সুয়েজে গতি, হরমুজ-বিকল্প রুটে ঝুঁকি: পণ্যপথে স্বস্তি, জ্বালানিতে নতুন শঙ্কা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর প্রায় সাড়ে ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও সংঘাত বন্ধের কোনো লক্ষণ নেই। যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে। এত দিন সীমিত পরিসরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চললেও নতুন উত্তেজনায় গত সপ্তাহে তা তলানিতে নেমেছে। হরমুজের বিকল্প সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলার পর তেল সরবরাহ বন্ধ হয়েছে। আরেক বিকল্প বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে হামলার আশঙ্কায় তেলবাহী জাহাজ চলাচল প্রায় শূন্যে নেমেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প পথ সংকুচিত হয়েছে। এতে তেলবাহী জাহাজের ভাড়া রেকর্ড উচ্চতায় উঠে জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এরই মধ্যে বাজারে এর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। গতকাল অপরিশোধিত তেলের প্রধান মানদণ্ড ব্রেন্টের দাম ১০৮ ডলারের কাছাকাছি উঠে গেছে। একই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শ্রেণির তেলবাহী জাহাজের ভাড়াও রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। সংঘাতের কারণে জাহাজগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ পথ এড়িয়ে চলতে হলে যাত্রাপথ দীর্ঘ হবে। এর সঙ্গে বাড়বে জ্বালানি, বিমা ও নিরাপত্তার ব্যয়।

গত সপ্তাহে ওমান উপসাগর থেকে চীনে তেল পরিবহনে সুপারট্যাংকার বা ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ারের (ভিএলসিসি) ভাড়া প্রায় ৪৫০ ওয়ার্ল্ডস্কেলে উঠেছে। বাল্টিক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, এই হার প্রতি ব্যারেল তেল পরিবহনে প্রায় ১১ দশমিক ৫০ ডলার খরচের সমান। চলতি বছরের শুরুতে এই রুটের ভাড়া নির্ধারণ শুরুর পর এটি সর্বোচ্চ। অর্থাৎ তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি পরিবহনের খরচও দ্রুত বাড়ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত উন্নয়ন সাময়িকভাবে ধীর করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি এআই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা। তাঁদের এই সতর্কবার্তার পর আজ সোমবার যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার শেয়ারবাজারে এআই-সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে…

শিল্পের ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো মূলধনি যন্ত্রপাতি ও শিল্পের কাঁচামাল। একটি দেশে বিনিয়োগ কতটা বাড়ল কিংবা কমল, নির্দিষ্ট সময়ের হিসাবে এ দুই উপকরণের আমদানি হ্রাস-বৃদ্ধির প্রবাহ থেকেই বোঝা যায়।

জনপ্রিয় টার্গেট

আগের লক্ষ্য অধরা, এরপরও ৩০০ প্রকল্পের মহাপরিকল্পনা

সুয়েজে গতি, হরমুজ-বিকল্প রুটে ঝুঁকি: পণ্যপথে স্বস্তি, জ্বালানিতে নতুন শঙ্কা

প্রকাশ: ০২:০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর প্রায় সাড়ে ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও সংঘাত বন্ধের কোনো লক্ষণ নেই। যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে। এত দিন সীমিত পরিসরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চললেও নতুন উত্তেজনায় গত সপ্তাহে তা তলানিতে নেমেছে। হরমুজের বিকল্প সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলার পর তেল সরবরাহ বন্ধ হয়েছে। আরেক বিকল্প বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে হামলার আশঙ্কায় তেলবাহী জাহাজ চলাচল প্রায় শূন্যে নেমেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প পথ সংকুচিত হয়েছে। এতে তেলবাহী জাহাজের ভাড়া রেকর্ড উচ্চতায় উঠে জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এরই মধ্যে বাজারে এর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। গতকাল অপরিশোধিত তেলের প্রধান মানদণ্ড ব্রেন্টের দাম ১০৮ ডলারের কাছাকাছি উঠে গেছে। একই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শ্রেণির তেলবাহী জাহাজের ভাড়াও রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। সংঘাতের কারণে জাহাজগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ পথ এড়িয়ে চলতে হলে যাত্রাপথ দীর্ঘ হবে। এর সঙ্গে বাড়বে জ্বালানি, বিমা ও নিরাপত্তার ব্যয়।

গত সপ্তাহে ওমান উপসাগর থেকে চীনে তেল পরিবহনে সুপারট্যাংকার বা ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ারের (ভিএলসিসি) ভাড়া প্রায় ৪৫০ ওয়ার্ল্ডস্কেলে উঠেছে। বাল্টিক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, এই হার প্রতি ব্যারেল তেল পরিবহনে প্রায় ১১ দশমিক ৫০ ডলার খরচের সমান। চলতি বছরের শুরুতে এই রুটের ভাড়া নির্ধারণ শুরুর পর এটি সর্বোচ্চ। অর্থাৎ তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি পরিবহনের খরচও দ্রুত বাড়ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত উন্নয়ন সাময়িকভাবে ধীর করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি এআই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা। তাঁদের এই সতর্কবার্তার পর আজ সোমবার যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার শেয়ারবাজারে এআই-সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে…

শিল্পের ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো মূলধনি যন্ত্রপাতি ও শিল্পের কাঁচামাল। একটি দেশে বিনিয়োগ কতটা বাড়ল কিংবা কমল, নির্দিষ্ট সময়ের হিসাবে এ দুই উপকরণের আমদানি হ্রাস-বৃদ্ধির প্রবাহ থেকেই বোঝা যায়।