ে অস্থায়ী নিরাপত্তার চেষ্টা করা হবে।

দৈনিক টার্গেট 






















