আজ রোববার সকাল থেকে এসব এলাকার বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা কাজে যোগ না দিয়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন। শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে কোনাবাড়ী, কাশিমপুর ও কালিয়াকৈর এলাকার প্রায় ১৮টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
সকাল ১০টার দিকে কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে থাকা দুটি পুলিশ বক্সে আগুন দেন শ্রমিকেরা। এ সময় বক্সের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাইরে এনে সেগুলোতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
শ্রমিকদের অবরোধে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা বাইপাস থেকে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন শত শত পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীরা।
নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাফর আলী খান বলেন, শ্রমিকেরা চন্দ্রা থেকে কোনাবাড়ী পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা চলছে।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন বলেন, সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শ্রমিকেরা কাজে যোগ না দিয়ে কারখানা থেকে বের হয়ে আসেন। পরে তাঁরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় কোনাবাড়ী, কাশিমপুর ও কালিয়াকৈর এলাকায় প্রায় ১৮টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

দৈনিক টার্গেট 

























