উত্তরার পরিচিত ব্যবসায়ী বাবার অসুস্থতায় সন্তানের আবেগঘন স্ট্যাটাস ও দোয়া প্রার্থনা

বাবার প্রতি সন্তানের হৃদয়ছোঁয়া ভালোবাসার আকুতি

ঢাকা: “বাবা যে মানুষের বেঁচে নেই, সেই বোঝে বাবা হারানোর কি যন্ত্রণা” বাবার অসুস্থতায় ব্যাকুল হয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এমনই কিছু আবেগঘন কথা বলেছেন ঢাকা উত্তরার দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ সাংবাদিক জিয়াউর রহমান জিয়া। নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি তুলে ধরেছেন সন্তানের প্রতি একজন বাবার অনাবিল ভালোবাসা ও অবদানের কথা।

তিনি বলেন, প্রতিটি বাবাই তার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুন্দর জীবন গড়ার লক্ষ্যে শাসন করেন এবং দিকনির্দেশনামূলক কথা বলেন। অনেক সময় না বুঝে সন্তানরা বাবার ওপর রাগ বা অভিমান করে বসে এবং মনে করে বাবা কেন এত কড়া কথা বলছেন। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় ও বয়সের পরিপক্বতায় এসে আজ উপলব্ধি করা যায়, বাবার সেই শাসন ও প্রতিটি কথার পেছনে লুকিয়ে ছিল কেবলই সন্তানের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও মঙ্গলাকাঙ্ক্ষা।

জিয়া তার বাবার সততা ও কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে জানান, তার বাবা দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ঢাকার উত্তরার বিভিন্ন স্থানে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। এই সুদীর্ঘ ব্যবসায়িক জীবনে তিনি নিজের সততা ও আদর্শের পরিচয় দিয়েছেন। আজ পর্যন্ত কোনো একজন ব্যক্তিও বলতে পারেননি যে তার বাবার কাছে কেউ একটি টাকাও পাওনা আছেন। এমন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষের সন্তান হতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত মনে করেন।

বর্তমানে জিয়ার শ্রদ্ধেয় বাবা অসুস্থ থাকায় তিনি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন। বাবা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং দীর্ঘায়ু লাভ করেন, সে জন্য তিনি আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এবং বাবার সুপরিচিত সকল গুণগ্রাহীদের কাছে বিনীতভাবে দোয়া চেয়েছেন।

পরম করুণাময় মহান আল্লাহর দরবারে আকুল ফরিয়াদ জানিয়ে তিনি বলেন, “ইয়া আল্লাহু, ইয়া রাহিমু, ইয়া রাহমানু আমার বাবাকে সুস্থ রাখুন এবং আরও দীর্ঘদিন আমাদের মাঝে বাঁচিয়ে রাখুন, আমিন।” পরিশেষে বাবার প্রতি নিজের গভীর ও অকৃত্রিম ভালোবাসা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “বাবা, তোমাকে অনেক ভালোবাসি।”

জনপ্রিয় টার্গেট

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কা, শিশুসহ আহত ৩

উত্তরার পরিচিত ব্যবসায়ী বাবার অসুস্থতায় সন্তানের আবেগঘন স্ট্যাটাস ও দোয়া প্রার্থনা

বাবার প্রতি সন্তানের হৃদয়ছোঁয়া ভালোবাসার আকুতি

প্রকাশ: ১২:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা: “বাবা যে মানুষের বেঁচে নেই, সেই বোঝে বাবা হারানোর কি যন্ত্রণা” বাবার অসুস্থতায় ব্যাকুল হয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এমনই কিছু আবেগঘন কথা বলেছেন ঢাকা উত্তরার দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ সাংবাদিক জিয়াউর রহমান জিয়া। নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি তুলে ধরেছেন সন্তানের প্রতি একজন বাবার অনাবিল ভালোবাসা ও অবদানের কথা।

তিনি বলেন, প্রতিটি বাবাই তার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুন্দর জীবন গড়ার লক্ষ্যে শাসন করেন এবং দিকনির্দেশনামূলক কথা বলেন। অনেক সময় না বুঝে সন্তানরা বাবার ওপর রাগ বা অভিমান করে বসে এবং মনে করে বাবা কেন এত কড়া কথা বলছেন। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় ও বয়সের পরিপক্বতায় এসে আজ উপলব্ধি করা যায়, বাবার সেই শাসন ও প্রতিটি কথার পেছনে লুকিয়ে ছিল কেবলই সন্তানের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও মঙ্গলাকাঙ্ক্ষা।

জিয়া তার বাবার সততা ও কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে জানান, তার বাবা দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ঢাকার উত্তরার বিভিন্ন স্থানে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। এই সুদীর্ঘ ব্যবসায়িক জীবনে তিনি নিজের সততা ও আদর্শের পরিচয় দিয়েছেন। আজ পর্যন্ত কোনো একজন ব্যক্তিও বলতে পারেননি যে তার বাবার কাছে কেউ একটি টাকাও পাওনা আছেন। এমন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষের সন্তান হতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত মনে করেন।

বর্তমানে জিয়ার শ্রদ্ধেয় বাবা অসুস্থ থাকায় তিনি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন। বাবা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং দীর্ঘায়ু লাভ করেন, সে জন্য তিনি আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এবং বাবার সুপরিচিত সকল গুণগ্রাহীদের কাছে বিনীতভাবে দোয়া চেয়েছেন।

পরম করুণাময় মহান আল্লাহর দরবারে আকুল ফরিয়াদ জানিয়ে তিনি বলেন, “ইয়া আল্লাহু, ইয়া রাহিমু, ইয়া রাহমানু আমার বাবাকে সুস্থ রাখুন এবং আরও দীর্ঘদিন আমাদের মাঝে বাঁচিয়ে রাখুন, আমিন।” পরিশেষে বাবার প্রতি নিজের গভীর ও অকৃত্রিম ভালোবাসা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “বাবা, তোমাকে অনেক ভালোবাসি।”