জানা গেছে, আজ শুক্রবার উপজেলার পাকেরহাট এলাকার মেসার্স মহাদেব ট্রেডার্সের গুদামে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিএডিসি সার ডিলার মহিতোষ চন্দ্র চন্দের ওই গুদাম থেকে ৪৫০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। জব্দ করা সারের মধ্যে নোয়াপাড়া গ্রুপের ক্রয় করা ৩০০ বস্তা এমওপি, বিএডিসি গ্রুপের ৫০ বস্তা এমওপি ও ১০০ বস্তা ডিএপি রয়েছে। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ডিলারকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি গুদামটি সিলগালা করা হয়।
পরে উপজেলার টংগুয়া বাজারে বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার মেসার্স আসাদুজ্জামান ট্রেডার্সে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ২০৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৯৪ বস্তা ডিএপি, ৫৫ বস্তা ইউরিয়া ও ৫৮ বস্তা এমওপি রয়েছে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
পৃথক অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুজ্জামান সরকার এবং জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদনান কবির উদয়। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইউএনও কামরুজ্জামান সরকার বলেন, ‘জব্দ করা সার রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করে সরকার নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে।’
ইউএনও আরও বলেন, ‘কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত মূল্যে ও সঠিক সময়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিলারদের গুদাম ও বিক্রয়কেন্দ্রে নিয়মিত তদারকি চলছে। কোনো ডিলার বা ব্যবসায়ী অনুমোদিত সীমার বাইরে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করলে অথবা কৃষকদের হয়রানি করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, গতকাল বৃহস্পতিবার খানসামায় অতিরিক্ত সার মজুত রাখার অভিযোগে মোজাহারুল ইসলাম নামে এক বিএডিসি সার ডিলারের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাঁর গুদাম থেকে ৯২০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের ১০ বছর বয়সী আবাসিক ছাত্রকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগে আল আমিন নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তথ্য গোপনের চেষ্টা ও ছাত্রদের উসকিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা
চট্টগ্রামের ষোলশহর রেল ক্রসিংয়ে রেললাইনে থাকা শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ইলেকট্রিশিয়ান দেলোয়ার হোসেন মিন্টু নিহত হয়েছেন। শিশুসহ আরও দুজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত শিশু রাহাত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।
পাবনা সদরে বাড়ির পাশের মাঠে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে গোসল করতে নেমে ডুবে গিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে বাড়ির পাশের মাঠে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে সুমি, খালিদ ও আফিয়া গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে গভীর পানিতে ডুবে এক শিশু তলিয়ে যেতে থাকলে তাকে বাঁচাতে গিয়ে অপর দুজনও তলিয়ে যায়।
দৈনিক টার্গেট 


















