আজ বুধবার বিকেল তিনটার দিকে কেরানীগঞ্জ উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নের রামেরকান্দা ও কোলচর গ্রামে অভিযানটি চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বর ফরহাদ (১৯), কনের বাবা আজিজুল হক (৪০) এবং ঘটক হাসান (৪৫)। এর মধ্যে ফরহাদকে এক মাসের কারাদণ্ড এবং আজিজুল হক ও হাসানকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কনের বোনকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রামেরকান্দা গ্রামের ১১ বছর বয়সী ওই মেয়ের সঙ্গে কোর্টে বিয়ে করে কোলচর গ্রামের ভাড়াটে ফরহাদ। বাল্যবিবাহের বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।
কনের বাবা আজিজুল হক জানান, ‘ছেলের পরিবারের লোকজন আমার ১১ বছরের মেয়েকে জোর করে বিয়ে করেছে। আমরা বিচার চাইতে এসে আসামি হলাম।’
তবে ছেলেপক্ষের অভিযোগ, ‘দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে হয়েছে। তৃতীয় একটি পক্ষ দুই বোতল মদ চেয়ে পায়নি বলে আমাদের এই সমস্যা করল।’
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওমর ফারুক বলেন, ‘বাল্যবিবাহ বন্ধে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর। বিষয়টি জানতে পেরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। বিয়ে আয়োজন ও সহযোগিতার দায়ে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কাজিকেও আটকের চেষ্টা চলছে।’
আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে অস্ত্রধারী কয়েকজন ব্যক্তি বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে খুঁজতে থাকেন। পরে বিদ্যালয়ের পাশে একটি ছোট চায়ের দোকান থেকে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করে অস্ত্রের মুখে নৌকায় তুলে অজ্ঞাত স্থানের দিকে নিয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
১০০ শয্যাবিশিষ্ট পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ধারণক্ষমতার চেয়ে চার গুণ বেশি রোগী ভর্তি রয়েছেন। রোগীর সংখ্যা বাড়ায় পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে দেখা দিয়েছে তীব্র শয্যা ও জায়গাসংকট। ফলে বাধ্য হয়ে সাধারণ রোগীদের কাছাকাছি মেঝে ও বারান্দায় রেখেই ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দৈনিক টার্গেট 




















