কৃষক ও খেতমজুরদের নানা সংকট নিরসনে ৭ দফা দাবি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৬:৫৭:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

দাবিসমূহ হলো—সার, ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি মূল্য কমাতে হবে; সারের কালোবাজারি বন্ধ করতে হবে এবং পাটের লাভজনক মূল্য দিতে হবে; কৃষি কার্ড বিতরণে দলীয়করণ বন্ধ করে প্রকৃত কৃষক ও খেতমজুরদের হাতে কার্ড দিতে হবে এবং গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে; চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী বন্ধ করে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি করতে হবে; ফুলবাড়ীতে কৃষিজমি, প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করে উন্মুক্ত কয়লাখনি করা যাবে না।

কৃষক সমিতির নেতাদের অভিযোগ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, দখলদারসহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অনাচারের কারণে গ্রামীণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। কৃষক যাতে নিরাপদ পরিবেশে উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাত করতে পারেন, সে জন্য আইনশৃঙ্খলার কার্যকর উন্নতি জরুরি ও অপরিহার্য।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কৃষক নেতা শফিকুল ইসলাম শিকদার, সমিতির ফুলবাড়ী শাখার সদস্য আইয়ুব আলী, সদস্য সুলতান ইসলাম, সদস্য শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

ইউএনও আহমেদ হাছান বলেন, ‘কৃষক সমিতির স্মারকলিপি পেয়েছি, তবে তাদের বিষয়ে আমি তেমন কিছু জানি না। স্মারকলিপিটি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেব, বিষয়টি তাঁরা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবেন।’

পুরান ঢাকার কলতাবাজারে একটি ছাত্রী মেস থেকে র‍্যাব পরিচয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে হস্তক্ষেপ করলে ওই শিক্ষার্থীকে না নিয়েই র‍্যাব সদস্যরা চলে যান বলে জানিয়েছে…

জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে গ্রাম্য সালিস না মানায় ২০ সদস্যের একটি পরিবারকে ২৩ দিন ধরে একঘরে করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিবারটির অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে আশপাশের কেউ কথা বললে, তাঁদের অটোরিকশায় চড়লে কিংবা আয়-রোজগারের কাজে সহযোগিতা করলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওই সালিসে।

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপাকে পড়েছেন নীলফামারীর হিমাগারমালিক ও আলু ব্যবসায়ীরা। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে জেনারেটর চালিয়ে হিমাগারের কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা করছেন তাঁরা। এতে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে জেলার ১১টি হিমাগারে সংরক্ষিত প্রায় ৭৭ হাজার টন আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৫৮

কৃষক ও খেতমজুরদের নানা সংকট নিরসনে ৭ দফা দাবি

প্রকাশ: ০৬:৫৭:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দাবিসমূহ হলো—সার, ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি মূল্য কমাতে হবে; সারের কালোবাজারি বন্ধ করতে হবে এবং পাটের লাভজনক মূল্য দিতে হবে; কৃষি কার্ড বিতরণে দলীয়করণ বন্ধ করে প্রকৃত কৃষক ও খেতমজুরদের হাতে কার্ড দিতে হবে এবং গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে; চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী বন্ধ করে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি করতে হবে; ফুলবাড়ীতে কৃষিজমি, প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করে উন্মুক্ত কয়লাখনি করা যাবে না।

কৃষক সমিতির নেতাদের অভিযোগ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, দখলদারসহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অনাচারের কারণে গ্রামীণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। কৃষক যাতে নিরাপদ পরিবেশে উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাত করতে পারেন, সে জন্য আইনশৃঙ্খলার কার্যকর উন্নতি জরুরি ও অপরিহার্য।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কৃষক নেতা শফিকুল ইসলাম শিকদার, সমিতির ফুলবাড়ী শাখার সদস্য আইয়ুব আলী, সদস্য সুলতান ইসলাম, সদস্য শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

ইউএনও আহমেদ হাছান বলেন, ‘কৃষক সমিতির স্মারকলিপি পেয়েছি, তবে তাদের বিষয়ে আমি তেমন কিছু জানি না। স্মারকলিপিটি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেব, বিষয়টি তাঁরা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবেন।’

পুরান ঢাকার কলতাবাজারে একটি ছাত্রী মেস থেকে র‍্যাব পরিচয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে হস্তক্ষেপ করলে ওই শিক্ষার্থীকে না নিয়েই র‍্যাব সদস্যরা চলে যান বলে জানিয়েছে…

জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে গ্রাম্য সালিস না মানায় ২০ সদস্যের একটি পরিবারকে ২৩ দিন ধরে একঘরে করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিবারটির অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে আশপাশের কেউ কথা বললে, তাঁদের অটোরিকশায় চড়লে কিংবা আয়-রোজগারের কাজে সহযোগিতা করলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওই সালিসে।

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপাকে পড়েছেন নীলফামারীর হিমাগারমালিক ও আলু ব্যবসায়ীরা। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে জেনারেটর চালিয়ে হিমাগারের কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা করছেন তাঁরা। এতে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে জেলার ১১টি হিমাগারে সংরক্ষিত প্রায় ৭৭ হাজার টন আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।