প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে অংশ নিতে গিয়ে তাঁদের অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছে। তারপরও সাধারণ মানুষ তাঁদের ভোট দিয়েছেন এলাকার শান্তি, উন্নয়ন ও মানুষের ভালো থাকার প্রত্যাশায়। জনগণের সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়ন করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।
চরাঞ্চলের জমি দখল ও বিভিন্ন অপকর্মের বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু এলাকায় চরাঞ্চলের জমি দখলসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কেউ জমি দখল কিংবা অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। বরং যারা চরাঞ্চলের জমি দখল ও ভুয়া দলিলপত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত, তারাই এলাকায় নৈরাজ্য, মারামারি ও সংঘাত সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ সময় তিনি প্রশাসনের প্রতি প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে নজর রাখার নির্দেশনা দেন।
নুরুল হক নুর আরও বলেন, আমরা নিজেরা এখন পর্যন্ত এমন কোনো বক্তব্য দিইনি, যাতে এলাকায় উত্তেজনা বা সংঘাত সৃষ্টি হয়। আমরা শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে চাই। বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের দায়িত্বশীল নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেকোনো সমস্যা সমাধানে সবাইকে একসঙ্গে বসতে হবে, আলোচনা করতে হবে এবং সম্মিলিতভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। সব সমস্যার সমাধান শুধু প্রশাসন কিংবা আইন-আদালতের মাধ্যমে সম্ভব নয়। রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবে মানুষের সমস্যা সমাধানে আমাদেরও সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিদ্দিক আহমেদ মোল্লার, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম শানু, যুবদলের সাবেক সদস্যসচিব শামিম খান, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশার, সদস্যসচিব সালাহ উদ্দিন, ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি মিজানুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আলতাব হোসেন আকন, সাধারণ সম্পাদক লিয়ার হোসেন হাওলাদা সহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এর আগে উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরের মাঠে গিয়ে শেষ হয়। পরে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়।

দৈনিক টার্গেট 





















