পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে স্কুলের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয় ওই কিশোরী। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ওই দিনই পরিবারের পক্ষ থেকে মির্জাগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। গত দুই দিন ধরে পুলিশ ও স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে রাস্তার পাশে এক জোড়া জুতা পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনেরা। জুতার সূত্র ধরে আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তাঁরা। একপর্যায়ে ধানখেতের পাশে একটি ডোবায় কিশোরীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁর বাবা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
কিশোরীর বাবা বলেন, মঙ্গলবার স্কুলের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর বিকেলে স্কুল ছুটির সময়ও সে বাড়ি ফেরেনি। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। আজ সকালে রাস্তার পাশে জুতা পড়ে থাকতে দেখে আশপাশে খোঁজার একপর্যায়ে ডোবায় মেয়ের মরদেহ পাওয়া যায়।
কিশোরীর বাবা আরও অভিযোগ করেন, মেয়ের পরনের কাপড়চোপড় এলোমেলো ছিল। তাঁর দাবি, ধর্ষণের পর মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বলেন, ওই কিশোরী তার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মঙ্গলবার সে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিল।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দৈনিক টার্গেট 

























