সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদার কন্যা অন্তরা এবার দোহার-নবাবগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন। ভোটারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা বাড়াতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি

ঢাকা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে অন্তরা সেলিমা হুদা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:২৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ২০২ বার পঠিত হয়েছে

অন্তরা সেলিমা হুদা

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নড়াচড়া শুরু হয়েছে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ও তৃণমূল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মেয়ে অ্যাডভোকেট অন্তরা সেলিমা হুদা। তিনি এবার ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়েছেন।

গত কয়েক দিন ধরে তিনি দোহার ও নবাবগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন, জানাচ্ছেন তার নির্বাচনী অঙ্গীকার। স্থানীয়দের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি সাবেক সফল যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদার কন্যা। বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পূর্ণ করার অঙ্গীকার নিয়ে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই। এই এলাকার মানুষ আমার বাবাকে এখনও ভালোবাসে, সেই ভালোবাসাই আমার প্রেরণা।”

অন্তরার ভাষায়, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী নিয়ে নয়, বরং এলাকার উন্নয়ন নিয়েই ভাবছেন। বিএনপি থেকে যিনি এবার এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন, খন্দকার আবু আশফাক, তিনি নাজমুল হুদাকে শ্রদ্ধা করেন এবং অন্তরাকেও স্নেহ করেন বলেও জানান তিনি।

দলীয় পরিচয় থেকে স্বতন্ত্র পথে

বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার আগে পর্যন্ত অন্তরা সেলিমা হুদা তার অবস্থান স্পষ্ট করেননি। অনেকেই ধারণা করছিলেন, তিনি তৃণমূল বিএনপির হয়ে লড়বেন। তবে বিএনপি মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর তিনি প্রকাশ্যে জানান দেন, এবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন

উল্লেখ্য, তৃণমূল বিএনপি ২০২৩ সালে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায়। ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তরা সেলিমা হুদা ওই দলের হয়ে মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর-সিরাজদিখান) আসনে “সোনালী আঁশ” প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
তবে দলটি এবারের নির্বাচনে কোনো প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ায় অন্তরা এবার কিছুটা কৌশলগতভাবে স্বতন্ত্রভাবে মাঠে নামছেন

দলীয় পদে থেকেও স্বতন্ত্র লড়াই

২০২৩ সালে তৃণমূল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। সেখানে শমসের মুবিন চৌধুরী চেয়ারম্যান, তৈমুর আলম খন্দকার মহাসচিব এবং অন্তরা সেলিমা হুদা নির্বাহী চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পান।
তবে দলীয় পদে থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন স্বতন্ত্রভাবে লড়াই করছেন-এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য দেননি। স্থানীয় সূত্র বলছে, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও নির্বাচনী হিসাব কষে তিনি স্বাধীনভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

স্থানীয় পর্যায়ে সাড়া

দোহার ও নবাবগঞ্জে অন্তরার প্রচারণা ইতোমধ্যেই ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। অনেকেই বলছেন, তার বাবার সময়কার উন্নয়ন প্রকল্পগুলো এখনও মানুষের মনে রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় স্থানীয়রা তার প্রচারণায় ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন।


সারসংক্ষেপে, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে অ্যাডভোকেট অন্তরা সেলিমা হুদা এবার ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে নতুন এক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সূচনা করেছেন। দলীয় ব্যানার নয়, জনগণের ভালোবাসাকে মূল শক্তি হিসেবে নিয়েই তিনি ভোটের মাঠে লড়তে নামছেন।

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদার কন্যা অন্তরা এবার দোহার-নবাবগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন। ভোটারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা বাড়াতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি

ঢাকা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে অন্তরা সেলিমা হুদা

প্রকাশ: ০৪:২৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নড়াচড়া শুরু হয়েছে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ও তৃণমূল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মেয়ে অ্যাডভোকেট অন্তরা সেলিমা হুদা। তিনি এবার ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়েছেন।

গত কয়েক দিন ধরে তিনি দোহার ও নবাবগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন, জানাচ্ছেন তার নির্বাচনী অঙ্গীকার। স্থানীয়দের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি সাবেক সফল যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদার কন্যা। বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পূর্ণ করার অঙ্গীকার নিয়ে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই। এই এলাকার মানুষ আমার বাবাকে এখনও ভালোবাসে, সেই ভালোবাসাই আমার প্রেরণা।”

অন্তরার ভাষায়, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী নিয়ে নয়, বরং এলাকার উন্নয়ন নিয়েই ভাবছেন। বিএনপি থেকে যিনি এবার এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন, খন্দকার আবু আশফাক, তিনি নাজমুল হুদাকে শ্রদ্ধা করেন এবং অন্তরাকেও স্নেহ করেন বলেও জানান তিনি।

দলীয় পরিচয় থেকে স্বতন্ত্র পথে

বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার আগে পর্যন্ত অন্তরা সেলিমা হুদা তার অবস্থান স্পষ্ট করেননি। অনেকেই ধারণা করছিলেন, তিনি তৃণমূল বিএনপির হয়ে লড়বেন। তবে বিএনপি মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর তিনি প্রকাশ্যে জানান দেন, এবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন

উল্লেখ্য, তৃণমূল বিএনপি ২০২৩ সালে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায়। ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তরা সেলিমা হুদা ওই দলের হয়ে মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর-সিরাজদিখান) আসনে “সোনালী আঁশ” প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
তবে দলটি এবারের নির্বাচনে কোনো প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ায় অন্তরা এবার কিছুটা কৌশলগতভাবে স্বতন্ত্রভাবে মাঠে নামছেন

দলীয় পদে থেকেও স্বতন্ত্র লড়াই

২০২৩ সালে তৃণমূল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। সেখানে শমসের মুবিন চৌধুরী চেয়ারম্যান, তৈমুর আলম খন্দকার মহাসচিব এবং অন্তরা সেলিমা হুদা নির্বাহী চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পান।
তবে দলীয় পদে থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন স্বতন্ত্রভাবে লড়াই করছেন-এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য দেননি। স্থানীয় সূত্র বলছে, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও নির্বাচনী হিসাব কষে তিনি স্বাধীনভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

স্থানীয় পর্যায়ে সাড়া

দোহার ও নবাবগঞ্জে অন্তরার প্রচারণা ইতোমধ্যেই ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। অনেকেই বলছেন, তার বাবার সময়কার উন্নয়ন প্রকল্পগুলো এখনও মানুষের মনে রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় স্থানীয়রা তার প্রচারণায় ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন।


সারসংক্ষেপে, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে অ্যাডভোকেট অন্তরা সেলিমা হুদা এবার ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে নতুন এক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সূচনা করেছেন। দলীয় ব্যানার নয়, জনগণের ভালোবাসাকে মূল শক্তি হিসেবে নিয়েই তিনি ভোটের মাঠে লড়তে নামছেন।