নিহত জুয়েল মিয়া নকলার বারমাইসা খিচা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের মো. হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। দুই সন্তানের জনক জুয়েল ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে প্রবাসী ছিলেন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন নকলা পৌরসভার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ ফেরদৌসুর রহমান (৫০), হিসাব সহকারী আলমগীর হোসেন (৩২), শফিকুল ইসলাম (৪৫) ও দুলাল মিয়া (৬০)। ফেরদৌসুর রহমানকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আলমগীর হোসেন নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। শফিকুল ইসলাম ও দুলাল মিয়া শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে শেরপুরগামী শেরপুর চেম্বার্স অব কমার্সের একটি বাস নকলাগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশার যাত্রী জুয়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত চারজনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নিহত জুয়েল মিয়ার চাচাতো ভাই এরশাদ আলী বলেন, জুয়েল প্রায় ১৪ বছর ধরে প্রবাসে থাকেন। ২০ দিন আগে তিনি দেশে এসেছিলেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে তাঁর সঙ্গেই ইরাকে থাকে। মঙ্গলবার বিকেলে কাজের জন্য শেরপুরে এসেছিলেন জুয়েল। বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।
নকলা পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুল হাসান বলেন, পৌরসভার হিসাবরক্ষক ও হিসাব সহকারীকে নিয়ে তিনি বিকেলে শেরপুরে এসেছিলেন। পরদিন বদলিজনিত কারণে বিদায় নিতে যাওয়া তিন কর্মকর্তার জন্য উপহার কিনতে তাঁরা শেরপুরে আসেন। কাজ শেষে তিনি বাসায় ফিরে যান। পরে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে আহত ফেরদৌসুর রহমানকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, রাত ৯টার দিকে শেরপুর-ঢাকা মহাসড়কের হাওড়া বাড়ি এলাকার মমিন মেম্বারের বাড়ির সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে নিহত অবস্থায় পায়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দৈনিক টার্গেট 



























