উপস্থিত স্বজনেরা তাঁকে বুকে টেনে নিয়ে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও সদ্য সন্তানহারা মা বার বার ডুকরে কেঁদে উঠছিলেন, ‘আর ঝির (আমার মেয়ের) স্বপ্ন সিএ কইরব, তারপর চাকরি কইরব। লেখাপড়া করি প্রতিষ্ঠিত হই, মা-বাবার পাশে দাড়াইব। কিন্তু আর ঝি আরগোরে ছাড়ি আল্লাহর কাছে চলি গেছে।’
সালমা আক্তারের এই বাঁধভাঙ্গা কান্না স্বজনসহ উপস্থিত সকলের চোখকে অশ্রুসিক্ত করে তোলে।
মেয়ের মরদেহ নিতে হাসপাতালের বারান্দায় বসে ছিলেন বাবা প্রবাসী সাখাওয়াত হোসেনও। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ তিনি।
মেয়ের হাসিমাখা মুখটা মনে করে নীরবে চোখের জল ফেলে জানালেন, মাইশা তাদের একমাত্র মেয়ে। গত শুক্রবার মেয়ের জন্মদিন ছিল। মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনসহ সকলকেই দাওয়াত করে অনুষ্ঠান করেছিলেন তিনি।
‘জন্মদিনের অনুষ্ঠান করায় আমার মেয়ের সে কি আনন্দ! কিন্তু আমি কি জানতাম এটাই আমার মেয়ের শেষ জন্মদিন পালন করা। আমার একমাত্র মেয়েটার মৃত্যুতে আমার দুনিয়া শেষ হয়ে গেছে,’ অনন্ত হাহাকার শোকাতুর বাবার কণ্ঠে।

দৈনিক টার্গেট 






















