মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নাটোরের লালপুরে পদ্মার চরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪০০ পরিবারের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মানবিক সহায়তা বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলার নওশারা সুলতানপুরে ২১৪টি এবং দিয়ার শংকরপুরে ১৮৬টি পরিবারের মধ্যে ৩০ কেজি করে চালসহ ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, চিড়া-মুড়ি, ওষুধ ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বন্যার্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও লালপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হারুনার রশিদ পাপ্পু, লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিলমাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ছিদ্দিক আলী মিষ্টু, লালপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. আব্দুস সালামসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা সরকারের আছে। এই দুর্যোগ প্রাকৃতিক হোক অথবা মানুষের সৃষ্টি করা হোক।’ তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার পদ্মার চরে বসবাসকারী মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। আমরা চরের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি, যাতায়াতব্যবস্থা সহজ করা এবং দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করতে চাই।’
ফারজানা শারমীন আরও বলেন, চরে কোনো অপশক্তিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের জীবন অনিশ্চয়তার মুখে নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। চরের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সম্ভাবনাময় চরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্যোগকালে সরকারের সহযোগিতা নিয়ে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমেও আপনাদের পাশে থাকতে চাই। কোনো ব্যক্তি বা পরিবার আর অনিশ্চয়তায় থাকবে না। প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা নিয়ে আমরা আপনাদের পাশে থাকব।’
সুসজ্জিত নৌকায় বাজছে ঢাকঢোল। তালে তালে চলছে ভাটিয়ালি গান। মাঝিদের কণ্ঠে—‘হেইয়ারে হেইয়াহো, মারো টান, হেইয়াহো’। বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দে মুখর নদীর পানি। শরতের শেষ বিকেলে এমন দৃশ্য মুগ্ধ করেছে নদীপাড়ের মানুষকে…
নেত্রকোনার বারহাট্টায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ শিউলী রানী বিশ্বাস (৪০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়…
মাগুরা জেলা কারাগারের জেল সুপার শেখ মো. মহিউদ্দীন হায়দার জানান, ১৩ সেপ্টেম্বর কারাগারে নূর আলম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যাম্বুলেন্সে করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দৈনিক টার্গেট 
























