০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট, কর্মচারীদের দিয়েই চলছে পশুর চিকিৎসা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পঠিত হয়েছে

প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে একজন ভেটেরিনারি সার্জন কর্মরত রয়েছেন। উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (কৃত্রিম প্রজনন) ও (প্রাণী স্বাস্থ্য) পদ দুটি শূন্য। উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) পদে চারজনের বিপরীতে কর্মরত আছেন তিনজন। তাঁদের একজন প্রশিক্ষণে রয়েছেন। এ ছাড়া অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদটিও শূন্য। অফিস সহায়ক ও ড্রেসার পদে একজন করে কর্মরত রয়েছেন।

জনবল সংকটে দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অসুস্থ গরু, ছাগল ও বাছুর নিয়ে হাসপাতালে আসা পশুপালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। জরুরি রোগীদের সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় পশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

চিকিৎসা নিতে আসা মাদারগঞ্জের রুহুল আমিন বলেন, “প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি, কিন্তু চিকিৎসক পাচ্ছি না। পরে দেখি হাসপাতালের কর্মচারীরাই চিকিৎসা দিচ্ছেন। আমরা প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূর থেকে পশু নিয়ে এখানে আসি ভালো চিকিৎসার আশায়। এত দূর থেকে এসে যদি প্রয়োজনীয় চিকিৎসকই না পাই, তাহলে এখানে আসার সার্থকতা কোথায়?”

একবারপুর মধ্যপাড়ার মেরিনা বেগম বলেন, “আমার বাছুর অসুস্থ হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। কিন্তু একজন চিকিৎসকের পক্ষে এতগুলো পশু দেখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই কর্মচারীরাও চিকিৎসার কাজে যুক্ত হচ্ছেন। আমরা চাই, হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হোক।”

রামনাথপুর এলাকার মোকছেদ আলী বলেন, “চিকিৎসক না থাকায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কর্মচারীদের দিয়ে চিকিৎসা করাতে আমাদের অনেকেরই ভরসা হয় না। সাধারণ মানুষ সব সময় বুঝতেও পারেন না কে চিকিৎসক আর কে কর্মচারী। আমরা দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগের দাবি জানাই।”

হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভেটেরিনারি সার্জন হুমায়ূন কবীর বলেন, “আমাদের এখানে চিকিৎসক ও জনবল সংকট রয়েছে। ফলে চিকিৎসাসেবা দিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে। আমি একাই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক চাপের মধ্যে পড়ছি। তারপরও যতটুকু সম্ভব পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ফজলুল কবির বলেন, “জনবল সংকটের বিষয়টি একাধিকবার জেলা কার্যালয়কে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও কর্মচারী না থাকায় সীমিত জনবল দিয়েই কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।”

‘এত ঋণ কীভাবে শোধ করিমো, মেয়ের স্বর্ণই-বা কীভাবে দিমো’

‘এত ঋণ কীভাবে শোধ করিমো, মেয়ের স্বর্ণই-বা কীভাবে দিমো’

অশোক চন্দ্র রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাপের কাছ থেকে দুই শতক জমি পাইছি। এইটুকু জমির ওপর কষ্ট করে বাড়ি করছি। ছেলে ঢাকায় থাকে। ছেলে বড় হয়েছে, বিয়ে দিতে হবে। এ জন্য মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর কয়েক বছর ধরে কিস্তি নিয়ে, একটু একটু করে এলাকায় ঘুরে কাজকাম করে কিছু টাকা জমাইছিলাম।

রমেক হাসপাতাল: সুস্থ হতে এসে মৃত্যুভয়

রমেক হাসপাতাল: সুস্থ হতে এসে মৃত্যুভয়

রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে আগুনে পুড়ে কিংবা ছাদের পলেস্তারা ধসে প্রাণ হারানোর আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের। ১ হাজার ২৫০ কেভিএ ক্ষমতার বিদ্যুৎব্যবস্থায় চলছে প্রায় আড়াই গুণ বেশি লোড। জরাজীর্ণ বৈদ্যুতিক তার, অপরিকল্পিত এসি স্থাপনে বাড়ছে অগ্নিঝুঁকি।

বেরোবি শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মারধর-ছিনতাই, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

বেরোবি শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মারধর-ছিনতাই, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এক শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

জনপ্রিয় টার্গেট

এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট, কর্মচারীদের দিয়েই চলছে পশুর চিকিৎসা

প্রকাশ: ০৭:০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে একজন ভেটেরিনারি সার্জন কর্মরত রয়েছেন। উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (কৃত্রিম প্রজনন) ও (প্রাণী স্বাস্থ্য) পদ দুটি শূন্য। উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) পদে চারজনের বিপরীতে কর্মরত আছেন তিনজন। তাঁদের একজন প্রশিক্ষণে রয়েছেন। এ ছাড়া অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদটিও শূন্য। অফিস সহায়ক ও ড্রেসার পদে একজন করে কর্মরত রয়েছেন।

জনবল সংকটে দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অসুস্থ গরু, ছাগল ও বাছুর নিয়ে হাসপাতালে আসা পশুপালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। জরুরি রোগীদের সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় পশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

চিকিৎসা নিতে আসা মাদারগঞ্জের রুহুল আমিন বলেন, “প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি, কিন্তু চিকিৎসক পাচ্ছি না। পরে দেখি হাসপাতালের কর্মচারীরাই চিকিৎসা দিচ্ছেন। আমরা প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূর থেকে পশু নিয়ে এখানে আসি ভালো চিকিৎসার আশায়। এত দূর থেকে এসে যদি প্রয়োজনীয় চিকিৎসকই না পাই, তাহলে এখানে আসার সার্থকতা কোথায়?”

একবারপুর মধ্যপাড়ার মেরিনা বেগম বলেন, “আমার বাছুর অসুস্থ হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। কিন্তু একজন চিকিৎসকের পক্ষে এতগুলো পশু দেখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই কর্মচারীরাও চিকিৎসার কাজে যুক্ত হচ্ছেন। আমরা চাই, হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হোক।”

রামনাথপুর এলাকার মোকছেদ আলী বলেন, “চিকিৎসক না থাকায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কর্মচারীদের দিয়ে চিকিৎসা করাতে আমাদের অনেকেরই ভরসা হয় না। সাধারণ মানুষ সব সময় বুঝতেও পারেন না কে চিকিৎসক আর কে কর্মচারী। আমরা দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগের দাবি জানাই।”

হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভেটেরিনারি সার্জন হুমায়ূন কবীর বলেন, “আমাদের এখানে চিকিৎসক ও জনবল সংকট রয়েছে। ফলে চিকিৎসাসেবা দিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে। আমি একাই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক চাপের মধ্যে পড়ছি। তারপরও যতটুকু সম্ভব পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ফজলুল কবির বলেন, “জনবল সংকটের বিষয়টি একাধিকবার জেলা কার্যালয়কে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও কর্মচারী না থাকায় সীমিত জনবল দিয়েই কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।”

‘এত ঋণ কীভাবে শোধ করিমো, মেয়ের স্বর্ণই-বা কীভাবে দিমো’

‘এত ঋণ কীভাবে শোধ করিমো, মেয়ের স্বর্ণই-বা কীভাবে দিমো’

অশোক চন্দ্র রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাপের কাছ থেকে দুই শতক জমি পাইছি। এইটুকু জমির ওপর কষ্ট করে বাড়ি করছি। ছেলে ঢাকায় থাকে। ছেলে বড় হয়েছে, বিয়ে দিতে হবে। এ জন্য মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর কয়েক বছর ধরে কিস্তি নিয়ে, একটু একটু করে এলাকায় ঘুরে কাজকাম করে কিছু টাকা জমাইছিলাম।

রমেক হাসপাতাল: সুস্থ হতে এসে মৃত্যুভয়

রমেক হাসপাতাল: সুস্থ হতে এসে মৃত্যুভয়

রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে আগুনে পুড়ে কিংবা ছাদের পলেস্তারা ধসে প্রাণ হারানোর আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের। ১ হাজার ২৫০ কেভিএ ক্ষমতার বিদ্যুৎব্যবস্থায় চলছে প্রায় আড়াই গুণ বেশি লোড। জরাজীর্ণ বৈদ্যুতিক তার, অপরিকল্পিত এসি স্থাপনে বাড়ছে অগ্নিঝুঁকি।

বেরোবি শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মারধর-ছিনতাই, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

বেরোবি শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মারধর-ছিনতাই, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এক শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।